সত্যজিৎ রায় ‘নায়ক’ সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছিলেন দৃশ্যপট কল্পনায় উত্তম কুমারকে রেখে। উত্তম কুমারের আজ প্রয়াণ দিবস। ৪১ বছর আগে বৃষ্টিস্নাত একদিনে মহানায়ক প্রস্থানের সেই সময়টাকে পাঠক যদি এখন বিবেচনা করেন, ‘নায়ক’ সিনেমাকে মনে হবে উত্তম কুমারের নিজের জীবনালেখ্য। এই সিনেমার শেষদিকে সাংবাদিক অদিতি (শর্মিলা ঠাকুর) ক্যারিয়ারের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয়ে থাকা নায়ক অরিন্দমকে বলেছিলেন, “আপনার বাজার যেখানে আছে সেখানে থাকবে অনেকদিন।” উত্তম কুমারের সময় কি ৪১ বছর পরে এসেও থেমেছে? থামেনি তো।
একটা ট্রেনের ভ্রমণ যেখানে বেশ কিছু স্বতন্ত্র গল্প নিয়ে গড়ে ওঠা স্টোরিটেলিংই হলো নায়ক। সত্যজিৎ রায় যেখানে সেলুলয়েডে ওই সময়েরও কিছু বেশি এগিয়ে গিয়ে একটা যুগকে বন্দী করার এক্সপেরিমেন্ট করেছিলেন। মূল উপজীব্য বানিয়ে নেন একজন খ্যাতিমান নায়কের অ্যাওয়ার্ড নিতে দিল্লী যাওয়াকে।
সেই ট্রেনে গল্প শুরু হয় অনেকগুলো মানুষের। পান খাওয়া উচ্চবিত্ত বাঙালি স্ত্রীর স্বামীর সঙ্গে ভ্রমণ; বিজ্ঞাপনী সংস্থার মালিকের সস্ত্রীক ভ্রমণ; জ্যোতিষীর নিজের মতো করে সব ভিড়ে একাকী ভ্রমণ উদযাপন; বড় কোম্পানির মালিকের পরিবারের সঙ্গে উদযাপন না করে নিজের আমোদে ভাসা কিংবা স্টেটসম্যান পত্রিকার বৃদ্ধ কলামিস্ট যিনি সিনেমাকে নাই করে দিতে চান এই প্রত্যেকটি কো-অ্যাকশন এই সিনেমায় অলংকারের কাজ করলেও গ্ল্যামার হয়ে ছিল নায়ক অরিন্দম আর সাংবাদিক অদিতির একটা টাইট কনভারসেশন।
অরিন্দম চরিত্রটি একটি সাবলীল কিন্তু অব্যক্ত চরিত্র। যে তার স্টারডমের বাইরের নিজ জীবনকে লোকচক্ষুর অন্তরালে রাখতে নিরাপদবোধ করে। ট্রেনের জন্য বের হওয়ার মুহূর্তে পরিচালকের সিনেমার প্রস্তাবের আলাপে “আমি তো আছি, ইজন্ট দ্যাট এনাফ?” এই উক্তি দিয়ে তার যে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ পায় সেটাই আবার অনিরাপদ ভাবনা হয়ে উঠে সিনেমার খুঁটিনাটি প্রসঙ্গে “এসব তো আগে শুনতে হয়নি” উক্তিতে।
একজন খ্যাতনামা নায়কের নিজেকে অথরিটারিয়ান ভাবনা করাটা প্রাসঙ্গিক। সেই সুবাদেই ট্রেনে উঠে তিনি সিনেমার পক্ষের মানুষ হিসেবে দেখা করতে যান স্টেটসম্যান পত্রিকার সেই সিনেমা সমালোচকের সঙ্গে। যিনি অভিনয়কে ভুল ভাবেন, সিনেমার অস্তিত্বকে অস্বীকার করতে চান। তার সঙ্গে সাক্ষাতে অরিন্দমের সহনশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়। পাওয়া যায় সহজাত কৌতুকও।
অরিন্দম তারপর নিজের কেবিনে আসেন। তার কেবিনের বাকি তিনজন মানুষ হলো এক ধনাঢ্য ব্যক্তি, তার স্ত্রী ও মেয়ে। মা-মেয়ের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতেই বুঝা যায় তারা অরিন্দমের কত বেশি অনুরাগী। অরিন্দমের সঙ্গে সাক্ষাতের পরই মেয়ের দীর্ঘদিনের জ্বর কমতে শুরু করে। সত্যজিৎ এই একটা স্ক্রিনপ্লে সামনে এনে সে সময়ের উত্তম কুমারের যে গণমানুষের নায়ক হয়ে ওঠা তার স্বাক্ষর রেখেছিলেন বোধহয়।
একটা ট্রেন হালকা ঝাঁকুনি আর শব্দের তালে তালে এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছিল। সেই গল্পটা উপভোগ করার মতনই। তবে সে গল্পে প্রাণ আসে যখন ‘আধুনিকা’ নামক একটা ম্যাগাজিনের এডিটর অদিতি উত্তম কুমারের কাছে অটোগ্রাফ নিতে আসেন তার খুড়তুতো বোনের জন্য। তার সঙ্গে অরিন্দমের কনভারসেশনটা মনে রাখার মতো। “আপনাকে দেখে তো বাংলা সিনেমা দেখেন বলে মনে হয় না”- এই উক্তি দিয়ে অরিন্দম সেই সময়ে কলকাতায় আমদানি হওয়া নতুন ফ্রেঞ্চ কালচারের প্রভাব বিস্তারে বাংলা সিনেমা একটা শ্রেণির কাছে যে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না তাই যেন নির্দেশ করছিলেন।
তারপরই ‘আধুনিকা’ পত্রিকার প্রচার বাড়তে একটা বিশেষ ধরনের সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য অদিতির প্রস্তাবে অরিন্দমের প্রত্যাখ্যান আর শেষে অদিতির উক্তি “আপনারা বাস্তবেও আসলে নায়কই থাকতে চান” দিয়েও সে সময়ে বাঙালি সমাজে নায়কের কদর বুঝা যায়।
অরিন্দম কেবিনে যান ঘুমোতে। দুঃস্বপ্নে দেখেন তিনি টাকার পাহাড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। যেদিকে যাচ্ছিলেন কেবল টাকাই। হঠাৎ শুনতে পান টেলিফোনের রিং বাজার শব্দ, কাছে গিয়ে দেখেন কংকালের হাতে রিসিভার; একটু পরেই অনেকগুলো কংকালের হাত; দেখতে পান তার শংকরদা’কে। হঠাৎ টাকার চোরাবালি তাকে নিচে টানতে থাকে; আর শংকরদা’কে বাঁচাতে বললেও তিনি এগিয়ে আসছিলেন না। কে এই শংকরদা?
অদিতিকে যখন নিজে থেকে আগ্রহ করে সব গল্প শুরু করেন তখন দেখা যায় শংকরদা’র আসল পরিচয়। পাড়ার থিয়েটারের প্রধান। যার চরিত্র কিছুটা হিটলার ধাঁচেরই। হঠাৎ রিহার্সালের সময়ে শংকরদা রেগেমেগে প্রবেশ করেন ফ্রেমে, আর অরিন্দমের সঙ্গে বাকযুদ্ধ শুরু হয় অরিন্দম সিনেমার রিহার্সাল দেওয়ার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে। সেখানে থিয়েটারের পক্ষে শংকরদা’র শক্তিশালী যুক্তিও ছিল। “ফিল্মের একটা গ্ল্যামার আছে জানি। কিন্তু তার সাথে আর্টের কোনো সম্পর্ক নেই। থাকতে পারে না।” তার কিছুদিন পরেই শংকরদা’র কফিন কাঁধে নিয়ে দ্বিধান্বিত অরিন্দমের হাঁটা আর মৃত্যুর দিনই সিনেমায় কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই যে গোটা জীবনে তাকে অপরাধবোধে ভুগাচ্ছিল সেটা পরে এসে স্পষ্ট হয়।
মুকুন্দ লাহিড়ির উত্থান এবং পতনের স্বাক্ষী হওয়ার কারণেই অরিন্দম সত্য বলে ধরে নেন যে পরপর সিনেমা ফ্লপ করলে আর কখনো ওঠে দাঁড়ানো যাবে না। আবার গভীর রাতে মুকুন্দ লাহিড়ির সঙ্গে তার আলাপে একটা যে স্পষ্ট পুরোনো প্রতিশোধস্পৃহা স্পষ্ট হয়ে উঠছিল তা দেখা যায়। ‘নায়ক’ মানেই যে রক্ত-মাংসের মানুষ নন সেটা সত্যজিৎ প্রতিটা দৃশ্যেই যেন এভিডেন্স সমেত প্রমাণ করছিলেন।
তার জীবনের আরও ইন্টারেস্টিং একটা অধ্যায় উঠে আসে যখন বন্ধু বীরেষ তাকে কম্যুনিস্ট আন্দোলনে শো করতে চাইলো তখন তার সেটাকে না বলা। বীরেষ তার কাছে বন্ধুত্বের দাবি তুলতেই পারে, অপবাদ দিতে পারে বন্ধুত্বের কাছে টাকা কেন বড় করে দেখলো। কিন্তু বীরেষও কি তার বন্ধুত্বকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করতে চাননি? এমন সব দোটানা নিয়ে ‘নায়ক’ হয়ে উঠেছিল একটা যুগের ইন্টারচেঞ্জের স্বাক্ষী যা বাঙালি বুঝেছে অনেক পরে। কীভাবে? বলছি তবে।
সত্যজিৎ রায় এখানে যে শিল্পপতির চরিত্র সামনে এনেছেন তার সঙ্গে অরিন্দমের আলাপে সবার আগে তিনি বলেন, বাংলা সিনেমার অবস্থা ‘প্রডিউস মোর, প্রডিউস রাবিশ’ ধরনের। আর এর প্রত্যুক্তিতে অরিন্দম বলেন, “হ্যাঁ। তাইই তো আমাদেরকে ফ্যামিলি প্ল্যানিং নিয়ে ভাবতে হচ্ছে।” এখানে যেটা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো সে সময়ের উচ্চশ্রেণীর মানুষজনের বাংলা সিনেমাকে অবজ্ঞা করে হলিউড নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়াটা। আর অরিন্দম সেখানে বুঝিয়েছিলেন উচ্চশ্রেণীর এগিয়ে আসার দরকার পরিকল্পিতভাবে। সেই যে বাংলা সিনেমার দর্শকের ভেতরে একটা শ্রেণীবৈষম্য তৈরি হচ্ছিল তা সাধারণ মানুষ বুঝতে পেরেছিল অনেকটা পরে এসে।
আবার দেখুন, সে সময়ে হাইপের বশেই অধিকাংশ যুবকের যে দক্ষিণপন্থী হয়ে ওঠা আবার একটা সময়ে এসে তারাই করপোরেট হিপোক্রেট হওয়া এর সাক্ষাৎ উদাহরণ ওই বিজ্ঞাপন সংস্থার লোক। যে যুবক বয়সে বামফ্রন্টে কাজ করতেন সে-ই আবার বিজ্ঞাপনের টাকা পেতে নিজের স্ত্রীকে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করছিলেন “এটা তো একটা খেলা। একটা স্ট্র্যাটেজি” বলে। আর ওই যে শিল্পপতি, যিনি ধর্মকে ভালোবাসেন; পরস্ত্রীকেও তার চেয়ে বড় সময়ের স্বাক্ষী আর কে হতে পারে? আবার ওই যে দুজন ছেলে-মেয়েকে একত্রে দেখে প্রৌঢ় ব্যক্তিদের একটা সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখা; নায়িকার চোরাবালিতে অরিন্দমের হারিয়ে যাওয়া সবকিছুই একই সঙ্গে উত্তমের জীবন আর সে সময়ের কলকাতার জীবনকে পার্থক্য গড়তে সাহায্য করছিল।
এই সিনেমার ইন্ট্রো ছিল দারুণ একটা ব্যাকগ্রাউন্ডে। উত্তমের তথা নায়ক অরিন্দমের চুল আঁচড়ানোর সময়ে মাথার পেছনের অংশের ওপরে একটা সাদাকালোর ছাপ বসিয়ে বানিয়ে নেন ফ্রেম। সেখানে একের পর ক্রেডিট নেইম বসতে থাকে। বাঁশি এবং ঢোলের মিশ্রণে দারুণ একটা ইনট্রো মিউজিকও তৈরি হয়। এক দৃশ্য থেকে অন্য দৃশ্যে সাউন্ডের একটা দারুণ ওভারলেপও দেখা যায় এখানে। বেশিরভাগ অংশে স্টিল শটে টেক নেওয়া হয়। বেশিরভাগ টেকই সিঙ্গেল শটে শেষ করেন পরিচালক। ব্যাকগ্রাউন্ডে নেই অপ্রয়োজনীয় শব্দ, মিউজিক। ট্রেনের ভ্রমণের প্রাণবন্ততা ফুটাতে কখনো ট্রেনের চাকার শব্দ, কখনো ক্যামেরার ঝাঁকুনি দিয়ে ট্রেনের এনভায়রনমেন্ট তৈরি করা হয়েছিল। টাকার পাহাড়ে ঘুরে বেড়ানোর দৃশ্যে ‘হরিবোল’ গানটা একটা মিস্ট্রি তৈরি করে এখানে। আর দুপুরের দৃশ্য ফুটাতে সত্যজিৎ রায় যে অলস একটা আবহ সেই সাদাকালো যুগে তৈরি করেছিলেন তা অবাক হওয়ার মতো। কিন্তু সাউন্ডের কিছু জায়গায় ডাবিং করতে গিয়ে যে খাপছাড়া ব্যাপার সামনে এসেছিল। টেলিফোনে রিং হওয়ার আগেই হঠাৎ উচ্ছ্বসিত অরিন্দম কেন চুপ হয়ে গেলেন? মার্ক্স-ফ্রয়েডের যুগে সে সময়ে কলকাতা ঢুকে গেছে তা সত্যজিৎ চিত্রায়িত করতে পেরেছিলেন ঠিক; কিন্তু মদ খাওয়ার দৃশ্যগুলোয় কোথাওই সাবলীলতা পাওয়া যায় না। না ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’তে, না ‘নায়কে’। আর এত পরিচিত, গণমানুষের নায়ককে স্টেশনে চা নেওয়ার সময়ে চা বিক্রেতা ছেলেটি চিনতেই পারলো না???
শর্মিলা ঠাকুর অদিতি সেনগুপ্ত চরিত্রে বেশ দারুণ শুধু ছিলেন না, তিনি এই সিনেমার জন্য স্মরণীয়ও হয়ে আছেন। অরিন্দম চরিত্রে উত্তম কুমারের সঙ্গে তার এমন একটা কেমিস্ট্রি এখানে দেখা যায় যা মূলত শেষদিকে বিচ্ছেদবেদনায় কাতর করে তুলে দর্শককে। উচ্চমাত্রায় ইগো নিয়ে তিনি এসেছিলেন অরিন্দমের কাছে, শেষে পত্রিকার প্রচারে অরিন্দমের অগোচরে লিখতেও শুরু করেন জীবনকাহিনী। কিন্তু, যে-ই না তার মনে হয়েছে বিশ্বস্ততা আর ক্ষণিকের সেই বন্ধুতার মূল্য বেশি তিনি ছিঁড়ে ফেলেন ওটা। অরিন্দম জিজ্ঞেস করেছিলেন ছিঁড়ে ফেলে দেওয়ার কারণ। জানতেও চান মন থেকে লিখবেন কিনা। অদিতির উত্তর ছিল, “মনে রেখে দিব।” তাদের একটা সুন্দর বোঝাপড়া দেখাই যাচ্ছিল, অথচ পরিণতি পেল না।
এই সিনেমা বেশ অনেক কারণেই গুরুত্বপূর্ণ। এই সিনেমার বেশিরভাগ শটই একবারের বেশি নিতে হয়নি। সৌমিত্রকে বাদ দিয়ে উত্তম কুমারকে এই চরিত্রে বাছাই করাটা আলোচনার জন্ম দিয়েছিল সে সময়ে। বিশেষভাবে তৈরি করা হয় শুটিংয়ের ট্রেনের বগির সেটগুলো। বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে ১৯৬৬ সালে ‘স্পেশাল জুরি অ্যাওয়ার্ড’, ‘শ্রেষ্ঠ ফিচার ফিল্ম’, ‘শ্রেষ্ঠ কাহিনি ও চিত্রনাট্য’ পুরস্কার পাওয়া এই ছবিটি তেমন একটা গ্রহণযোগ্যতা পায়নি সে সময়ের বাঙালি দর্শকমনে। তারা উত্তম কুমারকে কখনো এমন এক গল্পে ভাবতে পারেননি। অবশ্য, ‘নায়ক’কে নিয়ে সিনেমা তো একটা আলাদা শ্রেণীর মানুষ দেখাই স্বাভাবিক। নায়কোচিত তেলেসমাতিতে তো দর্শক সাবলীল হবেন না।
বাঙালির সামনে আসতে থাকা আইডেন্টিটি ক্রাইসিস, স্বার্থপরতা, রাজনৈতিক হিপোক্রেসি কিংবা আদর্শিক দ্বন্দ্বের বাইরেও এই সিনেমার বিশেষত্ব এটা উত্তম কুমারের সিনেমা। তার জন্য তৈরি করা সিনেমা। এই সিনেমা উত্তমের বায়োগ্রাফি নয়। একজন বিখ্যাত নায়কের অজানা গল্পের চিত্রপট৷ সেই চিত্রপটে সাব-কনসাস মাইন্ডে যে কেউ উত্তমকে বসাতে চাইবেনই। উত্তম বাঙালি জীবনে প্রতিটি ঘরের একজন নিয়মিত সদস্য হয়ে উঠেছিলেন সেটা এই সিনেমায় সুন্দরভাবে দেখানো হয়, অথচ উত্তমের প্রত্যক্ষ জীবনের মিল নেই কোথাও। উত্তমের যে স্বল্প বয়সে চিরপ্রস্থান তার কারণে তিনি তো চিরযুবক হয়ে আছেন মানসপটে; এই সিনেমাও কোথাও একটা গিয়ে তারই মতন চিরযুবকই রয়ে গেল বোধহয়।
সাইদ খান সাগর: লেখক ও ফিল্ম অ্যাক্টিভিস্ট