নওগাঁর আত্রাইয়ে শুক্রবার রাতে মা জাহিদা বেগমকে (৬২) পাথর দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যার পর তড়িঘড়ি কবর দেওয়ার সময় ছেলে ও ছেলের স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার দিঘা গ্রামের মৈত্রীপাড়ায় গ্রাম থেকে তাদের আটক করেছে পুলিশ।
নিহত জাহিদা দিঘা গ্রামের মৃত হারান প্রামানিকের স্ত্রী।
আটকরা হলেন জাহিদা বেগমের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৪১) ও তার স্ত্রী রহিমা খাতুন (৩৩)।
আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, শুক্রবার ভোরে পারিবারিক কলহের জেরে ছেলে ও ছেলের বউয়ের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে জাহিদা বেগমকে পাথরের শিল দিয়ে মাথায় আঘাত করে তার ছেলের বউ রহিমা। মাথায় আঘাতের কারণে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এরপর কাউকে না জানিয়ে জাহিদা বেগমের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে তড়িঘড়ি করে কবর দেওয়ার চেষ্টা করে জাহিদুল। এ মৃত্যু নিয়ে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হলে তারা জোর করে জাহিদার মরদেহ দেখে। এ সময় স্থানীয়রা মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন দেখতে পায়। এ ঘটনা প্রতিবেশীরা থানা পুলিশকে জানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছেলে জাহিদুল ইসলাম ও জাহিদুলের স্ত্রী রহিমা খাতুনকে আটক করে।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুজনেই পাথরের শিল দিয়ে মাথায় আঘাত করার কথা স্বীকার করেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
