টার্নিং পিচের চ্যালেঞ্জ নিচ্ছে কিউইরা

আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০২১, ১১:৩৯ পিএম

ভারতের মাটিতে তাদের হারানোকে বেশ বড় করেই দেখা হয়। বাংলাদেশকেও সেই চোখে দেখছে নিউজিল্যান্ড। ঢাকায় পা রেখে প্রথম ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে প্রথম প্রশ্নের উত্তরেই পেসার হামিশ বেনেট যা বললেন তাতে ব্যাপারটি স্পষ্ট। মূলত টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশের অস্ট্রেলিয়াকে ৪-১ ব্যবধানে হারানোর পরই পরিস্থিতি এমন হয়েছে। বেনেট দেশে ফিরে বাংলাদেশকে অ্যাওয়েতে হারানোর গর্বের কথা বলতে চান।

হামিশ বেনেট এর আগেও বাংলাদেশে এসেছিলেন। নিউজিল্যান্ডের যে অনিয়মিত দলটি এ সিরিজে খেলবে তার মধ্যে অন্যতম অভিজ্ঞ তিনি। ৩৪ বছর বয়সী বেনেটের অভিষেক বাংলাদেশেই, প্রায় ১১ বছর আগের ২০১০ সালে। তখন ২৩ বছর বয়সে দেখেছেন বাংলাদেশের কাছে ৪-০ তে ওয়ানডে সিরিজ হার। ওই সিরিজের পর ইনজুরি ও অফফর্মে বেনেট জাতীয় দলে ছিলেন অনিয়মিত। কিন্তু বাংলাদেশে কিউইদের ব্যর্থতা ছিল নিয়মিত। ২০১৩ তেও ওয়ানডে সিরিজ হারে তারা। অবশ্য এরপর আর মুখোমুখি হয়নি দুদল। এত বছর পর বাংলাদেশে এসে সেই হারগুলো থেকে চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন বেনেট। ‘আমরা এখানে এসেছি দেশের হয়ে দায়িত্ব পালন করতে। আমি আগেও বাংলাদেশে এসেছি এবং ৪-০ ব্যবধানে হেরেছি। এখানে খুব বেশি সাফল্য আমরা পাইনি। এটাই আমাদের জন্য অনেক বড় প্রেরণার উৎস। আমাদের ভালো লাগবে, যদি নিউজিল্যান্ডে ফিরে গিয়ে বলতে পারি, আমরা বাংলাদেশে সিরিজ জিতে এসেছি। আপনারা দেখেছেনই, এখানে অস্ট্রেলিয়ার কী অবস্থা হয়েছে এবং অন্য দলগুলো কতটা ধুঁকেছে’ বলেছেন ১৯ ওয়ানডেতে ৩৩ উইকেট শিকারি।

টি-টোয়েন্টিতে দু’দলের ১০ বারের দেখায় প্রতিবারই জিতেছে নিউজিল্যান্ড। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। অস্ট্রেলিয়াকে যেভাবে হারানো গেছে নিউজিল্যান্ডের জন্যও সেই ফাঁদ অপেক্ষা করছে। বেনেট তা জানেন, তা নিয়ে কোনো আপত্তি নেই এ পেসারের। নিজেদের মাটিতে তাই এমন নিচু ও ধীর উইকেট তৈরি করে অনুশীলন করেছেন বলে জানান, ‘বাংলাদেশ যখন নিউজিল্যান্ড সফরে যায়, আমরা গতিময় ও বাউন্সি উইকেট রাখি, যা তাদের অস্বস্তিতে ফেলে। আমরা এখানে এলে তারা টার্নিং উইকেট বানায়, যেখানে আমরা অভ্যস্ত নই। আমার তো মনে হয়, এটা দারুণ। আমরা সেই চ্যালেঞ্জের দিকে তাকিয়ে আছি। দেশ থেকে পুরনো উইকেটে অনুশীলন করে এসেছি। এখন এখানে অনুশীলন করে বুঝব কীভাবে পরিকল্পনা সাজানো যায়।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত