বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব হাসান আজিজুল হক অনন্তের পথে যাত্রা করেছেন ১৫ নভেম্বর ২০২১। স্যার অসুস্থ ছিলেন। জেনেছিলাম স্যারের ছেলে ইমতিয়াজ হাসান মৌলির ফেইসবুক নোট থেকে। তারপর ঢাকায় চিকিৎসাশেষে ফিরে গেছেন রাজশাহী। তবু প্রস্তুত ছিলাম না এমন খবরের জন্য। হাসান আজিজুল হক বিশ্বমানের সাহিত্যিক, লিখেছেন বাংলায়। এখনকার বাংলায় সাহিত্যচর্চাকারীদের মতো ইংরেজি অনুবাদকারীদের প্রতি তোষামোদ, আন্তর্জাতিক মহলে ঢোকার বাসনায়, প্রয়োজন হয়নি হাসান আজিজুল হকের। তিনি বাংলা ভাষায় লিখেছেন শুধু নন, লিখেছেন অন্ত্যজ মানুষের মুখের ভাষায়। দাপটের সঙ্গে। তার লেখার বিস্তার ও গভীরতা, ভাষা এবং উপস্থাপনের স্মার্টনেস বিষয়ে সম্যকভাবে লেখার এলেম আমার অনায়ত্ত। লিখবেন অনেকেই, যাদের আছে সেই প্রস্তুতি এবং সাহস। আমি বরং ব্যক্তি হাসান স্যারকে যেমন দেখেছি, তা নিয়েই কিছু কথা বলি। স্মৃতি ফিরে আসুক, স্মৃতি সহায় হোক আমার।
রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, বিভূতি, তারাশংকর, মানিকের মতোই হাসান আজিজুল হক আমাদের বাসায় পরিচিত নাম, সেই শৈশব থেকে। আমার বড় ভাই স্বপন কুমার গায়েনের সংগ্রহে দেখেছি ‘আত্মজা ও একটি করবীগাছ’, ‘সমুদ্রের স্বপ্ন শীতের অরণ্য’, ‘জীবন ঘষে আগুন’ আরও থাকতে পারে, কিন্তু এই তিনের কথা মনে আছে। বইয়ের আলমারি থেকে বইয়ের ধুলো ঝেড়ে গুছিয়ে রাখতে রাখতেই এসব নামের সঙ্গে পরিচয়। ঠিক সপ্তম শ্রেণিতে যখন আমি, তখন সম্ভবত ইদসংখ্যা সচিত্র সন্ধানীতে পড়েছিলাম ‘পাতালে হাসপাতালে’, এবং একই রকম সময়ে পড়েছি ‘সমুখে শান্তি পারাবার’। এসব সময়েই তাকে দেখতে থাকি পত্রিকার পাতায়, বাংলাদেশ লেখক শিবিরের সেমিনারের ছবিতে, প্রগতিশীল সাহিত্য আন্দোলনের খবরে। এবং স্কুলে থাকতেই তার বইয়ের সঙ্গেও পরিচয় হয়ে গেছে। ওই বয়সে ‘শকুন’ এবং ‘গুনিন’ (সমুদ্রের স্বপ্ন শীতের অরণ্য) ভীষণ আলোড়িত করেছিল। লেখার সঙ্গে পরিচয় কৈশোরে হলেও ব্যক্তিগতভাবে পরিচয় হতে সময় লেগেছে আরও কিছু বছর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাঠ চুকিয়ে রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ে চাকরি করতে গিয়েই কেবল দেখা মিলেছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে তখন বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত সাদা দল ক্ষমতায়। তবে অন্যান্য বিশ^বিদ্যালয়ের তুলনায় এখানকার পরিস্থিতি একটু ভিন্ন ছিল। বিশ^বিদ্যালয় পরিসরের বুদ্ধিবৃত্তিক এলিট কিন্তু তখনো বাম-আওয়ামী লীগ সমর্থিত রবীন্দ্র গ্রুপ। এঁদের মধ্যে আবার ক্রিম ডে লা ক্রিম ছিলেন বাম ধারার শিক্ষক হিসেবে পরিচিত হাসান আজিজুল হক, সনৎ কুমার সাহা, জুলফিকার মতিন, শহীদুল ইসলাম, শিশির ভট্টাচার্য এবং আরও কয়েকজন। দুপুর দুটো নাগাদ ক্যাম্পাস সুনসান হয়ে যায়। আমি জুবেরীবাসী। জুবেরীর মাঠে কুয়াশা নামার ঠিক আগে আগে এসব প্রথিতযশা শিক্ষক মাফলারে মাথা ঢেকে, সোয়েটারের ওপরে শাল কিংবা খদ্দরের চাদর চাপিয়ে জুবেরীর গোলচত্বরে আড্ডা দিতে আসেন। আমরা ছাদ থেকে দেখি কে কে আছেন সেই আড্ডায়। আড্ডার শিরোমণি অবশ্যই হাসান স্যার, যদি তিনি উপস্থিত থাকেন। এরই মধ্যে সনৎ স্যার, জুলফিকার মতিন স্যারসহ অনেকের সঙ্গেই পরিচয় হলেও হাসান স্যারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগটা হচ্ছিল না। শিবিরের হাতে ছাত্রমৈত্রী নেতা রুপম ভট্টাচার্য খুন হলে বিশ^বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গেল। এর দু-তিন মাস পর ফিরেছি ক্যাম্পাসে। এপ্রিল-মে-জুন রাজশাহী জ¦লতে থাকে গরমে। এমনই এক দারুণ দাবদাহের দিনে খানিকটা কাছে থেকে দেখার সুযোগ হলো স্যারকে। রাজশাহীর মে মাসের গরমে, যেখানে প্যারিস রোড বাঁক নিয়েছে পশ্চিমপাড়ার দিকে, এবং যেখানে বিশাল এক কৃষ্ণচূড়াগাছ ফুলের ভারে নত হয়ে থমকে আছে, নিচে জমেছে ঘাসের সাদা ফুল সবুজ জমিনে, বাতাসে অল্প ধুলোর ঘ্রাণ সেই রাস্তায় সদ্য বিকেলে টকটকে লাল শার্ট পরা একজন তরুণ সাইকেল চালিয়ে প্যারিস রোডের ওপর উঠে এলেন। এমন স্মার্ট তরুণ আর দেখিনি, যদিও তিনি তখন অবসরে যাওয়ার প্রায় কাছাকাছি। সেই ছবি স্থির হয়ে আছে স্মৃতিতে।
খুব দ্রুতই স্যারের সঙ্গে পরিচয় হলো কোনো এক আলোচনা সভায়। তিনি নিজেই বললেন, সনৎ আর নাসেরের (পরিসংখ্যানের অকালপ্রয়াত অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসের) কাছে শুনেছি তোমার কথা, তুমি বাসায় এসো। এরই মধ্যে স্যারের মেজো মেয়ে শবনম হাসান সুমনের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়ে গেছে। সুমন আমার ব্যাচমেট। সেই যাতায়াত শুরু হলো স্যারের বাসায় শুচি আপা, সুমন, মৌলি, তোতন এবং খালাম্মার বাসায়। মুড়িমাখা আর আদা চায়ের সঙ্গে গল্পে ঢুকে গিয়ে গভীর রাত হয়ে গেছে কত দিন! এবং, লেখক হাসান আজিজুল হক না কি কথক হাসান আজিজুল হকের আমি বেশি গুণগ্রাহী সেই বিষয়ের ফয়সালা করে উঠতে পারিনি আজও। ভাষা-সাহিত্য-দর্শন-রাজনীতি-দেশভাগ-বিশ্ববিদ্যালয়-মানুষ কী থাকত না সেই আড্ডায়!
ক্যাম্পাসের প্রগতিশীল শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আশ্রয় এবং প্রধান বক্তা দুই-ই হাসান স্যার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমরা কয়েকজন গিয়ে সেখানে সাম্যবাদী চিন্তা ও চর্চাকেন্দ্র খুলেছি। সেই চর্চাকেন্দ্রে কে পড়াবেন? দর্শন পড়ি আমরা স্যারের কাছে ঠিক দুপুরের পরপর। তিনি পড়ান আমাদের ইউরোপীয় দর্শন। দমবন্ধ করে শুনি, পাছে একটা শব্দও বাদ পড়ে যায়! পড়ি সক্রেটিস, স্যারের সব লেখার মধ্যে আমার সবচেয়ে প্রিয়। কী নির্মেদ লেখা! দর্শন নিয়ে পড়তে গিয়ে ঘুরে আসি প্রাচীন সভ্যতা, সংস্কৃতি, নৈতিকতা, রাজনীতি আর প্রতিবাদের ইতিহাস-ভূগোল-রাজনৈতিক অর্থনীতি। স্যার আসেন রেটোরিক-এ। আমার বিভাগের শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের বিতর্ক চর্চাকেন্দ্রে। স্যার বলেন বাচিক শক্তির কথা ‘বাগের শক্তি বাঘের চেয়ে বেশি’। সাম্যবাদী চিন্তা ও চর্চাকেন্দ্র থেকে কমিউনিস্ট ইশতেহার প্রকাশের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দুদিনব্যাপী অনুষ্ঠান হলো। স্যার আছেন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। ঘণ্টার পর ঘণ্টা আলোচনা করেন। ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রমৈত্রী, ছাত্রফ্রন্ট, ছাত্র ফেডারেশন, কমিউনিস্ট পার্টি, উদীচী, নারী প্রগতি স্যারই অনিবার্য বক্তা। সেসব বক্তৃতায় শুধু যে সাম্য-মৈত্রী-মানবমুক্তির কথা থাকে, তা তো নয়, থাকে হিউমারও। একটা উদাহরণ দিই। প্রগতিশীল কোনো ব্যানারে একবার স্যারের সঙ্গে আমিও বক্তা। শাবাশ বাংলাদেশ চত্বরে। খানিক আগে বৃষ্টি হয়ে গেছে। লোকজন তেমন এসে পৌঁছাতে পারেনি। স্যার বললেন, ‘কাবেরী, আলোচনা আজ তৃণমূলেই যাবে।’ মানে হলো মাঠের ঘাস ছাড়া শোনার মানুষ নেই। স্যারের সঙ্গে একবার মঞ্চনাটক করলাম। বিশ^বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে। স্যার মূল চরিত্র। নাটকের শুরুর দিকের এক দৃশ্যে স্যার ডায়ালগ ভুলে গেছেন, এবং নিজের ভাষায় ডায়ালগ বানিয়ে বলে এসেছেন। উইংয়ের এপারে আসতেই আমরা ছেঁকে ধরলাম। স্যার বললেন, এই কথা? ফের ঢুকে বলে দিয়ে এলেন কিছু যেন সবাই সেই আগের সিনে ফিরে যেতে পারে। স্যার আপাদমস্তক তাত্ত্বিক একজন মানুষ, প্রখর মেধাবী। কিন্তু না কপচিয়ে সেসব তত্ত্ব তিনি সাহিত্যে রূপান্তর করেছেন, বাকিটা বলে গেছেন জনপরিসরে কিংবা ব্যক্তিগত আড্ডায়। তত্ত্বকথার অনায়ত্ত কচকচানি বিষয়ে স্যারের মৃদু দুষ্টুমি বরাবর খেয়াল করেছি। একবার বাংলাদেশের একজন বিদগ্ধ ব্যক্তির ততোধিক বিদগ্ধ শব্দচয়ন বিষয়ে বললেন, ‘ওর কথা বুঝতে হলে আগের রাতে শব্দগুলো ভিজোয় রাখতে হবে।’ এমনই প্রাণখোলা উইট ছিল স্যারের। স্যার সবচেয়ে আবেগাপ্লুত হতেন দেশবিভাগ নিয়ে আলোচনায়। এপার বাংলা থেকে যেসব সাহিত্যিক-শিল্পী-চলচ্চিত্রকার ওপার বাংলায় গিয়ে দেশভাগের যন্ত্রণা নিয়ে লিখেছেন, চলচ্চিত্র বানিয়েছেন তাদের কথা আমরা কিছুটা জানি। ওপার বাংলা থেকে যারা এসেছেন, তাদের অসহায়ত্ব এবং স্বপ্নভঙ্গ হাসান স্যারের লেখায় যতটা পাওয়া যায় এমন আর দেখি না। সা’দাত হাসান মান্টো, ঋত্বিক ঘটক আর হাসান আজিজুল হকের বেদনা তাদের সৃষ্টির পরতে পরতে। তবে হাসান স্যারের বিশেষত্ব হলো তিনি দুপক্ষের বেদনা দেখে দেশভাগের যন্ত্রণার সাধারণীকরণ করতে পেরেছেন। দেশভাগ নিয়ে নিজের লেখা গল্প বিষয়ে কথা বলার সময়েও তার চোখের কাচে উজ্জ্বল বাষ্প দেখেছি। আগুনপাখি উপন্যাসে ভূমিলগ্ন নারী যিনি আজীবন বেঁচেছেন অন্যের কথা মেনে, তিনিও প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন, ‘একই দ্যাশ, একই রকম মানুষ, একই রকম কথা, শুধু ধম্মো আলেদা, সেই লেগে একটি দ্যাশ একটানা যেতে যেতে একটো জায়গা থেকে অলেদা আর অ্যাকটো দ্যাশ হয়ে গেল, ই কি কুনোদিন হয়? এক লাগোয়া মাটি, ইদিকে একটি আমগাছ, একটি তালগাছ, উদিকেও তেমন একটি আমগাছ, একটি তালগাছ! তারা দুটো আলেদা দ্যাশের হয়ে গেল?’
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক রাজনীতিতে ছিলেন। কোনো পদ-পদবির কথা জানি না। বরং শিক্ষক সমিতির এক সভায়, কিছু অপরাধ করা একজন শিক্ষক নেতাকে ধরা হলে তিনি যখন মিনমিনে গলায় বলছেন, ‘আমরা কেউ-ই তো ধোয়া তুলসী পাতা না’, স্যার পেছনের দিকে বসা ছিলেন, ওখান থেকেই বললেন, ‘এই যে, আমি, আমি ধোয়া তুলসী পাতা।’ বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক কেমন হতে হয়, তাকে দেখে, সনৎ স্যারকে দেখে বুঝতাম। তিনিই ছিলেন তার সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রেটিস।
২০০০ সালে আমি পড়তে যাব দেশের বাইরে। সাম্যবাদী চিন্তা ও চর্চাকেন্দ্রের আয়োজনে সেমিনার পেপার পড়ছি, এবং এখানেই আমার বন্ধুরা আমাকে বিদায় দেবেন। ভীষণ বৃষ্টি কয়েক দিন ধরে। স্যার ক্যাম্পাস থেকে বিহাস চলে যাচ্ছেন, নতুন আবাসে। আমরা ভাবতেই পারিনি স্যার আসবেন। বৃষ্টিতে ভিজে এলেন স্যার, থাকলেন অনুষ্ঠান জুড়ে। এরপর সেভাবে আর আড্ডা দেওয়া হয়নি। ২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে রাজশাহী এবং ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী কারাবন্দি। রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাস থমথমে। শিক্ষকরা কেউ বাড়ির জানালার পাল্লা খোলেন না, এমনকি এক শিক্ষক নেতার বাড়িতে গেলাম কিছু করা যায় কি না আলাপ করতে, তিনি বললেন, ‘ওপর থেকে সিগন্যাল না এলে কীভাবে কী করি!’ পরে হাসান স্যারের বাসায় গেলাম বিহাসে। পরদিনই স্যারের বাসায় মিটিং হলো। মাত্র পাঁচ/ছয়জন। হাসান স্যার, সনৎ স্যার, পরিসংখ্যানের অধ্যাপক (প্রয়াত) মোহাম্মদ নাসের, দর্শনের অধ্যাপক আবু বকর এবং সেই সময়ের শিক্ষক সমিতির একজন নেতাকে বলতে গেলে ধরে নিয়ে আসতে হলো এবং কয়েক মিনিট পরে তার স্ত্রী তাকে ফোন দিলে তিনি চলে গেলেন। বেশ দশাসই অবয়বের সেই শিক্ষক নেতার ভয় দেখেও কিছু হাসাহাসি করেছিলাম আমরা।
‘জীবন ঘষে আগুন’ জ¦ালানো এমন শিক্ষক পৃথিবী হঠাৎ হঠাৎ পায়। যে স্বপ্ন নিয়ে রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেছিলেন তারুণ্যে, অস্ত্র করেছেন সাহিত্য, সেই পৃথিবী দেখে যেতে পারেননি। কিন্তু, একটি বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্ন দেখে এবং দেখিয়ে গেছেন শেষতক। সমাজতন্ত্রের পতন হলেই মার্কসবাদের ব্যর্থতা প্রমাণিত হয় না, বলেছেন বহুবার। তার লেখা এবং কথনে প্রশ্ন করা, স্বপ্ন দেখানো এবং পথ খুঁজে নেওয়া শেখানোর মধ্য দিয়ে তিনি শিক্ষক হয়ে উঠেছেন অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের। তার সাহিত্য বাংলা ভাষার অক্ষয় সম্পদ। এমন সাহিত্যিক এবং শিক্ষকের প্রয়াণে হাহাকার করার মতো শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারিনি আমরা জাতি হিসেবে।
জাগতিক পাতাল-হাসপাতাল থেকে আমাদের আগুনপাখির ছুটি হয়েছে। সমাহিত হয়েছেন বিশ^বিদ্যালয় লাইব্রেরির সামনে ‘সমুখে শান্তি পারাবার’। আর আমি ফের খুলেছি ‘১৯৭১ : করতলে ছিন্ন মাথা’।
লেখক অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
