ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় ৫১ জনকে আসামি করে মামলা করেছে পুলিশ। তবে মামলায় ডাকসুর সাবে ভিপি নুরকে আসামি করা হয়নি।
পল্টন থানার এসআই মিন্টু কুমার বাদী হয়ে করা মামলায় ৩১ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে ৩০ জনকে দু’দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
শুক্রবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ইয়াসমিন আরার আদালত শুনানি শেষে রিমান্ডের এ আদেশ দেন।
রিমান্ডপ্রাপ্তরা হলেন জাহিদ, ইউনুস, নাজমুল হাসান, নাহিদুল তারেক, লিমন ফকির, সালাহ উদদীন, নাইম, আরিয়ান রিপন, আ. রউফ, আসাদুজ্জামান, আজাহরুল ইসলাম, মোস্তাক আহমেদ, মিজানুর রহমান, সোহেল মৃধা, আজিম, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, সোহেল, খায়রুল কবির, ফরিদ, সবুজ হোসেন, গোলাম তানভীর, হেমায়েত, মেহেদী হাসান, ইসমাইল, রেজাউল করিম, মোন্তাজুল, কাজী মাহমুদ, মাহমুদুল হাসান ও রুহুল আমিন।
গ্রেপ্তার আশিক নুর নামে এক আসামি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার রিমান্ড শুনানি শিশু আদালতে অনুষ্ঠিত হবে। আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মোতালেব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মতিঝিল থানা পুলিশ জানায়, মামলায় এজহারনামীয় আরো ১৯ জনসহ অজ্ঞাত অনেক আসামি সংঘর্ষের সময় অলিগলি দিয়ে পালিয়ে যায় বলে উল্লেখ করা হয়।
আদালত সূত্র জানায়, মতিঝিল থানা মিন্টু কুমারের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সফিকুল ইসলাম আকন্দ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। আর রাষ্ট্রপক্ষ বিরোধিতা করেন।
মতিঝিল থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা এসআই আবদুল আজিজ বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ২টায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের দল যুব অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাহওয়া হয়। ওই সময় কথিত ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলামকে আটকের পর মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই বিক্ষোভে সাত পুলিশ ও অর্ধশত বিক্ষোভকারি আহত হয়।
