কক্সবাজারে ফসলি জমি ভরাট

অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে নির্দেশ

আপডেট : ১৬ জুন ২০২১, ০১:৩২ এএম

কক্সবাজার সদরের বাঁকখালী নদীর তীরবর্তী উত্তর মুহুরিপাড়ায় প্রায় ৬০ একর উর্বর জমি ভরাটের অভিযোগের বিষয়ে বিচারিক অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। কক্সবাজারের মুখ্য বিচারিক হাকিমের উদ্দেশে এ নির্দেশনা দিয়ে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে অনুসন্ধানের প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভরাট কার্যক্রমের ওপর স্থিতাবস্থা জারির নির্দেশনা দিয়েছে হাইকোর্ট। এ নিয়ে করা একটি রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি মো. মুজিবর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেয়।

মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) করা আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ আসে। আসকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন ও মো. শাহীনুজ্জামান শাহীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

হাইকোর্টের রুলে মুহুরিপাড়ায় ওই জমিতে অবৈধ দখলকারীদের প্রতিরোধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা এবং অবৈধ দখলকারীদের থেকে উদ্ধার করে জমি মালিকদের ফিরিয়ে দিতে ব্যর্থতা কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। ভূমি সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, কক্সবাজার সদরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি), সদর থানার ওসিসহ  সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। চলতি বছরের ১৪ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিকে ‘কক্সবাজারে অবৈধভাবে ভরাট হচ্ছে ৬০ একর ফসলি জমি, জমির মালিকরা অসহায়, প্রশাসন নীরব’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি যুক্ত করে আসকের পক্ষে এ রিট আবেদনটি করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত