ঈদ সামনে রেখে দুই সপ্তাহে অনলাইনে ১ হাজার ৬৬৫ কোটি ৫ লাখ ১ হাজার ৬৭২ টাকায় ২ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮টি পশু বেচাকেনা হয়েছে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানায়, ২ থেকে ১৫ জুলাই সময়ের মধ্যে এসব পশু কেনাবেচা হয়। কোরবানির পশু কেনাবেচার জন্য বর্তমানে অনলাইনের সংখ্যা ১ হাজার ৭৬৮। এর মধ্যে সরকারি উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে ৬০২টি আর বেসরকারি উদ্যোগে ১ হাজার ১৬৬টি। এসব অনলাইন বাজারে ১৪ দিনে ১৫ লাখ ৯৩ হাজার ৬৯২টি কোরবানিযোগ্য পশুর তথ্য আপলোড করা হয়েছে।
১৫ জুলাই ১ লাখ ৩৮ হাজার ৩২টি কোরবানির পশুর তথ্য অনলাইনে আপলোড করা হয়েছে। ওই দিন বিক্রি হয়েছে ২৪ হাজার ৭৫টি পশু। ১৫৩ কোটি ২৭ লাখ ৫ হাজার ৮৫০ টাকা মূল্যে পশুগুলো বিক্রি হয়েছে।
স্থায়ী পশুর হাটে ১৫ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশুহাট চালু রাখার সুপারিশ করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ ১৬ হাজার ৭৬৫। এর মধ্যে গরু-মহিষ ৪৫ লাখ ৪৭ হাজার, ছাগল-ভেড়া ৭৩ লাখ ৬৫ হাজার এবং অন্যান্য ৪ হাজার ৭৬৫টি।
২০২০ সালে দেশের খামারি ও কৃষকেরা প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ গবাদিপশু প্রস্তুত রেখেছিলেন। এর মধ্যে প্রায় ৯৪ লাখ ৫০ হাজার ২৬৩টি পশু কোরবানি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
