ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারি দল, প্রশাসন ও পুলিশের বিরুদ্ধে ১২ দফা অভিযোগ করেছেন বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবেক ভিপি মো. জহিরুল হক খোকন।
বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
মো. জহিরুল হক খোকন লিখিত বক্তব্যে বলেন, সরকারি দল আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করে ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্কুল চত্বরে বিরাট কার্যালয় বানিয়েছে। পৌর এলাকায় ৫টি কার্যালয়ের স্থলে ৫০টিরও বেশি অফিস করেছেন। নির্বাচনী বিধির তোয়াক্কা না করে নির্বাচনী এলাকার বাইরে থেকে লোক আনিয়ে মিছিল, সমাবেশ ও মোটরসাইকেল-মাইক্রোবাস দিয়ে শোডাউন করছেন। নৌকার প্রার্থীর পক্ষে অস্ত্র-বোমার ভয় দেখিয়ে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে।
তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার ছাড়াও বিএনপির নেতা কর্মী ও সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হয়রানি করছে। আমার কর্মীদের ক্রসফায়ারের ভয় দেখানো হচ্ছে। অথচ তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা ওয়ারেন্ট নেই। এসব বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। প্রশাসন নৌকার প্রার্থী ও সমর্থকদের নিয়মিত নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলেও আমার সমর্থকদের অন্যায়ভাবে মোবাইল কোর্ট করে জরিমানা করছেন।
তিনি আরও বলেন, আমি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে, ফলাফল যাই হোক মেনে নেব। কিন্তু ভোট ডাকাতি, সন্ত্রাস ও জালিয়াতি এবং ইভিএম কারচুপি হলে মেনে নেব না। জীবন দিয়ে হলেও আমি প্রতিহত করব। আমি এবং আমার দলের নেতা–কর্মীরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে আছে এবং থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা, সাবেক সহসভাপতি এড. শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আলী আজম, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জসীম উদ্দিন, সদস্যসচিব মিজানুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
