রেমিটেন্সে প্রণোদনা নিতে বিদেশে টাকা পাচারের সন্দেহ ঠিক নয়: অর্থমন্ত্রী

আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৫০ পিএম

রেমিটেন্সে প্রণোদনার সুযোগ নিতে টাকা বিদেশে পাচারের সন্দেহ ঠিক নয় বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বুধবার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সিপিডির এই ধরনের সন্দেহের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী এ মত দেন।

তিনি বলেন, “এটা কোনো সঠিক প্রস্তাব বলে আমার মনে হচ্ছে না। আমার মনে হয় এধরনের কথাবার্তা ঠিক না।”

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বিদেশি অর্থ উপার্জনের বড় খাত প্রবাসী কর্মীদের পাঠানো রেমিটেন্স। অন্য কোনো টাকা রেমিটেন্সের নামে দেশে ঢুকছে কি না, তা খতিয়ে দেখার সুপারিশ করেছিল গবেষণা সংস্থা সিপিডি।

বৈধভাবে রেমিটেন্স পাঠানো উৎসাহিত করতে সরকার ২ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে। অর্থাৎ প্রবাসীরা ১০০ টাকা দেশে পাঠালে তার সঙ্গে সরকার আরও ২ টাকা যোগ হয়ে মোট ১০২ টাকা দিচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “কেউ বলে প্রণোদনা পাওয়ার জন্য দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে আবার নিয়ে আসা হয়। আমি বার বার একটা কথা বোঝাবার চেষ্টা করেছি, দেশে তো বহু খাত আছে, যাদের আমরা ইনসেনটিভ দিয়ে থাকি। মাছ, সবজিতে আমরা ইনসেনটিভ দিই, তাহলে শুধু রেমিটেন্স খাতকে তারা টার্গেট করবে কেন?”

মুস্তফা কামাল বলেন, “যে পরিমাণ জনবল আমাদের বিদেশে আছে, সেই অনুপাতে টাকা আসছে কি না, সেটা দেখতে হবে। এর চেয়ে বেশি আসলে তখন বুঝতে হবে যে এখানে অন্য কিছু হচ্ছে।”

দেশের রিজার্ভের বড় জোগানদাতা রেমিটেন্স গত দুই মাসে কমে গেছে। এ নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “তিন মাসে এক বিলিয়ন ডলারের মতো কম এসেছে। গত বছর ২৫ বিলিয়নের মতো এসেছিল। এখন যে গতিতে এগুচ্ছে তাতে ২২ থেকে ২৩ বিলিয়নের মতো আসবে বলে মনে হচ্ছে। এর মূল কারণ হচ্ছে প্রবাসী ভাই-বোনেরা বিভিন্ন দেশে কর্মরত যারা ছিলেন, তারা কোভিডের সময় দেশে এসে বিভিন্ন কারণে আবার ফেরত যেতে পারেন নাই। এখন আবার যাওয়া শুরু করেছেন। ফলে রেমিটেন্সের বিষয়টি আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে আসবে।”

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত