বিয়ে ও বিচ্ছেদের (ডিভোর্সের) প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজেশনের নির্দেশনা চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মানবাধিকার সংগঠন ‘এইড ফর ম্যান ফাউন্ডেশন’ এবং তিনজন ভুক্তভোগীর পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদনটি করেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। কার্যতালিকায় এলে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট একটি বেঞ্চে আবেদনটির ওপর শুনানি হবে বলে জানান তিনি।
আবেদনের বরাতে অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান দেশ রূপান্তরকে বলেন, বিবাহ ও বিবাহ বিচ্ছেদের (ডিভোর্স) রেজিস্ট্রেশনের (নিবন্ধন) আইনগত বিধান থাকলেও তা এনালগ বা অনাধুনিক। শুধু কাগজপত্রের মাধ্যমে এটি সম্পন্ন হওয়ায় যে কেউ জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতারণা করতে পারে। বিয়ের তথ্য গোপন রেখে বিচ্ছেদ না ঘটিয়েই বিয়ের ঘটনায় সন্তানের পিতার পরিচয় নিয়েও জটিলতা হচ্ছে। এর ফলে বিবাহসংক্রান্ত অপরাধ, পারিবারিক বিরোধ বেড়ে মামলা হচ্ছে।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে রাজধানীর উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয় ক্রিকেটার নাসিরের সঙ্গে কেবিন ক্রু তামিমা সুলতানা তাম্মির বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। কিন্তু তামিমা তার প্রথম স্বামী রাকিব হাসানের সঙ্গে বিচ্ছেদ না ঘটিয়েই ফের বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি জিডি (সাধারণ ডায়েরি) করেন তামিমার প্রথম স্বামী রাকিব। যদিও পরে তামিমা ও নাসির সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেন, রাকিবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরই দুজন বিয়েতে আবদ্ধ হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিয়ে ও ডিভোর্স ডিজিটালাইজেশন করতে আইন সচিব, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি সচিব, ধর্ম সচিব ও বিটিআরসির চেয়ারম্যানের উদ্দেশে আইনি নোটিস পাঠান আইনজীবী ইশরাত হাসান। নোটিসের জবাব না পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ রিট আবেদন করা হলো।
