যে গ্রামে শুরু হয়েছিল আধুনিক অলিম্পিক

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ১১:৩৫ পিএম

এক বছর থমকে থাকার পর পর্দা উঠেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় খেলার আসর অলিম্পিক গেমসের। কভিড-১৯-এর একের পর এক ঢেউয়ে যখন বিপর্যস্ত বিশ্বের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ঠিক সে সময়ে অলিম্পিক আয়োজন জন্ম দিয়েছে বিতর্কের। এসব তর্কবিতর্ক পাশে রেখে চলুন অলিম্পিক গেমসের উৎপত্তির গ্রাম থেকে ঘুরে আসা যাক। লিখেছেন মুমিতুল মিম্মা

উইলিয়াম পেনি ব্রুকস

অলিম্পিক গেমস এখন বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় উৎসবের নাম। কিন্তু খুব কম মানুষই জানে অলিম্পিকের আধুনিক উদযাপন শুরু হয় যুক্তরাজ্যের শ্রোপশায়ার শহরের মাচ ওয়েনলকে। ঊনবিংশ শতকের অদ্ভুত মিডল্যান্ডস বসতিতে উইলিয়াম পেনি ব্রুকস নামে একজন স্থানীয় ডাক্তার অলিম্পিক শিখাকে পুনরুজ্জীবিত করেন। প্রাচীন গ্রিসের অলিম্পিক গেমস থেকে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ওয়েনলক অলিম্পিয়ান সোসাইটি। তিনি মনে করেছিলেন বার্ষিক এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ওয়েনলকের শহর ও আশপাশের বাসিন্দাদের নৈতিক, শারীরিক ও বৌদ্ধিক উন্নতিতে বিশেষভাবে সাহায্য করবে।

ডাক্তার উইলিয়ামের জন্ম হয় ১৮০৯ সালে। পেশায় ছিলেন শল্য চিকিৎসক, ম্যাজিস্ট্রেট ও শিক্ষাবিদ। সচ্ছল পরিবারে বেড়ে ওঠা তার। বাবার হাতে প্রাথমিক শিক্ষার হাতেখড়ি হলেও উচ্চশিক্ষা শেষ করেন লন্ডনে। পড়াশোনা শেষ হলে ফ্রান্স ও ইতালি ঘুরে দেশে ফিরে আসেন। নিজে শাসক শ্রেণির প্রতিভূ হলেও শ্রমিক শ্রেণির দুর্দশায় তার প্রাণ কাঁদত। ১৮৪১ সালে তিনি ওয়েনলক এগ্রিকালচারাল রিডিং সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন। এ সোসাইটির উদ্দেশ্য ছিল দরকারি জ্ঞানের প্রসার ঘটানো। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি প্রতিষ্ঠা করেন অলিম্পিয়ান গেমস। যার মাধ্যমে শ্রমিকদের অত্যাবশ্যক শারীরিক শিক্ষার বিষয়ে নজর দেওয়া হয়। ডাক্তার উইলিয়াম একজন সমাজ সংস্কারক ছিলেন। যে সময়ে তিনি অলিম্পিয়ান গেমসের উদ্যোগ নেন সে সময়ে ক্রীড়ার মতো বিনোদন বরাদ্দ ছিল সমাজের ধনিক শ্রেণির জন্য। সেসবের দিকে বিন্দুমাত্র কর্ণপাত করেননি তিনি। তিনি তার অঞ্চলের লোকের আত্মিক ও মানসিক উন্নতি চেয়েছিলেন। একই সঙ্গে মানুষের উদ্দীপনা দেখে ভেবেছিলেন কীভাবে ক্রীড়ার এই সর্বজনীন উদ্দীপনা বৈশ্বিকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। 

অলিম্পিয়ান গেমস

১৮৫০ সালে ওয়েনলকে চালু হয় অলিম্পিয়ান গেমস। দ্রুততম সময়ে লন্ডন ও লিভারপুল পর্যন্ত হাজার হাজার দর্শকের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এ অনুষ্ঠান। স্থানীয় দর্শকদের জন্য বরাদ্দ ছিল একটি বিশেষ ইভেন্ট। সে অঞ্চলে এখনো অনুষ্ঠিত হয় এ অনুষ্ঠান। সাধারণ খেলাধুলা থেকে শুরু করে অ্যাথলেটিক্স তো ছিলই, সঙ্গে ছিল মজার মজার ইভেন্ট। এক পাউন্ড চা জেতার জন্য চোখ বেঁধে ঠেলাগাড়ি ঠেলে নিয়ে যাওয়া বা বয়স্ক নারীদের দৌড়ের মতো মজার ইভেন্ট খুবই জনপ্রিয় ইভেন্ট হয়ে দাঁড়ায়। সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়ে দাঁড়ায় ঘোড়ার ওপর থেকে ফেলে দেওয়ার প্রতিযোগিতা। বিশেষ উত্তেজনাপূর্ণ অনুষ্ঠান ছিল এটি। শ্রোপশায়ার কাউন্সিলের সদস্য এমা-কেট ল্যানিয়নের মতে, ‘এই ইভেন্টটির জন্য দরকার বিশেষভাবে দক্ষ লোক। কেবল ঘোড়সওয়ার হলেই হবে না। প্রতিযোগীরা পরস্পরের দিকে দৌড়ে যেত এবং তাদের লক্ষ্য ছিল প্রতিদ্বন্দ্বীকে ঘোড়া থেকে ফেলে দেওয়া। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীরা আঞ্চলিক তারকা বনে যেত।’ 

কিন্তু তারপরেও প্রশ্ন আসে এ অনুষ্ঠানের সঙ্গে অলিম্পিকের কী সম্পর্ক? মধ্যযুগীয় শ্রোপশায়ার শহরের মাচ ওয়েনলকের দিকে লক্ষ করলে বর্তমান অলিম্পিকের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া কঠিনই বটে। শহরটির জনসংখ্যা মাত্র ৩ হাজার। মাচ ওয়েনলক যতটা শহর তার চেয়ে বেশি গ্রাম্য আবহ ঘিরে থাকা। শহর ঘুরে দেখলে যে কারও মনে হতে পারে ৫০ বছর আগের কোনো প্রাচীন শহরে ফিরে গেছে সে। কিন্তু ওয়েনলকের ১.৩ মাইল অলিম্পিয়ান ট্রেইল ধরে ইতিহাসের দিকে এগোলে জানা যায় ভিন্ন এক গল্প। রাস্তার শুরুতেই রয়েছে মাচ ওয়েনলক মিউজিয়াম ও ভিজিটর ইনফরমেশন সেন্টার। ইংলিশ টাউন সেন্টারের মধ্য দিয়ে সে রাস্তা চলে গেছে স্থানীয় বাজারের দিকে। রাস্তার দুই পাশে ফুলের প্রদর্শনী। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে চলেছে এর পারিবারিক ব্যবসা। রাস্তার পাশের কটেজগুলো রাজকীয় জর্জিয়ান ইটের তৈরি। এখানে এক সময় মাখনের বাজার ছিল। এখনো মাচ ওয়েনলকে সে বাজার বসে। এর মধ্যে একটি বাজারের নাম কর্ন এক্সচেঞ্জ। একসময় এখানে ভুট্টার বিশাল বাজার বসত। বর্তমানে তা রূপান্তরিত হয়েছে পাবলিক লাইব্রেরিতে। যেখানে দ্বিতীয় ব্রোঞ্জ অলিম্পিয়ান ট্রেইল মার্কার পাওয়া যায়। এ রকম কৃষিপ্রধান জনগোষ্ঠীর ভেতরে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্যে উইলিয়াম পেনি ব্রুকস অলিম্পিয়ান সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন। শারীরিক সুস্থতার ব্যাপারে মানুষকে আগ্রহী করে তোলার জন্য এর চেয়ে ভালো কোনো উপায় নেই। এই সোসাইটি কেবল বার্ষিক অনুষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। দেশব্যাপী স্কুলে স্কুলে শারীরিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার জন্য সফলভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাওয়া। শহরের দেয়ালে একটি ফলক উন্মোচন করেন তিনি। যেখানে শহরের উন্নতির জন্য সমাজসেবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। সেটি স্থানীয় সমাজসেবীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তাদের প্রণোদনায় শহরের রেল যোগাযোগ থেকে শুরু করে বিশেষ বিশেষ ভবন সংস্কার করা সম্ভব হয়।

রাস্তার শেষ মাথায় আছে রেভেন হোটেল। উইলিয়াম পেনি ব্রুকস স্বপ্নে দেখতেন গ্রিসে আবার আন্তর্জাতিক অলিম্পিকের যাত্রা শুরু হবে। এথেন্স সরকারকে বহুবার এ স্বপ্নের কথা জানান তিনি। কিন্তু তার স্বপ্নকে বেশি পাত্তা দেয়নি এথেন্স সরকার। এসব ঘটনা জেনে শিক্ষাবিদ ও ইতিহাসবিদ ব্যারন পিয়ের ডি কুবারটিন ১৮৯০ সালে ওয়েনলক অলিম্পিয়ান গেমস পরিদর্শনে আসেন। সম্পর্কের দিক দিয়ে ব্যারন ও উইলিয়াম ছিলেন বন্ধুস্থানীয়। ব্যারেন ডাক্তার উইলিয়ামের সঙ্গে একাত্ম হয়ে রেভেন হোটেলে একটি বক্তৃতা দেন। এই তরুণ ফরাসি ১৮৯৪ সালে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটিকে খুঁজে পান। ১৮৯৬ সালের এপ্রিল মাসে রাজধানী এথেন্সে প্রথমবারের মতো গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় যার ঐকান্তিক আগ্রহে অলিম্পিক পুনরায় চালু হলো তিনিই দেখে যেতে পারলেন না ঘটনাটি। ডাক্তার উইলিয়াম অলিম্পিক চালু হওয়ার মাত্র চার মাস আগে ৮৬ বছর বয়সে মারা যান। মাচ ওয়েনলক প্যারিস চার্চের মাঠে ডাক্তার উইলিয়ামের কবর। ভাস্কর্য ও ওয়েনলক অলিম্পিয়ান গেমসের থিম দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে সে কবর। কিন্তু তার অবদানকে বৃথা যেতে দেননি তার শহরবাসী। ওয়েনলক অলিম্পিয়ান সোসাইটির প্রথম সম্মানিত সদস্য হিসেবে পেট্রোস ভেলেসারিওস এথেন্স মঞ্চে ১৪০০ গজের রেসে জয়ী হন। তিনি ২৮১টি ড্রাচমাস ও একটি জলপাই মুকুট পেয়েছিলেন।

ওয়েনলকের ১.৩ মাইল অলিম্পিয়ান ট্রেইল শেষে মিউজিয়াম ও ভিজিটর ইনফরমেশন সেন্টার সম্পর্কে কিছু না বললেই যেন নয়। সেখানে প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের জন্য রয়েছে বিশেষ লিফলেট। এ জাদুঘরকে বলা হয় ‘বড় গল্প বলার ছোট জাদুঘর’। অলিম্পিকের আদি উত্থানের গল্প মিশে আছে এ শহরের আকাশে বাতাসে। যেকোনো ক্রীড়াপ্রেমী তাই এ শহরে আসেন প্রাচীন সে ঘটনার চাক্ষুষ সাক্ষী হতে।  জাদুঘরের ভূতাত্ত্বিক ও প্রত্মতাত্ত্বিক সংরক্ষিত জিনিসের ভেতরে আছে প্রথম ওয়েনলক অলিম্পিয়ান গেমসের চ্যাম্পিয়ন টিল্টার চার্লস ইনসওয়ার্থকে দেওয়া বেশ কয়েকটি কাপ। ২০১২ সালে জাদুঘরটির সংস্কারের পর এই কাপগুলো সংগ্রহশালায় এনে রাখা হয়।

২০১২ সালে অলিম্পিক গেমস লন্ডনে পা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বব্যাপী মাচ ওয়েনলকের ঐতিহ্য উদযাপন করেছে। প্রায় নয় মিলিয়নের মতো ওয়েনলকের মাসকট বিক্রি হয়েছে সে বছর। এখানেই শেষ নয়। অলিম্পিক টর্চ রিলের ছবি চীন থেকে শুরু করে মেক্সিকো পর্যন্ত সর্বত্র দেখা হয়েছে। এদিকে অনুষ্ঠিত হয় ওয়েনলক অলিম্পিয়ান গেমসের একটি বিশেষ সংস্করণ। সে অনুষ্ঠানে ৮ থেকে ৮০ বছর বয়সী মোট ২ হাজার ৩৮৫ জন মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। এই মানুষদের ভেতরে আরও ছিলেন রিও ২০১৬ সালে অংশ নেওয়া ৪ ব্রাজিলীয় ক্রীড়াবিদ।

স্থানীয় জনগণের জন্য এটি ছিল স্মরণীয় ঘটনা। ওয়েনলক অলিম্পিয়ান সোসাইটির মূল বক্তব্যকে ছড়িয়ে দেওয়া এ গর্বের মুহূর্ত চোখে জল এনে দিয়েছে স্থানীয়দের। ওয়েনলক অলিম্পিয়ান সোসাইটির জনসংযোগ ও মিডিয়া সচিব ম্যাক বার্ডসলি বলেন, প্রায় ১৭০ বছর আগে ডাক্তার উইলিয়াম তার দেশের লোকের স্বার্থে যে চর্চা শুরু করেছিলেন তার প্রতি সম্মান জানানো ছিল একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব। শহরের বুকে প্রতি বছর জুলাই মাসে এই উৎসব এখনো সবার আগ্রহের বিষয়। তীরন্দাজি, অ্যাথলেটিক্স, রেস, মার্চ মাসে একটি লাইভ আর্টস ফেস্টিভ্যালসহ প্রায় বছরব্যাপী ছিল সে উৎসব। সব বয়সী মানুষকে নিয়ে স্থানীয় এ চর্চা বেশ একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়। কিন্তু সে চেষ্টাকে সফল করে দেখিয়েছেন স্থানীয় মানুষ। খেলাধুলার বাইরে শিল্পকলার প্রতিও ছিল ডাক্তার উইলিয়ামের বিশেষ আগ্রহ। যার কারণে গ্রন্থাগার বানানোর ওপরে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। সে চর্চাও অব্যাহত রেখেছেন শহরবাসী।

অলিম্পিক ২০১২

ডাক্তার উইলিয়াম তার শহরের বাইরে তুলনামূলক অজানা রয়ে গেছেন। ২০১২ সালে বিশ্বব্যাপী তার কথা খানিকটা প্রচার করা গেলেও তেমন একটা সাড়া ফেলতে পারেনি অলিম্পিক কমিটি। টোকিও গেমস কমিটির সদস্যরা তাদের অলিম্পিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ২০১৪ সালে মাচ ওয়েনলক পরিদর্শন করেন। নরওয়ে ও কাতারের মতো দেশেও অলিম্পিকের মশাল জ্বালা এই শহরের তথ্যচিত্র দেখানো হয়েছে। সম্প্রতি ওয়েনলক অলিম্পিয়ান সোসাইটির আরকাইভিস্ট ক্রিস ক্যাননের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন গ্রিক ও সাংহাইয়ের সাংবাদিকরা। এই পদক্ষেপের ফলে আশা করা হচ্ছে, অলিম্পিক নিয়ে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে অ্যাক্সেস করা যাবে এমন ডিজিটাল আর্কাইভ তৈরি করা হবে।

শ্রোপশায়ার ঘুরে দেখতে গেলে বা প্রাচীন অলিম্পিকের স্বাদ নিতে গেলে মাচ ওয়েনলকের বাইরেও অনেক কিছু রয়েছে। শ্রোপশায়ার কাউন্সিলের পর্যটক ইকোনমি অফিসার আন্দ্রেয়া ফক্স জানান, ‘আপল্যান্ড ওয়েলস ও নিম্নভূমির সীমান্তের কারণে আমাদের রয়েছে একটি প্রাচীন ইতিহাস। আছে প্রাগৈতিহাসিক পার্বত্যাঞ্চলের দুর্গ, মধ্যযুগীয় দুর্গ যা প্রাকৃতিক দুর্দান্ত সব দৃশ্যের সঙ্গে সঙ্গে দর্শনার্থীদের দেবে প্রাকৃতিক ও সামাজিক ঐতিহ্যের অনন্য সংমিশ্রণ।’

প্রায়ই পর্যটকরা উত্তর-দক্ষিণ দিকে ঘুরতে আসেন। মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে শ্রোপশায়ার পার্বত্য অঞ্চল পর্যটকদের বেশি নজর কাড়ে। আন্দ্রেয়া ফক্স আরও জানান, ‘কাউন্টির সবচেয়ে বিখ্যাত মানুষদের ভেতরে আছেন চার্লস ডারউইন, মেরি ওয়েব ও উইলফ্রেড ওয়েনের মতো লেখক ও কবি।’ এদের মধ্যে আরও আছে রোডরিক মুরচিসন। তিনি ওয়েনলক এজ নিয়ে গবেষণায় বিশেষ অবদান রেখেছেন।

শ্রোপশায়ারে কে সবচেয়ে বিখ্যাত?  ডারউইনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ডাক্তার উইলিয়াম হয়তো টিকতে পারবেন না। তবুও আমরা যখন টোকিও অলিম্পিক ২০২০ এর একের পর এক ইভেন্ট উদযাপন করে যাচ্ছি, ঠিক একই সময় অলিম্পিকের পুনরুত্থানের ইতিহাসও জানা দরকার। ১৭০ বছর আগে যার হাত ধরে অলিম্পিকের মশাল জ্বলে উঠেছিল সেই মানুষটি আগামী দিনেও একইভাবে বিশ্বব্যাপী গণমানুষকে অনুপ্রাণিত করে যাবেন। যতদিন অলিম্পিক গেমস থাকবে, ঠিক ততদিন সেই আলোকবর্তিকা হাতে মানুষটিও প্রাসঙ্গিক হয়ে থাকবেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত