রংপুর বিভাগে শুক্রবার সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বিভাগে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৬৫৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৮৩৩ করোনা আক্রান্ত পাওয়া যায়। এ সময়ে ১২ জনের মৃত্যু হয়।
মৃতদের পাঁচজন ঠাকুরগাঁও জেলাল, দিনাজপুরের ২, লালমনিরহাটের ২, কুড়িগ্রামের ২ এবং পঞ্চগড় জেলার একজন।
সুস্থ হয়েছেন ৩৭৭ জন।
এ নিয়ে বিভাগে ১ লাখ ৭২ হাজার ১শ’ ৮৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে মোট ৩১ হাাজার ৬শ’ ৯০ জন আক্রান্ত পাওয়া গেছে। মোট ৬শ’ ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত ২২ হাজার ৬শ’ ১ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন।
রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২৪ ঘন্টায় এ বিভাগের রংপুরে একদিনে সর্বোচ্চ ২৩৪, ঠাকুরগাঁয় ১৫১, দিনাজপুরে ১২৩, গাইবান্ধায় ১১০, নীলফামারীতে ৬২, পঞ্চগড়ে ৬৩, কুড়িগ্রামে ৫৯ এবং লালমনিরহাট জেলায় ৩১ জন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ১১ জন যাত্রী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। এ নিয়ে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন সীমান্তের ৫টি স্থল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে এ পর্যন্ত সর্বমোট ৪৮ হাজার ৭৪১ জন যাত্রী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন।
এর মধ্যে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে সবচেয়ে বেশি ১৭ হাজার ৫৭১ জন, লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ১৭ হাজার ২১৮ জন, দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ১২ হাজার ৫০০ জন ও রাধিকাপুর স্থলবন্দর দিয়ে ৯৭১ জন এবং কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তের তুরারোড স্থলবন্দর দিয়ে ৪৮১ যাত্রী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. আবু মোহাম্মদ জাকিরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার পর্যন্ত দিনাজপুুর জেলায় ৯ হাজার ৯শ’ ৭৯ জন আক্রান্ত ও ২১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। রংপুর জেলায় ৭ হাজার ৬৬ আক্রান্ত ও ১২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঠাকুরগাঁও জেলায় ৪ হাজার ৩শ’ ৮৬ জন আক্রান্ত ও ১১৪ জনের মৃত্যু, গাইবান্ধা জেলায় ২ হাজার ৫শ’ ৭৩ জন আক্রান্ত ও ২৯ জনের মৃত্যু, নীলফামারী জেলায় ২ হাজার ২শ’ ৮০ জন অক্রান্ত ও ৪২ জনের মৃত্যু, কুড়িগ্রাম জেলায় ২ হাজার ১শ’ ৭৫ জন আক্রান্ত ও ৩২ জনের মৃত্যু, লালমনিরহাট জেলায় ১ হাজার ৭শ’ ৭২ জন আক্রান্ত ও ৩৯ জনের মৃত্যু, পঞ্চগড় জেলায় ১ হাজার ৪শ’ ৪১ জন আক্রান্ত এবং ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
