কৃত্রিম পায়ের অভাবে স্কুলে যেতে পারছে না ঈশিতা

আপডেট : ১৬ মার্চ ২০২১, ১০:২৫ পিএম

১২ বছর বয়সী ঈশিতা কিছুদিন আগেও গ্রামের অন্য শিশুদের মতো স্বাভাবিক চলাফেরা ও খেলাধুলা করেছে। কিন্তু তার সেই প্রাণচাঞ্চল্যতা হঠাৎ একটি টিউমার কেড়ে নিয়েছে। ঈশিতার একটি পাশ অচল। তার বাঁ পা নেই। এখন ক্রাচে ভর দিয়ে কোনোরকমে ঘর থেকে উঠানে চলাফেরা করতে পারলেও স্কুলে যাওয়ার মতো শক্তি-সামর্থ্য নেই তার। অর্থের অভাবে মেয়ের জন্য একটি কৃত্রিম পা-এর ব্যবস্থা করতে পারেননি দরিদ্র বাবা ঈমান শেখ। ঈশিতা রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের বড় সিংড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পরিবারের ভাষ্যমতে, গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ইউনিয়নের নুরু মন্ডলপাড়ার দরিদ্র রিকশাচালক ঈমান শেখের মেয়ে ঈশিতার পায়ে দুই বছর আগে টিউমার ধরা পড়ে। কিন্তু আর্থিক টানাপড়েনে চিকিৎসা করাতে দেরি হওয়ায় মেয়েটির পা কেটে ফেলতে হয়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, একটি কৃত্রিম পা লাগালে অনেকটা স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারবে ঈশিতা। পা লাগাতে দরকার ৭০-৮০ হাজার টাকা।

তবে ওই টাকা জোগাড়ের সামর্থ্য ঈশিতার পরিবারের নেই।

ঈশিতা বলে, হাতলে (ক্রাচে) ভর দিয়ে হাঁটতে আর ভালো লাগে না, অনেক কষ্ট হয়। মন চায় সবার সঙ্গে হাঁটতে, খেলতে, স্কুলে যেতে। কিন্তু পারি না পা-এর জন্য।

দৌলতদিয়া ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার ও ঈশিতাদের প্রতিবেশী এলিনা বেগম বলেন, কৃত্রিম পা লাগাতে ৭০-৮০ হাজার টাকা দরকার। এ অর্থ জোগাড়ের সামর্থ্য এই পরিবারের নেই। ছোট্ট ঈশিতার চিকিৎসা সহায়তায় এগিয়ে আসতে আমি দানশীলদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

ঈশিতাকে সাহায্য পাঠানোর বিকাশ ও নগদ অ্যাকাউন্ট নম্বর: ০১৯৪৪৮৬০৪২৬।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত