কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়ার কুফল

আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২১, ১২:৪২ এএম

ওজন কমানোর চেষ্টায় খাদ্যাভ্যাস থেকে ‘কার্বোহাইড্রেট’ বা শর্করা কমানো কিংবা বাদ দেন অনেকে। এতে কিছু পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াও দেখা যায়। জেনে নিন এ সম্পর্কে

খিটখিটে মেজাজ : নতুন খাদ্যাভ্যাসে আসার পর হঠাৎ করেই যদি মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, তবে এর পেছনের কারণ হতে পারে কার্বোহাইড্রেটের কমতি। কারণ এ সময় রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়। এ সময় অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি এমন কিছু হরমোন নিঃসরণ করে যা শরীরকে প্রচণ্ড ধকলের ইঙ্গিত দেয়। আর সেই ইঙ্গিতকে শরীর জীবনের ওপর হুমকি হিসেবে ধরে নেয়। এমন পরিস্থিতির কারণে মানসিক অস্বস্তি, বিরক্তি, মনযোগে বাধা ইত্যাদি দেখা দেয়।

মাথাব্যথা : কিছু মাথাব্যথা সাধারণ ওষুধ খেয়ে কমে না। এর পেছনের কারণ হতে পারে কার্বোহাইড্রেটের অভাব। শরীরে পর্যাপ্ত শর্করা না থাকার কারণেই প্রচণ্ড মাথাব্যথা দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে পানি পানের মাত্রা আরও বাড়ানো উচিত।

কোষ্ঠকাঠিন্য : হঠাৎ করে কার্বোহাইড্রেট বন্ধ করে দিলে হজমে সমস্যা হতে পারে। এছাড়া পেটব্যথা থেকে শুরু করে অন্ত্রের কোনো অংশে ব্লকও সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

শারীরিক দুর্বলতা : খাদ্যাভ্যাস থেকে কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া মানে শারীরিক জ্বালানির একটি বড় উৎসকে বাদ দেওয়া। ফলে কর্মশক্তি প্রতিদিন ফুরিয়ে যাবে নিমিষেই। এ কারণে দুর্বলতা ও অবসাদ অনুভূত হবে সব সময়।

অতিরিক্ত খাওয়ার ইচ্ছা  : খাদ্যাভ্যাস থেকে হঠাৎ কার্বোহাইড্রেট বাদ দিয়ে দিলে স্বভাবতই কিছু খাবার খাওয়া ইচ্ছা হবে। অনেক সময় এই ইচ্ছা অস্বাভাবিক অবস্থায় পৌঁছে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত