সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের গুল্টা গ্রামে এক আদিবাসী কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে গৃহশিক্ষক আবু সাইদ (৩৮) ওই কলেজছাত্রীকে (১৭) ধর্ষণ করে। পরে জনতা ওই শিক্ষকে গণধোলাই দেয়।
অভিযুক্ত আবু সাঈদ গুল্টা হাজিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় ওই কলেজছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ওই রাতেই তাড়াশ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। শুক্রবার বিকেলে তাড়াশ থানা পুলিশ সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতাল থেকে সাঈদকে গ্রেপ্তার করে।
এ বিষয়ে তালম ইউনিয়নের ২ নম্বর সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মালতী রানী বলেন, এ ঘটনার পর বিক্ষুদ্ধ জনতা আবু সাঈদকে আটক করে বেধড়ক মারধর করে। পরে সে সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়। পুলিশ এ দিন বিকেলে তাকে সেখান থেকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরো বলেন, ওই দিন রাত ৯টার দিকে আদিবাসী কলেজ ছাত্রীর বাবা-মা গুল্টা বাজারে তাদের চা স্টলে কাজ করছিল। তাকে বাড়িতে প্রাইভেট পড়াতে এসে একা পেয়ে ওই কলেজছাত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় তার চিৎকারে লোকজন ছুটে এসে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে বেধড়ক মারপিট করে। এতে সে গুরুতর আহত হলে তাকে সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার ওসি ফজলে আশিক বলেন, এ ঘটনার পর বাদীর লিখিত অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্ত আবু সাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হবে।
