বঙ্গবন্ধু সেতুর দুই প্রান্তে ৩৫ কিমি যানজট

চলছে নকলা সেতু সংস্কার কাজ, নেই বিকল্প রাস্তা

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২১, ০১:৫৬ এএম

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নকলা সেতু সংস্কার ও মহাসড়কের উন্নয়নকাজ চলমান থাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম প্রান্ত হাটিকুমরুল থেকে পূর্ব প্রান্ত টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ৩৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এ যানজট তৈরি হয়। এ ঘটনায় সেতুর পূর্ব প্রান্তের টোলপ্লাজায় প্রায় চার ঘণ্টা টোল আদায় বন্ধ ছিল। এতে সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়েন রুটটিতে চলাচলকারী প্রায় ১০ হাজার সাধারণ যাত্রী। এ ছাড়া লোকসানের মুখে পড়েন ঢাকাগামী কাঁচামাল ব্যবসায়ীরাও। পরে সকাল ৯টার পর টোল আদায় শুরু হলে ধীর গতিতে যান চলাচল শুরু হয়।

গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মহাসড়কে যানজটের কারণে উত্তরবঙ্গের অসংখ্য যান সিরাজগঞ্জ শহরের ভেতর দিয়ে মুলিবাড়ি হয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুতে ওঠার ফলে ফলে শহরের নিউ ঢাকা সড়ক, এম এ মতিন সড়ক ও সিরাজগঞ্জ-চান্দাইকোনা আঞ্চলিক সড়কেও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। শুধু তা-ই নয়, পাবনা, কুষ্টিয়া ও যশোরগামী যানগুলো সয়দাবাদ হয়ে বেলকুচি, এনায়েতপুর ও শাহজাদপুর শহরের ভেতর দিয়ে চলাচল করার ফলে এসব এলাকার সব সড়কেও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় গতকাল ভোররাত থেকে দফায় দফায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বন্ধ রাখে সেতু কর্র্তৃপক্ষ। অন্যদিকে সারা রাত মহাসড়কেই নির্ঘুম রাত কেটেছে উত্তরবঙ্গগামী হাজার হাজার যাত্রীদের।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সালেকুজ্জামান সালেক বলেন, ‘নকলা সেতু, এর দুই পাশের সংযোগ সড়ক এবং আশপাশের সড়কের খানাকন্দ ও ভাঙা অংশে সংস্কারকাজ চলছে। ফলে একটি লেন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এ কারণে দুদিন ধরে যানজটের কবলে রয়েছে মহাসড়ক। তবে এরই মধ্যে নকলা সেতুর ঝুঁকিপূর্ণ অংশের কাজ শেষ হওয়ায় এ অচলাবস্থার অবসান ঘটতে শুরু করেছে।

সিরাজগঞ্জ সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দিদারুল আলম তরফদার জানান, নকলা সেতুর মাঝামাঝি পশ্চিমাংশের ছাদের ওপর বেশ কিছু গর্ত পাওয়া গেছে। যে কারণে এসব স্থানে স্টিলের পাটাতন দিয়ে সেতুর সংস্কারকাজ করতে একটু বেশি সময় লাগছে। সেতুটির সংস্কারকাজ শেষ করে আশপাশের খানাখন্দ মেরামত করতে আরও দু-তিন দিন সময় লাগতে পারে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত