ই-অরেঞ্জ অনলাইন মার্কেট প্লেসের সঙ্গে যোগসাজশ থাকার অভিযোগ ওঠার পর পালিয়ে ভারতে গিয়ে ধরা পড়া পুলিশ কর্মকর্তা শেখ সোহেল রানাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
রবিবার সন্ধ্যায় তাকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ হয় বলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপকমিশনার আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন।
বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।
এছাড়া রানার বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলাও হয়েছে, যা তদন্ত করা হবে বলে জানান আসাদুজ্জামান।
ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে মামলার পর বৃহস্পতিবার পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে ঢোকেন সোহেল রানা। তবে নেপাল সীমান্তে তিনি ধরা পড়ে যান ভারতীয় সীমান্তরক্ষীদের হাতে।
গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতে অভিযুক্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের সাবেক মালিক সোনিয়া মেহজাবিনের ভাই সোহেল রানা। ই-অরেঞ্জের বর্তমান মালিক বীথি আক্তার। সোহেল রানা ই-অরেঞ্জের পৃষ্ঠপোষক বলে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের খবরে উঠে এসেছে।
গত ১৭ আগস্ট অগ্রিম অর্থ পরিশোধের পরও মাসের পর মাস পণ্য না পাওয়ায় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ই-অরেঞ্জের মালিক ও কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রায় ১১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছেন গ্রাহকরা।
ওই মামলায় ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, আমানউল্ল্যাহ, বীথি আক্তার, কাউসার আহমেদ এবং বনানী থানার পরিদর্শক সোহেল রানার নাম উল্লেখ করা হয়।
