নোয়াখালীতে সহপাঠীসহ কলেজছাত্রীকে (১৯) আটকে সহপাঠীকে বিবস্ত্র করে ভিডিওচিত্র ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে নির্যাতনের শিকার ছাত্রী বাদী হয়ে সুধারাম থানায় তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। তবে পুলিশ অভিযুক্তদের কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
ছাত্রীর অভিযোগ, গত বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে কলেজের সহপাঠী মো. আরিফ পড়ালেখার নোট নিয়ে বাড়িতে তার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। তখন তার বাবা-মা বাড়িতে ছিলেন না। ছোট ভাই মসজিদে নামাজ পড়তে চলে যান।
এ সময় বাড়ির ফটকে দাঁড়িয়ে আরিফের সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি। হঠাৎ একই এলাকার আকবর, রায়হান ও পুলক মজুমদার এসে তাদের ঘিরে ধরে। তারা দুইজনকে ঘরের ভেতর একটি কক্ষে আটক করে আরিফকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বিবস্ত্র করে তার সঙ্গে একত্রিত করে ভিডিওচিত্র ও স্থিরচিত্র ধারণ করে।
বখাটেরা ওই ছাত্রীর জামা-কাপড় ছিঁড়ে তাকেও বিবস্ত্র করার চেষ্টা করে। এমনকি বখাটেদের সঙ্গে অনৈতিক কাজ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। তারা মোবাইলে ধারণ করা ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ১০ হাজার টাকা চাঁদাও নেয়।
একপর্যায়ে তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন আসতে থাকলে বখাটেরা চলে যায়। যাওয়ার সময় ধারণ করা ভিডিওচিত্র ইন্টারনেট ও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাহেদ উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় ওই ছাত্রী বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে পুলিশ।
