অক্সফোর্ডের টিকা অনুমোদন দিল ডব্লিউএইচও

আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০১:৪৪ এএম

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনাভাইরাসের টিকা জরুরি ক্ষেত্রে ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। গত সোমবার সংস্থাটি এ অনুমোদন দেয়। এর ফলে কোভ্যাক্স উদ্যোগের মাধ্যমে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার বৈশ্বিক বণ্টনের পথ প্রশস্ত হলো বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

এক বিবৃতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, জরুরি ব্যবহারের জন্য অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দুটি সংস্করণ তারা তালিকাভুক্ত করেছে। এ তালিকাভুক্তি কোভ্যাক্স উদ্যোগের মাধ্যমে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা বৈশ্বিকভাবে বিতরণের সবুজ সংকেত দিচ্ছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্সের লক্ষ্য টিকার ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা।

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার যে দুটি সংস্করণ ডব্লিউএইচও অনুমোদন দিয়েছে, তার একটি উৎপাদন করছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট; অন্যটি দক্ষিণ কোরিয়ার অ্যাস্ট্রাজেনেকা-এসকেবায়ো। ডব্লিউএইচওর তালিকাভুক্তির ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা এখন অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দুটি সংস্করণ ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিতে পারবে। পাশাপাশি টিকাটি আমদানিরও অনুমোদন দিতে পারবে।

ডব্লিউএইচওর সহকারী মহাপরিচালক মারিয়াঙ্গেলা সিমাও বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যেসব দেশ টিকা পায়নি, তারা অবশেষে তাদের স্বাস্থ্যকর্মী ও ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীকে টিকাদান শুরু করতে পারবে। এ অনুমোদন কোভ্যাক্স উদ্যোগে অবদান রাখবে।’

ডব্লিউএইচওর টিকাদানবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা গত ৮ ফেব্রুয়ারি এ টিকা পর্যালোচনা করেন। এরপর তারা ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের ওপর টিকাটি প্রয়োগের সুপারিশ করেন। গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে যুক্তরাজ্য প্রথম তাদের দেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা অনুমোদন দেয়। পরে ভারত, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ এ টিকার অনুমোদন দেয় এবং ব্যবহারও শুরু করেছে।

ডব্লিউএইচও প্রথম গত ৩১ ডিসেম্বর ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়। বর্তমানে ফাইজার, অ্যাস্ট্রাজেনেকাসহ আরও কয়েকটি দেশের তৈরি টিকা বিভিন্ন দেশে দেওয়া হচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত