ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হকের অনুষ্ঠানে ষষ্ঠ ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে দুই মেয়র পদপ্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কসবা উপজেলা পরিষদের সামনে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। দুপক্ষের সংঘর্ষ থেকে কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে উপজেলা পরিষদে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সেই অনুষ্ঠানে মিছিল নিয়ে আসেন কসবা পৌরসভার বর্তমান মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল এবং উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এম এ আজিজের সমর্থকরা। মিছিল থেকে সংঘর্ষের শুরু হয়। সংঘর্ষের সময় আইনমন্ত্রী ঘটনাস্থল ত্যাগ করে নিরাপদস্থানে চলে যান।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পরিবর্তন বা সংশোধনে সরকারের কোনো পরিকল্পনা বা উদ্যোগ আছে কি না জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কিছুদিনের মধ্যেই আপনারা দেখবেন, যা আছে।’
তিনি আরও বলেন, কিছুদিন আগে বাংলাদেশ গরিব দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। জনগণের সহযোগিতায় শেখ হাসিনার পরিশ্রমের ফসল এটি। সকলে মিলে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থাকলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পাল্টে যাবে।
এর পরে এলাকাবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আপনারা সবাই যদি শেখ হাসিনার সঙ্গে থাকেন তাহলে বাংলাদেশের ভবিষ্যত পাল্টে যাবে। আপনাদের সাহসে পদ্মা সেতু নিজেদের টাকায় করা হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মানচিত্র বদলে গেছে। বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত। সবই সম্ভব হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে।’
