বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অগ্রগতির দৃষ্টান্ত : বাইডেন

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২১, ০৬:২৭ এএম

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ‘বাংলাদেশ এখন অর্থনৈতিক অগ্রগতির এক দৃষ্টান্ত।’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১০ দিনের আয়োজনের শেষ দিনে গতকাল শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তায় একথা বলেন তিনি। ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে জো বাইডেনের বার্তাটি পড়ে শোনান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে, আমি বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে অভিনন্দন জানাচ্ছি। বাংলাদেশ এখন অর্থনৈতিক অগ্রগতির এক দৃষ্টান্ত, উচ্চাশা ও সুযোগের এক দেশ। অসাধারণ এ অর্জনের জন্য আপনাকে ও বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানাই।’

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া বাংলাদেশের মানবিকতা ও উদারতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এই সংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে পেতে যুক্তরাষ্ট্র অবিচল অংশীদার হিসেবে পাশে থাকবে।’ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন জো বাইডেন। তিনি বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়ে আমার প্রশাসন আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বলে প্রত্যাশা করি।’

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বকে গুরুত্ব দেয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতি যৌথ অঙ্গীকার শক্তিশালী অংশীদারিত্বের ভিত্তি তৈরি করে। আগামী ৫০ বছর এবং আরও বেশি সময় ধরে আমাদের দুই দেশের জনগণের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য এই অঙ্গীকারগুলো জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা করছি।’

জো বাইডেনের বক্তব্য পড়ে শোনানোর পর ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডির একটি বক্তব্য উদ্ধৃত করেন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার। কেনেডি বলেছিলেন, ‘এই স্বাধীনতা আপনাদের এবং নতুন এই দেশের মানুষের হাতেই এ দেশের ভবিষ্যৎ।’ মিলার বলেন, ‘বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের গল্প আগামী প্রজন্মের কাছে তথা বিশ্বের কাছে শিক্ষণীয় হয়ে থাকবে। বাঙালি জাতির এই আত্মপ্রকাশ অন্যান্য ভূখ-ের মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। জীবনের প্রতি আপনাদের ভালোবাসার অংশীদার হবে তারা এবং যারা আপনাদের সাহসিকতার চেতনাকে ধারণ করবে এবং এখনো যারা আপনাদের মতো স্বাধীনতা পায়নি তাদের সবার জন্য এটি একটি প্রতীক হয়ে থাকবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত