চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬ পুলিশ সদস্য কারাগারে

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০২:৪৪ এএম

চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানা এলাকায় চাঁদাবাজি করার অভিযোগে গ্রেপ্তার নগর পুলিশ কমিশনারের দেহরক্ষীসহ ছয় পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গত রবিবার চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিপলু কুমার দে এ আদেশ দেন। ১ লাখ ৮০ হাজার ৫০০ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন আনোয়ারা থানার পূর্ব বৈরাগ গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মান্নান।

অভিযুক্ত ছয় পুলিশ সদস্য হলেন নগর পুলিশ কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীরের দেহরক্ষী কনস্টেবল মোরশেদ বিল্লাহ, নগর পুলিশের উপকমিশনার গোয়েন্দা (পশ্চিম) মনজুর মোরশেদের দেহরক্ষী কনস্টেবল মো. মাসুদ, নগরের দামপাড়া রিজার্ভ ফোর্স অফিসে কর্মরত কনস্টেবল শাকিল খান ও এস্কান্দর হোসেন, নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার কর্ণফুলী কার্যালয়ের কম্পিউটার অপারেটর কনস্টেবল মনিরুল ইসলাম ও নগর গোয়েন্দা পুলিশ (উত্তর) কর্মরত কনস্টেবল আবদুল নবী।

সিএমপির জনসংযোগ কর্মকর্তা ও নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (দক্ষিণ) শাহ মো. আবদুর রউফ বলেন, অভিযুক্তদের সাময়িক বরখাস্ত ও তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে।

১ লাখ ৮০ হাজার ৫০০ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ করে আবদুল মান্নান গত রবিবার আনোয়ারা থানায় যে মামলাটি করেছেন সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাত ২টার দিকে চারটি মোটরসাইকেল নিয়ে আটজন ব্যক্তি তার বাড়িতে যায় এবং ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তাকে তুলে নেয়। এরপর পটিয়া উপজেলার ভেল্লাপাড়া সেতুর পূর্ব পাশে কৈয়গ্রাম রাস্তার মাথার একটি দোকানে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে অভিযুক্তরা তাকে জানায়, তার নামে ডিবিতে অভিযোগ আছে। অভিযোগ থেকে নাম কাটাতে হলে ১০ লাখ টাকা লাগবে। এ সময় আত্মীয়স্বজনকে ফোন দিয়ে টাকা এনে দিতে বলা হয় তাকে।

দর কষাকষির একপর্যায়ে ১ লাখ ৮০ হাজার ৫০০ টাকা এনে দিলে ভোর ৫টার দিকে মান্নানকে ছেড়ে দিয়ে পটিয়ার দিকে চলে যায় তারা। ওই আটজনের মধ্যে একজনের জ্যাকেটে ডিবি লেখা ছিল।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত