জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে লেখা কালজয়ী গান ‘যদি রাত পোহালে শোনা যেতো বঙ্গবন্ধু মরে নাই’-এর নতুন সংগীতায়োজনে নির্মিত হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টায় এ সংস্করণের প্রকাশনা ও মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়।
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ নিজ বাসভবনে গানটির মোড়ক উন্মোচন করেন। করোনাকালীন মহামারি পরিস্থিতিতে এ আয়োজন স্বল্প পরিসরে অনুষ্ঠিত হয়।
খ্যাতিমান গীতিকার হাসান মতিউর রহমানের কথায়, প্রখ্যাত সুরকার মলয় কুমার গাঙ্গুলীর সুরে সময়োপযোগী সংগীতায়োজনে গানটি পুনর্নির্মাণ করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীত পরিচালক কৌশিক হোসেন তাপস। দৃষ্টিনন্দন ভিডিও নির্দেশনা দিয়েছেন গানবাংলা টেলিভিশনের চেয়ারপারসন ফারজানা মুন্নী।
টিএম প্রোডাকশনস ও টিএম রেকর্ডসের যৌথ আয়োজনে নির্মিত গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন ঐশী, লুইপা, দোলা, আনিকা, ডোরা, আর্নিক, রেশমী, তাসফি, সিঁথি সাহা, পূজা, হৈমন্তী, পুতুল, ঝিলিক, কর্ণিয়া ও কৌশিক হোসেন তাপস।
মোড়ক উন্মোচনের পর গান-ভিডিওটি দেখে হাছান মাহমুদ বলেন, “গানবাংলা টেলিভিশনের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। গানবাংলা টেলিভিশন শুরু থেকেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে তাদের দায়বদ্ধতার পরিচয় দিয়ে চলেছে। গানবাংলা টেলিভিশন নিয়ে শুরুতে যে সংশয় ছিল, তা তারা ভালোভাবেই উতরে গেছে। বরং গানবাংলার প্রচার মান নিয়ে এখন শুধু দেশেই নয়, দেশের বাইরেও আমি অনেক প্রশংসা শুনি। এতে আমি নিজেও গর্ববোধ করি।”
আরও বলেন, “সম্প্রচারের শুরু থেকেই গানবাংলা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে দায়িত্বশীল কাজ করে চলেছে। তারা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিভিন্ন জনপ্রিয় গান যেমন করেছে, তেমনি মৌলিক গানও করেছে, যেগুলো প্রশংসার দাবিদার।”
“বিশেষ করে গানাবাংলার কর্ণধার কৌশিক হোসেন তাপস ‘যদি রাত পোহালে শোনা যেতো বঙ্গবন্ধু মরে নাই’ এই গানটিকে বর্তমান প্রজন্মের কণ্ঠশিল্পীদের নিয়ে নতুন আঙ্গিকে সংগীতায়োজন করে যে ভিন্ন মাত্রা যুক্ত করেছেন, তাতে এই গানটি অন্যরকম এক উচ্চতায় পৌঁছে গেছে। আমরা এমন আরও কাজ চাই গানবাংলার কাছে। আমি বিশ্বাস করি এমন একটি চ্যানেল আমাদের প্রয়োজন ছিল।’’
গানটি পুনর্নির্মাণ প্রসঙ্গে তাপস বলেন, ‘‘এটি অত্যন্ত সম্মানের একটি বিষয়। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচিত এটি বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের প্রিয় একটি গান। আমি চেষ্টা করেছি একটু ব্যতিক্রমী ও সময়োপযোগী সংগীতায়োজনে গানটিতে যতটুকু সম্ভব ভিন্ন মাত্রা যুক্ত করতে। আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি যেন নতুন সংগীতায়োজনের মাধ্যমে বর্তমান এবং আগামী প্রজন্মকে গানটির সঙ্গে আরও ব্যাপকভাবে সংযুক্ত করা যায়।’’
