বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত বলেছেন, প্রযুক্তির বিকাশেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন ঘটাতে হবে। ২০৪১ সালের রূপকল্প বাস্তবায়নে প্রতিটি সেক্টরেই প্রযুক্তিগত ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
শনিবার চট্টগ্রামে বিমানবাহিনীর জহুরুল হক ঘাঁটিতে বিমানবাহিনীর বিমান সেনা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানকে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের স্বীকৃত সনদপত্র হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান, সদস্য প্রশাসন মো.মিজানুর রহমান, সদস্য এফএসআর গ্রুপ ক্যাপ্টেন চৌধুরী জিয়াউল কবির, প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মালেক ও এয়ার কমোডর এ এফ এম আতিকুজ্জামান, বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী ও বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বিমানবাহিনীর প্রধান বলেন, এ সনদ প্রাপ্তির মাধ্যমে বিমানবাহিনীর রক্ষণাবেক্ষণ প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার দক্ষ জনশক্তি ও সম্পদের কার্যকর ব্যবহারের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। একই সঙ্গে বিমান সেনা পªশিক্ষন প্রতিষ্ঠান এশিয়ার মধ্যে একটি অন্যতম বৃহত্তম প্রশিক্ষণ সংস্থার হতে যাচ্ছে। যান দেশ বিদেশে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করবে।
তিনি বলেন, শিগগির এই প্রতিষ্ঠান বিপুলসংখ্যক সনদপ্রাপ্ত কর্মী তৈরি করবে, যা বিমান-শিল্প বিকাশের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, ফোর্সেস গোল ২০৩০ ও ২০৪১ সালের মধ্যে রূপকল্প বাস্তবায়নের অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। এই প্রতিষ্ঠানকে শিগগিরই এডুকেশন ৪.০ প্রতিষ্ঠানে উন্নতি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমান চলাচল কেন্দ্রে পরিণত করতে সকলকে নিরলস পরিশ্রম করতে হবে।
বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ারভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেন, আজ থেকে এয়ারম্যান ট্রেনিং ইনস্টিটিউট হিসেবে এই প্রতিষ্ঠান বেবিচক স্বীকৃত হওয়ায় এখন দেশ বিদেশে চাহিদা পূরণে কাজ করা সম্ভব হবে। শুধু দেশীয় নয়, বিদেশি অ্যাভিয়েশন কর্মীরাও এখানে বাণিজ্যিকভাবে প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
