মে’র প্রথম সপ্তাহ শেষে কমতে পারে সংক্রমণ

আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০১:৪২ এএম

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে রোগটির দ্রুত সংক্রমণ ও অস্বাভাবিক হারে মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশে চরম উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি জারি ও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের পরও রোগটির ঊর্ধ্বগতি রোধ করা যাচ্ছে না। সাধারণ বেড, আইসিইউ ও হাই-ফ্লো অক্সিজেনসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদির সংকটে চিকিৎসায় ব্যবস্থাপনা প্রায় ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। সব রোগী এখন আর হাসপাতালে ভর্তি হতে পারছে না। আবার বাসায় চিকিৎসা নিতে গিয়েও জটিল হয়ে উঠছে অবস্থা। পুরো সক্ষমতা ব্যবহার করেও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না হাসপাতালগুলো।

এরই মধ্যে দেশের ৩১ জেলায় সর্বোচ্চ সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ হচ্ছে ঢাকা শহরে। সারা দেশে সংক্রমণের ৩৩ শতাংশই ঘটছে এখানে। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের ভ্যারিয়ান্টের পর দক্ষিণ আফ্রিকার ভ্যারিয়ান্ট নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে দেশে। সংক্রমণ ছড়াচ্ছে এমন ভ্যারিয়ান্টের মধ্যে ৮১ শতাংশ দক্ষিণ আফ্রিকার ভ্যারিয়ান্ট পাওয়া গেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত ৫ এপ্রিল থেকে সরকার এক সপ্তাহের বিধিনিষেধ দেয় দেশে। পরে দুদিন বাড়িয়ে সেটি ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। কিন্তু এসব বিধিনিষেধ মানুষকে খুব একটা মানতে দেখা যায়নি। সংক্রমণও কমেনি। বরং আগের চেয়ে মৃত্যু ও শনাক্ত বেড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে সরকার আগামীকাল বুধবার থেকে আবার সাত দিনের বিধিনিষেধ দিয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে করোনার চলমান দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে উদ্বিগ্ন মানুষ। এ পরিস্থিতি কতদিন থাকবে, কবে নাগাদ দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসবে, সংক্রমণ ও মৃত্যু কবে নাগাদ নিম্নগামী হবে ও করোনা নিয়ন্ত্রণে আসবে এমন নানা প্রশ্ন মানুষের মধ্যে।

এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা আশার কথা শুনিয়েছেন। তাদের মতে, সীমিত আকারে যে জনস্বাস্থ্য বিধিব্যবস্থা চলছে, মানুষ যদি ঠিকমতো মানে তাহলে এ মাসের শেষ সপ্তাহে দেশের করোনা সংক্রমণ-মৃত্যু প্রথম পর্যায়ে একটা স্থিতিশীল অবস্থায় যাবে। পাশাপাশি আগামীকাল বুধবার থেকে শুরু হওয়া জনস্বাস্থ্য বিধিব্যবস্থার কারণে আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহ শেষে দ্বিতীয় পর্যায়ে করোনার সংক্রমণ ধীরে হলেও কিছুটা কমাবে। ধীরে ধীরে কমার একটা প্রবণতা তৈরি হবে।

এমনকি দেশের সাড়ে ১২ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া গেলে ও জনগণ যদি স্বাস্থ্যবিধি ঠিকমতো মানে, তাহলে দেশে তিন মাসেই করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। এসব বিশেষজ্ঞ এমনও বলেছেন, সুইজারল্যান্ড, সুইডেনসহ ইউরোপের দেশগুলো শুধু স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং পরিকল্পিতভাবে নিয়ন্ত্রণ কৌশল নেওয়ায় সেখানে করোনা নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।

এ ব্যাপারে সরকারের করোনা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ভাইরোলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা যেসব ব্যবস্থা নিচ্ছি, সেগুলো যদি ফলপ্রসূ হয়, তাহলে সংক্রমণ সহনীয় পর্যায়ে আসতে দুই-তিন সপ্তাহ সময় লাগার কথা। তবে যেসব বিধিব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সেগুলো কেউ মানছে না। ফলে নিয়ন্ত্রণে কোনো সময়ও বলা যাচ্ছে না।’

তিন সপ্তাহ লাগে সহনীয় মাত্রায় আনতে : গত ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া সরকারের বিধিনিষেধকে ‘কিছুই হয়নি’ বলে মনে করেন অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে সম্পূর্ণ লকডাউন বা বিধিব্যবস্থা সম্ভব নয়। ফলে যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে সেগুলোর ক্ষেত্রে দুই-তিন সপ্তাহ কেন, তার চেয়ে বেশি সময় গেলেও কোনো কাজে আসবে না। সর্বাত্মক লকডাউন হলে বলতে পারতাম তিন সপ্তাহ পর পরিস্থিতি সহনীয় মাত্রায় আসবে। এখন তা হচ্ছে না। ফলে নিয়ন্ত্রণে কোনো সময়ও বলা যাচ্ছে না।’

এ বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘একটা ভাইরাস মানুষের শরীরে ঢুকল। দুই সপ্তাহ পর তার লক্ষণ প্রকাশ পেল। এর ১০-১৫ দিন পর সে মানুষটা হয় ভালো হলো বা মারা গেল। এ চার সপ্তাহ যদি সবকিছু বন্ধ করে রাখা যায়, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে।’

এ প্রবীণ ভাইরোলজিবিদ বলেন, ‘লকডাউনের মেথড আছে। এলাকাভিত্তিক মানুষকে খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে। যদি করা যায়, তাহলে লকডাউন করা যাবে। শুধু নির্দেশনা দিয়ে করোনা নিয়ন্ত্রণে আসবে না। আমাদের দেশে মানুষ মাস্ক পরে না। মাস্ক পরার জন্য আইন প্রয়োগ করতে হবে।’

বিশ্বের অধিকাংশ দেশে পেরেছে দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে : অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশও লকডাউন করতে পারেনি। সেখানেও বিক্ষোভ হয়েছে। দ্বিতীয় ঢেউ ঠিকমতো সামাল দিতে পারেনি। হিমশিম খেতে হয়েছে। তবে ওসব দেশে মানুষের মধ্যে রয়েছে শৃঙ্খলা। সুইডেনের মতো দেশে শুধু মাস্ক ব্যবহার করেই নিয়ন্ত্রণ করে ফেলেছে। আমাদের নিয়ন্ত্রণ না-ও হতে পারে বলে মনে করি।’

ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, ‘সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ সক্রিয়ভাবে হয় না। সেটা নির্ভর করছে দেশগুলোর জনসংখ্যা ও জনস্বাস্থ্যের সক্ষমতার ওপর। জনসংখ্যা অনুপাতে দেশগুলো কী ব্যবস্থা নিয়েছে, সেটার ওপর নির্ভর করে। এটার কোনো ফর্মুলা নেই। প্রথম ঢেউয়ের সময় ইংল্যান্ডে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। এখন নামছে। তাদের দ্বিতীয় ঢেউ থেকে নামতে তিন-চার মাস বা ১২ সপ্তাহ লাগল। উঠতে সময় লাগে না। নামতে সময় লাগে।’

দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের অবস্থা তুলে ধরে অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, ‘পৃথিবীর সব দেশে নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছে। ব্রিটেন একেবারেই নিয়ন্ত্রণে এনেছে। সুইজারল্যান্ড ও সুইডেন ঘুরে দেখলাম, স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে সেখানকার মানুষ। তারা কৌশল ঠিক করেছে। তারা এখন টিকা দিচ্ছে। জনগণকে তারা তৈরি করেছে, টিকা দিয়ে সম্পূর্ণ সুরক্ষা হবে না। যেমন সুইডেন মাস্ক ব্যবহার করেছে। তারা হার্ড ইমিউনিটি হতে দিয়েছে। সেখানে টিকার প্রচলন নেই। তারা চেয়েছে যাদের আক্রান্ত হওয়ার হোক, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুরক্ষা নেবে। সেভাবেই তারা নিয়ন্ত্রণে এনেছে। সুইজারল্যান্ডে মাত্র টিকা দেওয়া শুরু হলো। তারাও স্বাস্থ্যবিধি মানার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। যে কারণে ওই দুই দেশে মৃত্যু কম।’

১৪ এপ্রিল থেকে দুই সপ্তাহ পর সংক্রমণ ধীরে ধীরে কমবে : ঠিক কবে নাগাদ দ্বিতীয় ঢেউ সামলে করোনা পরিস্থিতি সহনীয় মাত্রায় আসতে পারে জানতে চাইলে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা ও সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, ‘পরিস্থিতি বুঝতে আরও দুই সপ্তাহ লাগবে। গত সোমবার থেকে সরকার যে ব্যবস্থা নিয়েছে, আমি আশাবাদী আগামী সোমবার বা ১৯ এপ্রিলের পর সংক্রমণ পরিস্থিতি এবং আরও এক সপ্তাহ পর বা ২৬ এপ্রিলের পর মৃত্যুর সংখ্যা একটা স্থিতিশীল পর্যায়ে আসবে। তার আগপর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।’

তিনি বলেন, ‘আগামী বুধবার থেকে সরকার যে জনস্বাস্থ্য বিধিব্যবস্থা পরিপূর্ণভাবে কার্যকর করতে যাচ্ছে, সংক্রমণের ক্ষেত্রে সেটার প্রভাব দেখা যাবে আরও দুই সপ্তাহ বা ২৮ এপ্রিলের পর ও মৃত্যুর প্রভাব তিন সপ্তাহ বা আগামী ৫ মে’র পর।’

এ বিশেষজ্ঞের মতে, গত ৫ এপ্রিল সোমবার থেকে শুরু হওয়া জনস্বাস্থ্য বিধিব্যবস্থার প্রভাবে এ মাসের শেষ সপ্তাহে দেশের করোনা সংক্রমণ-মৃত্যু প্রথম পর্যায়ে একটা স্থিতিশীল অবস্থায় যাবে। পাশাপাশি আগামীকাল বুধবার থেকে শুরু হওয়া জনস্বাস্থ্য বিধিব্যবস্থার কারণে আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহ শেষে দ্বিতীয় পর্যায়ে করোনার সংক্রমণ ধীরে হলেও কিছুটা কমাবে। ধীরে ধীরে কমার একটা প্রবণতা তৈরি হবে।

ডা. মুশতাক বলেন, ‘আমরা যদি এখনকার মতো (গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া বিধিনিষেধ) সীমিত আকারে জনস্বাস্থ্য বিধিব্যবস্থা আরও দুই সপ্তাহ বহাল রাখতে পারি, তাহলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে তা কাজে লাগবে। এরপর আমরা ধীরে ধীরে ঝুঁকি বিবেচনা করে, যেসব বিধিব্যবস্থা কম ঝুঁকিপূর্ণ, সেসব ধীরে ধীরে শিথিল করতে পারি। একসঙ্গে সব খুলে দিলে গতবারের মতো সংক্রমণ আবারও চূড়ায় যেতে পারে। যখন দেখব সংক্রমণ সুস্পষ্ট কমছে, তখনই ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করব। আমি আশা করি ১৪ এপ্রিল থেকে দুই সপ্তাহ পর সংক্রমণ ধীরে ধীরে কমবে।’

নামবেও ধীরে ধীরে : ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, ‘প্রথম থেকেই যদি জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা থাকে, তাহলে সংক্রমণ ধীরে ধীরে উঠতে থাকে এবং নামেও ধীরে ধীরে। এখন আমাদের সংক্রমণ দ্রুত উঠে যাচ্ছে। নামবে দেরিতে। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা জনস্বাস্থ্য বিধিব্যবস্থাগুলো দিয়ে সংক্রমণ ঠেকাতে না পারব, ততদিন পর্যন্ত সংক্রমণ বাড়তেই থাকবে। সংক্রমণ বিস্তারে ভাইরাস ক্লান্ত হয় না।’

এ বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘সরকার যে ব্যবস্থা নিয়েছে গত ৫ এপ্রিল সোমবার থেকে, এটার ফলাফল দেখা যাবে এ সোমবারের পরের সোমবার, অর্থাৎ ১৯ এপ্রিলের পর থেকে। সংক্রমণ পরিস্থিতি দেখতে দুই সপ্তাহ ও মৃত্যু পরিস্থিতি বুঝতে তিন সপ্তাহ সময় লাগে। অর্থাৎ করোনার সার্বিক পরিস্থিতি বোঝা যাবে আগামী ৩ মে সোমবারের পরে। কাজেই এখন যে ঢেউ দেখছি, সেটা তিন সপ্তাহ আগের সংক্রমণের ফল। সেই সময়ের প্রভাব দেখছি এখনকার শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা, শনাক্ত হার ও মৃত্যুর সংখ্যার ওপরে।’

বাংলাদেশ কি এখন দ্বিতীয় ঢেউয়ের চূড়ায় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘১৪ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় যে বিধিবিধান শুরু হচ্ছে, দুই সপ্তাহ পর সংক্রমণ কমবে। সে হিসাবে তার আগপর্যন্ত সংক্রমণ উঠতে থাকবে এবং স্থিতিশীল হবে এক সপ্তাহ পর, অর্থাৎ আগামী সোমবারের পর থেকে। এখন থেকে আগামী এক-দুই সপ্তাহ হয়তো সর্বোচ্চ সংখ্যক সংক্রমণ দেখব এবং সর্বোচ্চ মৃত্যু দেখব তিন-চার সপ্তাহ। তবে সংক্রমণের সঙ্গে সংগতি রেখেই মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ে ও কমে। সংক্রমণ যখন নেমে যাবে, তার এক সপ্তাহ পর মৃত্যুর সংখ্যাও নিম্নগামী হবে।’

তিন সপ্তাহেই সম্ভব : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাবেক আঞ্চলিক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, ‘জনগণ যাতে স্বাস্থ্যবিধি মানে ও অন্যকে মানায়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সাড়ে ১২ কোটি লোককে টিকা দিতে হবে। তাহলে তিন মাসেই করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। করোনা নিয়ন্ত্রণের একটা কৌশল থাকতে হবে। কৌশল বলতে বোঝায় কী করব, কীভাবে করব ও কতদিনের মধ্যে করব। বাংলাদেশ সরকারের নিয়ন্ত্রণের যে কৌশল, সেটা জনগণ জানে না। আমরা জানি না। বাংলাদেশের জনগণকে সরকারের করোনা নিয়ন্ত্রণ কৌশল জানাতে হবে। এখানে সরকারের কী দায়িত্ব ও জনগণের কী দায়িত্ব।’

করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিধিব্যবস্থার ব্যাপারে এ বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘করোনা নিয়ন্ত্রণের কৌশল সবার জানা থাকতে হবে। অ্যাডহক ভিত্তিতে আজ বিধিব্যবস্থা দেওয়া হলো, আবার তুলে নিল, আবার পরশু আংশিক দিল, এভাবে অ্যাডহক ভিত্তিকে কোনো পরিকল্পনা নিয়ে করোনা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। পুরো কৌশল ঠিক করতে হবে ও জনগণকে জানাতে হবে। সরকারকে আগে করোনা নিয়ন্ত্রণে কৌশল ঠিক করতে হবে। সরকার কতদিনের মধ্যে করতে চায় ও কী করতে চায়।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত