সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা

শারীরিক উপস্থিতিতে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আপিল করা যাবে

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২১, ০২:১৫ এএম

বিচারিক আদালতে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে শারীরিক উপস্থিতিতে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার আপিল দায়ের এবং নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট (এনআই) অ্যাক্ট, ১৮৮১ সালের ১৩৮ ধারার (চেক প্রতারণাসংক্রান্ত মামলা) অধীনে মামলা করা যাবে বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. গোলাম রব্বানী নির্দেশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, আদালতের সংশ্লিষ্ট সেরেস্তায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার আপিল করা যাবে। ক্ষেত্রমতে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আপিলে গ্রহণযোগ্যতার শুনানিসহ এতদসংক্রান্ত জরুরি দরখাস্ত ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে শুনানি করা যাবে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এন আই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার অধীনে দায়েরকৃত মামলায় শারীরিক উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারার অধীনে জবানবন্দি গ্রহণ করবেন।

এদিকে জামিন-অতি জরুরি ফৌজদারি দরখাস্ত নিষ্পত্তি করতে ভার্চুয়ালি বিশেষ জজ আদালত ও বিশেষ বিভাগীয় জজ আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে গতকাল এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি হয়। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. গোলাম রব্বানী নির্দেশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রত্যেক বিভাগীয় বিশেষ জজ/বিশেষ জজ আদালত জামিন ও অতি জরুরি ফৌজদারি দরখাস্ত নিষ্পত্তি করার উদ্দেশ্যে ভার্চুয়ালি আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এ আদেশ আগামী ২৫ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের মধ্যে মানুষের চলাচলে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৫ এপ্রিল থেকে বন্ধ রয়েছে বিচারিক আদালতের নিয়মিত কার্যক্রম। গত ১১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তিতে বিচারিক আদালতগুলোকে ১২ এপ্রিল থেকে শারীরিক উপস্থিতি ব্যতিরেকে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে শুধু জামিন ও জরুরি ফৌজদারি দরখাস্ত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত