ধর্ষণ মামলা থেকে বাঁচতে প্রথমে বিয়ে পরে খুন

আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৪৮ পিএম

বরিশালে লঞ্চের কেবিন থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদঘাটনের কথা জানিয়ে র‌্যাব বলেছে, ধর্ষণ মামলা থেকে বাঁচতে তার স্বামীই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। গতকাল সোমবার কক্সবাজার থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর র‌্যাব সাংবাদিকদের এ কথা জানায়।

গত ১০ ডিসেম্বর সকালে ঢাকা-বরিশাল চলাচলকারী এমভি কুয়াকাটা-২ লঞ্চটি বরিশাল নৌবন্দরে পৌঁছলে লঞ্চের নিচতলার কর্মচারীদের কেবিন থেকে শারমিন আক্তার নামে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার বাড়ি বরিশাল। পরদিন তার বাবা এনায়েত হোসেন ফকির বাদী হয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, মাসুদ আশুলিয়ার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পিকআপ ভ্যানের চালকের সহকারী হিসেবে কর্মরত। শারমিন ঢাকার তেজগাঁওয়ের কুনিপাড়া চাচার বাসায় থেকে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। ২০১৯ সালের শুরুতে দুজনের পরিচয় হয়। ওই বছরই শারমিন বিমানবন্দর থানায় মাসুদের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা করেছিলেন। পরে ওই মামলার নিষ্পত্তির জন্য উভয় পরিবারের সম্মতিক্রমে একই বছর ১৭ নভেম্বর তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তারা একত্রে বসবাস না করে নিজ নিজ কর্মস্থলে বসবাস করে আসছিলেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত