ঈদের ছুটি শেষে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের হাজারো মানুষ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন।
মঙ্গলবার ভোর থেকে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় গতকালের চেয়ে যাত্রীদের চাপ কিছুটা কম রয়েছে। আজকে প্রতিটি ফেরিতে তিন থেকে চার শতাধিক যাত্রী পাটুরিয়া প্রান্তে নামতে দেখা গেছে। কর্তৃপক্ষ বলছেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে যাত্রী ও যানবাহনের সংখ্যা বাড়ছে।
এদিকে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় আজও হাজার হাজার যাত্রী পড়ছেন দুর্ভোগে। বেশি ভাড়া দিয়ে একাধিক যানবাহন পরিবর্তন করে যেতে হচ্ছে গন্তব্যস্থলে।
যাত্রীরা বলেন, ঘাট এলাকায় আসামাত্র ফেরিতে উঠতে পারছি। দৌলতদিয়া প্রান্তে প্রতিটি ফেরি আনলোড হওয়ার ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে ফেরিগুলি পাটুরিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসছে। কিন্তু বিপত্তি বাধছে পাটুরিয়া প্রান্ত থেকে গন্তব্যস্থলে যাওয়ার বিভিন্ন পয়েন্টে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীরা ফেরি থেকে নেমে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় পরিবহন সংকটে পড়েন। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় প্রাইভেটকার, মাইক্রো, হাইস, মোটরসাইকেল, ইজিবাইক তাদের ভরসা।
৩-৪ গুণ বেশি ভাড়া দিয়ে তারা প্রথমে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড, এর পর ধামরাই উপজেলার প্রবেশ মুখ বারবারিয়া, এরপর সেখান থেকে নবীগর পর্যন্ত যেতে হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর আমিনবাজার যেতে হয়। এভাবে কয়েকস্থানে পরিবহন পরিবর্তন করতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
এদিকে সোমবারের চেয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে দিনভর যাত্রীর সংখ্যা কিছুটা কম রয়েছে। সোমবার ফেরি ভেদে পাঁচ থেকে সহ¯্রাধিক যাত্রী নিয়ে পাটুরিয়া প্রান্তে নামতে দেখা গেছে। সেখানে মঙ্গলবার ৩ থেকে ৪ শতাধিক যাত্রী দেখা গেছে।
বিআইডব্লিউটিসি’র আরিচা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম মো. জিল্লুর রহমান বলেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ছোট বড় ১৬টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। পাটুরিয়া প্রান্তে ফেরি আনলোড করার পর যাত্রী ও পরিবহন কম থাকায় কিছুটা বাড়তি সময়ের পর ফেরিগুলি দৌলতদিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে।
