পাবনার ঈশ্বরদীতে বিদ্যুৎ বিভাগের (নেসকো) এক উপসহকারী প্রকৌশলীর মোটরসাইকেল আটক ও জরিমানা করায় ঈশ্বরদীর ট্রাফিক পুলিশ অফিসের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে নেসকো। পুলিশ বলছে, মোটরসাইকেলের কোনো কাগজ এবং আরোহীর হেলমেট না থাকায় জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদিকে নেসকোর কর্মকর্তারা বলছেন, ট্রাফিক অফিসের বিল বকেয়া থাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।
গত বুধবার সন্ধ্যায় ঈশ্বরদীর পোস্ট অফিস মোড়ে নেসকো প্রকৌশলী রাসেল মিঞার মোটরসাইকেল আটক করে জরিমানা করে পুলিশ। এর ৩০ মিনিটের মধ্যেই ট্রাফিক অফিসের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
এ ব্যাপারে পুলিশের ট্রাফিক সার্জেন্ট আজিজুল ইসলাম জানান, পোস্ট অফিস মোড়ে বুধবার বিকেল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন চেকিং চলছিল। এ সময় রাজ: মেট্রো-হ-১১-৮২১২ নম্বর প্লেটের একটি হিরো মোটরসাইকেল আটক করে কাগজপত্র চাওয়া হয়। মোটরসাইকেলের কোনো কাগজ এবং আরোহীর হেলমেট না থাকায় বিধি মোতাবেক ৩ হাজার টাকা জরিমানা এবং মোটরসাইকেলটি আটক করা হয়।
নেসকোর ঈশ্বরদীর নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল নূর তার অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী রাসেল মিঞার মোটরসাইকেল আটকের ঘটনা স্বীকার করে বলেন, যাদের বিল বকেয়া আছে, তাদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। মোটরসাইকেল জরিমানার ঘটনার সঙ্গে ট্রাফিক অফিসের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে ঈশ^রদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির জানান, বিদ্যুৎ বিলের টাকা সরকারি কোষাগার থেকে পরিশোধ করা হয়। অর্থ বরাদ্দ আসার পর জরিমানা দিয়েই পরিশোধ করা হয়ে থাকে। ইতিপূর্বেও একইভাবে বিল পরিশোধ করা হয়েছে। জরুরি গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ বিভাগের একটি অফিসে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করার ঘটনা অনাকাক্সিক্ষত ও অনভিপ্রেত।
