ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের স্থাপনার নিরাপত্তায় ২৭ এলএমজি পোস্ট

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০২১, ১০:৪৭ পিএম

এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাতেও পুলিশের স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে বিশেষ নিরাপত্তা পোস্ট বা এলএমজি পোস্ট বসানো হয়েছে।

শুক্রবার দুপুর থেকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়সহ জেলার সকল থানা ভবন, ফাড়ি ও ক্যাম্পের নিরাপত্তায় এসব এলএমজি পোস্ট বসানো হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মো. রইস উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিকেল ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় গিয়ে পুলিশের একটি এলএমজি পোস্ট দেখা গেছে। থানা ভবনের পুলিশ ক্লাবের ছাদের ওপর করা ওই এলএমজি পোস্টে দুজন পুলিশ সদস্য এলএমজি নিয়ে অবস্থান করছিলেন।

জেলা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৯ টি থানা, ৪ টি পুলিশ ফাঁড়ি, ২ টি তদন্ত কেন্দ্র, ৬ টি পুলিশ ক্যাম্প, পুলিশ লাইনসে ৪ টি ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ১টিসহ মোট ২৭ টি এলএমজি পোস্ট বসানো হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রইস উদ্দিন বলেন, সাম্প্রতিককালে হেফাজতে ইসলাম দেশের বিভিন্ন স্থানের পাশাপাশি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের স্থাপনায় হামলা চালায়। এর প্রেক্ষিতে পুলিশের স্থাপনাগুলোর নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এর পাশাপাশি অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে অত্যাধুনিক ও ভারী অস্ত্র দিয়ে বিশেষ নিরাপত্তা পোস্ট বসানো হয়েছে। এগুলো পরিচালনার জন্য দক্ষ পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ করা হয়েছে।

এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকেরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বেশ কয়েকটি সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। তারা পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সদর মডেল থানার ২নং পুলিশ ফাঁড়ি ও খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা ভবনেও আগুন দেয়। হামলা চালানো হয় সরাইল অরুয়াইল ও আশুগঞ্জ টোলপ্লাজা পুলিশ ফাঁড়িতে। তিন দিনের ওই তাণ্ডবের ঘটনায় অর্ধশতাধিক পুলিশ সদস্য আহত হন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত