১৯৭১ সালে অনেক শিল্পীই জীবন বাজি রেখে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন যুদ্ধের মাঠে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ঘিরে অনুভূতি জানালেন শিল্পী শাহীন সামাদ।
‘‘এবার স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালিত হচ্ছে একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ১০১ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হচ্ছে। আমি সত্যিই সৌভাগ্যবান আমি সুবর্ণজয়ন্তী দেখে যেতে পারছি। সৌভাগ্য এ জন্যই বলছি, এবার করোনায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেক গায়ক বুদ্ধিজীবী শিল্পী মারা গেছে। খুবই ভালো লাগছে।’’
‘‘সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রচুর প্রোগ্রাম হচ্ছে। আমি নিজেও ব্যস্ত। সবাই আনন্দ করছে। তবে সবাইকে মনে করতে হবে যাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা আনন্দ করছি তাদের যেন না ভুলি।’’
তরুণ প্রজন্ম যেন মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করে। তরুণ প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা অনেক কিছুই জানে না, তাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে জানানো দরকার। আমাদের মনে রাখতে হবে যারা স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন তাদের নিয়ে যেন ভালো চিন্তা করি ভালোবাসি।’’
‘‘নিশ্চয় গত ৫০ বছরে দেশ প্রচুর অগ্রগতি হয়েছে। কিছুটা বিঘ্নও ঘটেছে। কিন্তু আমি ভাবি সবাই দেশকে ভালোবেসে যদি কাজ করে তাহলে মানুষ স্বাধীনতার সুফল সত্যিই ভোগ করবে।’’
উল্লেখ্য, শাহীন সামাদ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের একজন শিল্পী ছিলেন। ‘তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর’, ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’, ‘রক্তের প্রতিশোধ রক্তেই নেব আমরা’, সহ অগণিত জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি।
