ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় বিভিন্ন দেশে অনেক রাজনীতিক ও মন্ত্রী কেলেঙ্কারির কাদা গায়ে মেখেছেন। ফলে তাদের ছাড়তে হয়েছে ক্ষমতার কুরসি। বেফাঁস মন্তব্য ও কেলেঙ্কারির জের ধরে মন্ত্রীদের পদত্যাগের ঘটনা নিয়ে লিখেছেন মুমিতুল মিম্মা
যুক্তরাজ্য
১৯৬০ সাল। তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হ্যারল্ড ম্যাকমিলান জন ডেনিস প্রফুমোকে যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। যুদ্ধমন্ত্রী হিসেবে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। একজন জুনিয়র এমপি হিসেবে জন ডেনিস প্রফুমো বেশ ভালো করছিলেন। ফলে ভবিষ্যতের জন্য তিনি যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন। ব্যক্তিজীবনে বিয়ে করেন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ভ্যালেরি হবসনকে।
১৯৬১ সালের জুলাই মাসে ডাক্তার স্টিফেন ওয়ার্ডের অতিথি হিসেবে এক পার্টিতে আমন্ত্রিত হন। যে বাসায় পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল সেটি ছিল লর্ড অ্যাস্টরের কাছ থেকে ভাড়া নেওয়া। সেখানে ১৯ বছর বয়সী ক্রিস্টিন কিলারের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। সুইমিং পুলের কাছে হিমশিম খাচ্ছিলেন ক্রিস্টিন। চেহারায় কিশোরী বয়সের ছাপ মুছে যায়নি। বয়সের সারল্যে মুগ্ধ হন জন ডেনিস।
ক্রিস্টিন পেশায় নাইট ক্লাবের শোগার্ল হিসেবে কাজ করতেন। পরিচয়ের শুরু থেকেই বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ক্রিস্টিনকে ব্যবহারের পরিকল্পনা করেন ডাক্তার স্টিফেন ওয়ার্ড। ক্রিস্টিন ও ডাক্তার স্টিফেনের মধ্যে কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। কিন্তু তারা একসঙ্গে থাকতেন। লন্ডনের যে ফ্ল্যাটে তারা থাকতেন সেটিও ছিল ডাক্তার স্টিফেনের কেনা। ডাক্তার স্টিফেন সমাজের উঁচুতলায় বাস করেন। উঁচুতলার লোকদের সঙ্গে নিত্য ওঠাবসা তার। পেশা ও বয়স অনুযায়ী ক্রিস্টিনকে একটি অদ্ভুত প্রস্তাব দেন তিনি। ধনী বন্ধুদের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে উৎসাহিত করেন। তার প্রস্তাবে সাড়া দেন ক্রিস্টিন। এক বা একাধিক অনুষ্ঠানে ক্রিস্টিন টাকার বিনিময়ে বেশ কজনের শয্যাসঙ্গী হয়েছিলেন। ডাক্তার স্টিফেন তার বন্ধু ইভানভের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন তাকে। ইভানভ ছিলেন সোভিয়েত কূটনৈতিক মহলের একজন। এরপর সোভিয়েত এই কূটনৈতিকের সঙ্গেও বেশ কয়েকবার দেখা যায় তাকে।
প্রফুমোর সঙ্গে পরিচয়ের কয়েক সপ্তাহ পর ক্রিস্টিন তার সঙ্গেও জড়িয়ে পড়েন। তবে কূটনৈতিক মহলের কেউ ক্রিস্টিনকে টাকার বিনিময়ে যৌনসঙ্গী করেছে এমন প্রমাণ মেলে না। শুধুু একবার প্রফুমো ক্রিস্টিনের মায়ের জন্মদিনের উপহার কেনার জন্য ক্রিস্টিনকে টাকা দিয়েছিলেন।
তীব্র প্রেমের মাত্র কয়েক মাস পেরিয়েছে। ১৯৬১ সালের দিকে ক্রিস্টিনের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙ্গে দেন জন ডেনিস প্রফুমো। ১৯৬৩ সালের শুরুর দিকে ক্রিস্টিন কিলারের জীবনের একটি ঘটনা তাকে আলোচনায় এনে দেয়। ক্রিস্টিনের সাবেক প্রেমিকদের একজন ছিলেন জনি এজকম্ব। পেশায় গাঁজা ব্যবসায়ী। এক দিন ক্রিস্টিনের জন্য ডাক্তার ওয়ার্ডের বাসায় গিয়ে হাজির হন জনি। ক্রিস্টিন তাকে ভেতরে ঢুকতে না দিলে তিনি বাড়ির বাইরে গুলি করেন। তৎকালীন সংবাদমাধ্যমে এ ঘটনা ও বিচারিক কার্যক্রমকে যথেষ্ট কাভারেজ দেয়। কিছুদিনের মধ্যেই প্রফুমোর সঙ্গে ক্রিস্টিনের সাবেক প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি সবার মুখে-মুখে ছড়িয়ে পড়ে। সাংবাদিকদের খোঁজাখুঁজির ফলে বেরিয়ে আসে, ক্রিস্টিন যে একই সঙ্গে প্রফুমো ও ইভানভের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিষয়টিকে খুব স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। ফলে নিরাপত্তার সংকটসহ নানান কারণে আলোচনার তুঙ্গে উঠে আসে প্রফুমো ক্রিস্টিনের সাবেক প্রেম।
১৯৬৩ সালে এমপি জর্জ উইগ হাউজ অব কমন্সে বিষয়টি উপস্থাপন করেন। এক প্রশ্নে সংসদ সদস্যকে তার অনৈতিকতার খবরকে গুজব হিসেবে স্বীকার করা অথবা আসল ঘটনা খুলে বলার ব্যাপারে চাপ দেওয়া হয়। উইগ একই সঙ্গে দাবি করেন, প্রফুমো বা সরকারকে বিব্রত করা তার উদ্দেশ্য নয়। ইভানভ বা সোভিয়েত রাশিয়ার সংযোগটি বিষয়টিকে জাতীয় নিরাপত্তা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ওদিকে ব্রিটিশ গোয়েন্দারা বিষয়টি নিয়ে আগে থেকেই তৎপর ছিলেন। তারা ইতিমধ্যেই জেনে গেছে প্রফুমো জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করেননি। এটি নিছক ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। আর ইভানভও গুপ্তচর নন। তা সত্ত্বেও সংসদ প্রফুমোর ওপর অনাস্থা জারি অব্যাহত রাখা হয়। ফলে বিবৃতি দেওয়া ছাড়া ভিন্ন উপায় ছিল না প্রফুমোর। তিনি দৃঢ়ভাবে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ‘মিস কিলারের সঙ্গে আমার সম্পর্কে কোনো অসংগতি ছিল না। যদি হাউজের বাইরেও আমার বিরুদ্ধে কলঙ্কজনক অভিযোগ করা হয় তাহলে আমি মানহানি ও অপবাদের জন্য আইনের দ্বারস্থ হতেও দ্বিধা করব না।’ প্রফুমোর দৃঢ়তার সামনে কয়েক সপ্তাহের জন্য সমস্ত কেলেঙ্কারির খবর মøান হয়ে যায়। কিন্তু ঘটনা যেন থামছেই না।
ডাক্তার স্টিফেন ওয়ার্ড লন্ডনে কিলার ও অন্যান্য নারীকে কারও সঙ্গে বিশেষ সম্পর্কে যেতে বাধ্য করার অপরাধে বিচারের মুখোমুখি হন। অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর সেই বিচারে, আদালতের সামনে ক্রিস্টিন কিলার প্রফুমোর সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়টিকে স্বীকার করে নেন। ফলে ঘটনা নতুন দিকে মোড় নেয়। সংসদের সবাই নিশ্চিত হন, প্রফুমো সংসদে মিথ্যাচার করেছেন।
স্ত্রীর সঙ্গে ছুটি কাটিয়ে বাড়ি ফিরে আসার পর প্রফুমো সংসদের রক্ষণশীল নেতাদের সামনে স্বীকার করে নেন, হাউজ অব কমন্সে তার দেওয়া বিবৃতিটি অসত্য ছিল। এরপর যুদ্ধমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী ম্যাকমিলান প্রফুমোর এই কাজের জন্য ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছিলেন। তাই প্রফুমোর পদত্যাগের মধ্য দিয়েই ঘটনা থেমে থাকেনি। সংবাদপত্র ও সংসদের চাপের মুখে প্রফুমো পদত্যাগের চার মাসের মধ্যে তিনিও পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
ফ্রান্স
১৯৯৫ সালে ফ্রান্সের দক্ষিণভাগের ছোট শহর ড্রাভিলের মেয়র নির্বাচিত হন জর্জেস ট্রন। শহরের জনসংখ্যা মাত্র ৩০ হাজার। এ শহরে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে টানা ২৫ বছর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ট্রন। অভিযোগ ওঠে, মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ট্রন ২০০৭ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে প্যারিসের দক্ষিণ ড্রেভিলের টাউন হলে কাজ করার সময় দুই নারীকে লাঞ্ছিত করেছিলেন। সে সময় মেয়র হিসেবে কাজ করতেন জর্জেস ট্রন। তার অধীনে কাজ করা এক নারীকে পায়ে মাসাজ করার প্রস্তাব দেন। শুরুতে ওই নারী ভেবেছিলেন মেয়র হয়তো দুষ্টুমি করছেন। তিনি খুব স্বাভাবিকভাবে নেন বিষয়টিকে। এরপর শুরু হয় মেয়রের অনৈতিক প্রস্তাব। স্বাভাবিক কথাবার্তা থেকে বিষয়টি যৌন নিপীড়নের দিকে মোড় নেয়। পাশাপাশি আরেক নারী ট্রনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন। বহু আগেই সে ঘটনা আদালতে গড়ায়। আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থাতেই সাড়ম্বরে নিজের রাজনৈতিক জীবন চালিয়ে যান এই মন্ত্রী। বহু বছরের রাজনৈতিক জীবনে মেয়র থেকে দেশের মন্ত্রী নির্বাচিত হন। কিন্তু নারী ইস্যুতে জনমনে ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হতে থাকে।
আদালতে চলা মামলা ট্রনের রাজনৈতিক জীবনে কোনো বাধা সৃষ্টি করতে পারেনি। কারণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত রায়ে অভিযোগ প্রমাণের আগ পর্যন্ত প্রতিটি ব্যক্তিই নির্দোষ। এমনকি প্রভাব ফেলতে পারেনি তার ব্যক্তিগত জীবনেও। পূর্ণ মেয়াদে মেয়র হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করে গেছেন তিনি। চলমান আপিলের কারণে তৎকালীন স্থানীয় সরকারও তাকে পদ থেকে অপসারণ করতে পারেনি। এদিকে বিচারিক কাজের জন্য কারাগারে পাঠানো হয় তাকে। সেখান থেকেই মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে গেছেন তিনি। জনগণ এ কার্যক্রম মেনে নেয়নি। শহরের স্থানে স্থানে বিক্ষুব্ধ জনতা জড়ো হয়। মেয়র পদ থেকে ট্রনকে অপসারণের দাবি জানান তারা। বাধ্য হয়ে ট্রনের পক্ষে মুখ খুলতে হয় তার ডেপুটি রিচার্ড প্রাইভেটের। জনগণকে বুঝিয়ে বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত প্রমাণ না পাওয়া যায় ততক্ষণ পর্যন্ত মেয়র পদ থেকে কেউ তাকে সরাতে পারবে না।’ কিন্তু নেতা যখন তার রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করেন এবং তার চারপাশের দাবিকে উপেক্ষা করে যান, সেটি একই সঙ্গে জনগণ ও রাজনীতির সামগ্রিক ব্যর্থতা। তার বিরুদ্ধে অনলাইনে পিটিশনে স্বাক্ষর করা হয়। তাতেও মন্ত্রী পরিষদে কোনো নড়চড় নেই।
এরই মধ্যে ফরাসি সিভিল সার্ভিস মন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন জর্জেস ট্রন। প্রাথমিক পর্যায়ে ষড়যন্ত্র বলে উড়িয়ে দিতে চাইলেও আদালতের বিচারে দোষী সাব্যস্ত হন ট্রন। শুরু থেকেই মন্ত্রিপরিষদের সবাই তার প্রতি সমব্যথী ছিলেন। ফলে তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার বিষয়ে গড়িমসি করছিল পরিষদের সবাই।
প্রাথমিক বিচারে ট্রনকে নির্দোষ ঘোষণা করেছিল আদালত। এ বছর ফেব্রুয়ারিতে সে মামলার বিচারকাজ আবার শুরু হয়। এক দশক আগে শুরু হওয়া মামলা আবার পুনরুজ্জীবিত হয়। এবারের রায়ে তাকে পাঁচ বছরের জন্য সাজা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ছয় বছরের জন্য সরকারি পদ থেকে নিষিদ্ধ করা হয় তাকে। এদিকে রায়ের আদেশ আসতেই মন্ত্রিপরিষদ নড়েচড়ে বসে। ‘সরকারি মন্ত্রীদের সব সন্দেহের ঊর্ধ্বে থাকতে হবে’ মর্মে পদত্যাগের কথা বিবেচনা করতে বলা হয় তাকে। কেলেঙ্কারি মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন জর্জেস ট্রন।
ভারত
২০১৮ সাল। সারা বিশ্বে তখন মিটুর জোয়ার। একসময়ের দাপুটে সাংবাদিক এম জে আকবর। ভারতে মিটু অভিযোগের তীর তার দিকে আসতেই এম জে আকবর প্রথমে তা অস্বীকার করেন। কিন্তু স্বীকার অস্বীকারে তো মিটু আন্দোলনের কিছু যায় আসে না। এম জে আকবরের বিরুদ্ধে প্রথম যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনে সাংবাদিক প্রিয়া রামানি। একে একে প্রায় ২০ জন নারী এম জে আকবরের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছিলেন।
এদিকে সাংবাদিক প্রিয়া রামানির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করে বসেন এম জে আকবর। দিল্লির কোর্টে ভারতীয় দণ্ডবিধি ৪৯৯ (মানহানি) ধারা ও ৫০০ (মানহানির শাস্তি) ধারায় এই মামলা করা হয়। ৯৭ জন আইনজীবীর একটি দল মাঠে নামিয়েছিলেন আকবর। সেখানে নারী আইনজীবী ছিলেন ৩০ জন।
গণরোষ চরমে উঠলে আকবরের পদত্যাগ দাবি করে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লেখেন নারী সাংবাদিকরা। তাদের ভাষায়, ক্ষমতাশীলরা মানহানির মামলা করে কণ্ঠরোধের চেষ্টা করে থাকেন। আদালতের বিচারিক চক্করে ফেলে নারীর মুখ বন্ধ করার প্রয়াস ছাড়া আর কিছু নয় এটি। এদিকে মানহানি মামলা দেখে প্রিয়া রামানির পাশে এসে দাঁড়ান আরও ২০ জন নারী সাংবাদিক। সবাই প্রিয়ার সাবেক সহকর্মী। একই হাউজ দ্য এশিয়ান এইজে কাজ করেছেন তারা। আকবরের বিরুদ্ধে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন তারা। তারা অভিযোগ করেন প্রিয়া একা নন, যৌন হেনস্তার তালিকায় আমরাও আছি। আর বাকিরা তার সাক্ষী।
প্রিয়া মুখ খুলতেই আরও একজন নারী সাংবাদিক তুষিতা পাতিল যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনেন এম জে আকবরের বিরুদ্ধে। সেখানে পরপর দুদিন কাজের অসিলায় হোটেল রুমে ডেকে নিয়ে যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। সে সময় পত্রিকার এডিটর ইন চিফ ছিলেন এম জে আকবর।
কেলেঙ্কারির অভিযোগ নিয়ে পদত্যাগ করেন ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর। প্রবল চাপের মুখে সাবেক এই মন্ত্রী আদালতের কাছে ন্যায়বিচার কামনা করেন। পদত্যাগপত্র দেওয়ার আগে তিনি অভিযোগ করেন যে, লোকসভা নির্বাচনের আগে ষড়যন্ত্র করে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে।
মিটুতে আনা অভিযোগের প্রমাণ না থাকায় এম যে আকবরকে বিচারের আওতায় আনতে পারেনি আদালত। এ বছর ফেব্রুয়ারির ১৭ তারিখের মানহানি মামলার থেকে মুক্তি পান প্রিয়া রামানি। আদালতের বিচারক জানান, ‘যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আনার জন্য নারীদের শাস্তি দেওয়া যায় না। ভারতীয় সংবিধান নারীদের যেকোনো ফোরামে ও যেকোনো সময় অভিযোগ সামনে আনার সুযোগ দিয়েছে।’
