ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রশাসন হেফাজতিদের নির্দেশে চলে। হেফাজতিরা যাই বলে তাই করে তারা’।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতীয় শ্রমিক লীগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।
তিনি বলেন, ‘জেলার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা বাহিনী কোনো কাজের নয়। তারা হচ্ছে হেফাজতিদের দাস। তা না হলে আসামি যারা রয়েছে এখনো গ্রেপ্তার হয়নি কেন ? কারণ তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, এই মন্ত্রী, সেই মন্ত্রীর লুঙ্গির নিচে থেকে ঘুড়ে বেড়ায়। আমি যা বললাম প্রকাশ্যে বলছি, কেউ আইসা আমাকে চ্যালেঞ্জ করুক, আমি মিথ্যা বলছি’।
তিনি আরো বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছয়জন এমপি আছেন, মহিলা এমপি আছেন কয়েকজন। একজন এমপি, মন্ত্রীরও হেফাজতের নিন্দা প্রকাশ পায়নি। তাই আমি একজন ব্যর্থ এমপি ও একজন ব্যার্থ আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে বিদায় নেব। হেফাজতিরা এসে সবকিছু পুড়িয়ে দিল, আপনার কেউ কোনো কথা বললেন না। শেখ মুজিবুর রহমানের জন্য সবাই জীবন দিতে প্রস্তুত, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে ভেঙেছে আপনি কী করেছেন বা আমি কী করেছি ! তাই হৈ হৈ রৈ রৈ করে কোনো লাভ নাই’।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে জাতীয় শ্রমিকলীগ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলাউদ্দিন আলালের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, সহসভাপতি মুজিবুর রহমান বাবুল, শ্রম সম্পাদক শেখ মো. মহসিন, জেলা শ্রমিকলীগ সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক চৌধুরী, শ্রমিক নেতা বারীন্দ্রনাথ ঘোষ, আশরাফ খান আশা, জিল্লু মিয়া।
