রাজধানীর হাজারীবাগ ও দারুস সালাম থানা এলাকায় নানা অপরাধে জড়িত কিশোর গ্যাং ‘ডন সাগর’ ও ‘মুন্না গ্রুপের’ ১৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রবিবার র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র্যাব ২ পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
তারা হলো- শাহ আলমের ছেলে মো. সাগর (১৩), মুক্তার হোসেনের ছেলে সরফরাজ আহমেদ রিমন (১৭), মো. নাসির উদ্দিনের ছেলে মো. রায়হান (১৭), মৃত আলী হোসেনের ছেলে মো. পলাশ হোসেন (৩২), মো. মানিকের ছেলে মো. মুন্না (১৫), মো. সোলেমানের ছেলে মো. রাসেল (১৬), রিয়াজ হোসেনের ছেলে মো. উজ্জল হোসেন (১৪), লোকমান হাওলাদারের ছেলে শাকিল হাওলাদার (১৮), মো. বাবুল হোসেনের ছেলে মো. মুরাদ হোসেন (২০), মো. ফরহাদ খানের ছেলে মো. মামুন খান (১৮), আবুল হাসেমের ছেলে রিফাদ হোসেন (১৮), মো. বারেকের ছেলে মো. রায়হান (১৮), শাহিন শেখের ছেলে হাসান শেখ (১৯), আবু বক্কর সিদ্দিক ছেলে মো. হাসনাইন (১৯), মো. আবু সাঈদের ছেলে মো. নাসির উদ্দিন আলবানী (১৯) এবং প্রেম নাথ ঘোষের ছেলে জয় চন্দ্র ঘোষ (১৯)।
সোমবার র্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তাদেরকে ১১টি ছুরি, ১টি চাপাতি, ৩টি হোল্ডিং চাকু ও ১টি ক্ষুরসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত এই কিশোর অপরাধীরা স্থানীয়ভাবে পরিচিত কিশোর গ্যাং ‘ডন সাগর গ্রুপ’ ও ‘মুন্না গ্রুপের’ সদস্য।
তারা সংঘবদ্ধভাবে বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক সেবন, ইভটিজিং, চাঁদাবাজিসহ টিকটক ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
দীর্ঘদিন রাস্তাঘাটে পরিকল্পিতভাবে দলবদ্ধ হয়ে সংঘাত সৃষ্টি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজিসহ এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে আসছিল তারা। এছাড়া নিজেদের গ্রুপের আধিপত্য বজায় রাখার জন্য অন্য কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে তারা মারামারিসহ নানা সশস্ত্র সংঘর্ষেও জড়াতো।
গত এক মাসে তালিকাভুক্ত ১১টি কিশোর গ্যাং গ্রুপের মোট ৬২ জনকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে র্যাব-২। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
