উত্তর ফ্রান্সের এক পরিবার যখন তাদের প্রিয়জনকে হারিয়ে বিলাপ করছে তখন অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় দেখেন এক অচেনা শোকাহত নারীকে। তাকে দেখে কিছুই ভাবেনি মৃত স্বজনের ওই পরিবার।
অনাহূত সেই নারী জানান, মৃত ব্যক্তি তার বন্ধু ছিলেন। তাই পরিবারটি তাকে কফিন খুলে দেন মৃত স্বজনকে দেখতে এবং সম্মান জানানোর জন্য।
কিন্তু তারা ফিরে এসে দেখেন অন্য ঘটনা। মৃতদেহ থেকে খুলে নেওয়া হয়েছে সব অলংকার। তার গলার হার, আংটি ও কানের দুল সব উধাও।
বিষয়টি ফরাসি পুলিশকে অবহিত করে পরিবারটি। পুলিশও তদন্ত শুরু করে এবং শিগগিরই সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করে।
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া হওয়া ওই পরিবার থেকে খুব বেশি দূরে নয়, লিয়েভিন শহরের এমন জায়গায় বাস করতেন এক নারী। পুলিশ উনাকে আটক করেছে এবং তার কাছ থেকে হারিয়ে যাওয়া অলংকার উদ্ধার করা হয়েছে। ফরাসি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের বরাতে এমনটাই জানিয়েছে বিবিসি।
কিন্তু এখানেই শেষ নয়। এক তদন্ত করতে গিয়ে আরেকটি অপরাধের মীমাংসাও করে ফেলেছে পুলিশ। এবারও অপরাধী সেই একই নারী। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া হওয়া ওই পরিবারের এক ব্যক্তির ওয়ালেট হারিয়ে গিয়েছিল একইদিনে। আর সেই দিনটি ছিল মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট)।
এই চুরির সঙ্গেও ওই নারীর সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশ। যখন সন্দেহভাজনের ঘর তল্লাশি করা হয়, তখন পুলিশ সাম্প্রতিক মৃত্যুর নোটিশের স্তূপও খুঁজে পায়। সেসব নোটিশে অন্তর্ভুক্ত ছিল, পরিবারের সদস্যদের ব্যক্তিগত কক্ষগুলোতে প্রবেশের ‘অ্যাকসেস কোড’। যেখানে তাদের আত্মীয়দের কফিন বসানো ছিল।
