রপ্তানি খাতের মতো আমদানি বাণিজ্যেও নীতি সহায়তার সময়সীমা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়। তাতে বলা হয়, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বলবৎকৃত আমদানি বাণিজ্যিক লেনদেনবিষয়ক নীতি সহায়তার সময়সীমা চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলো।
নীতি সহায়তার অংশ হিসেবে করোনাভাইরাস প্রতিরোধবিষয়ক জীবনরক্ষাকারী ওষুধ, চিকিৎসাসামগ্রী প্রভৃতি ৫ লাখ ডলার পর্যন্ত মূল্য রিপেমেন্ট গ্যারান্টি ছাড়াই অগ্রিম পরিশোধ করার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
শিল্পের কাঁচামালের আমদানি মূল্য ১৮০ দিনের পরিবর্তে ৩৬০ দিন মেয়াদে পরিশোধের সুযোগ থাকছে। একই সুবিধা কৃষি যন্ত্রপাতি ও সার আমদানির ক্ষেত্রেও চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নেওয়া এ পদক্ষেপ আমদানি বাণিজ্যে স্বস্তি প্রদান করবে। আলোচ্য সময়ে সহায়তায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবে।
নীতি সহায়তা বর্ধিতকরণের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, চলমান পরিস্থিতিতে রপ্তানিকারকদের জন্য সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে। একইভাবে আমদানিকারদের জন্যও কতিপয় নীতি সহায়তার সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর আগে গত সোমবার রপ্তানি বাণিজ্যভিত্তিক লেনদেনবিষয়ক নীতি সহায়তার সময়সীমা আরও ছয় মাস বাড়িয়ে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে এ খাতের উদ্যোক্তারা আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদ্যমান নীতি সহায়তা নিয়ে করোনার মধ্যেও ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছেন।
