বেকারত্ব ঘুচানোর আশা আইটি ফ্রিল্যান্সিংয়ে

আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৫৭ এএম

প্রবাসীরা যেমন দেশের রেমিট্যান্স যোদ্ধা। করোনা মহামারীর সময়েও তারা দেশের অর্থনীতির ভারসাম্যের চাকা ধরে রাখতে সহায়তা করেছেন। তেমনি দেশের ভেতর থেকেই মাত্র ১০ বছরের মধ্যেই ফ্রিল্যান্স রেমিট্যান্স যোদ্ধা তৈরি হয়েছে।

যশোরের মেয়ে প্রজ্ঞা পৃথিবী ঢাকায় বড় হয়েছেন। বিয়ে করে যশোরে সংসার করছেন। ছোট বাচ্চা রেখে চাকরি করা কিছুটা কষ্ট। তার ওপর আবার করোনা চলছে। তাতে কোনো অসন্তোষ নেই প্রজ্ঞার। ঘরে বসেই মাসে প্রায় লাখ টাকা আয়ের গল্প তুলে ধরলেন। তিনি ফ্রিল্যান্সার। সন্তান, সংসার সবকিছুই সুন্দরভাবে সামলে নিচ্ছেন। নিজের মতো করে সময় বের করে কাজ করেন। তার অন্য বন্ধুদের তুলনায় এগিয়ে গেছেন। ‘দুই বছর আগে সরকারের লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পে রেজিস্ট্রেশন (এলইডিপি) করার পর থেকেই ফ্রিল্যান্সিং করছি। এভাবে অনলাইন ও অফলাইনে আয় করছি। বিবাহিত নারী হিসেবে এ কাজটা আমার জন্য সুবিধাজনক। ঘরে বসেই করতে পারছি।’

এটা শুধু প্রজ্ঞার গল্প নয়। বাংলাদেশের লাখো তরুণের গল্প রয়েছে। একটি ভালো কম্পিউটার বা ল্যাপটপ এবং সঙ্গে দ্রুতি গতির ইন্টারনেট ও ইচ্ছাশক্তি দিয়ে নিজের কর্মসংস্থান নিজেই করছেন। কলেজ শিক্ষার্থীরা এখন নিজেরাই নিজেদের পড়ার খরচ চালাচ্ছে। অসচ্ছল পরিবারের সন্তানরা এই ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে পরিবারের দায়িত্ব ভালোভাবেই কাঁধে তুলে নিয়েছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ ট্যুরে দেশের বিভিন্ন জেলা ঘুরে এবং হাইটেক পার্কগুলোতে কাজ করতে আসা তরুণ-তরুণীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কতটা নীরবে ফ্রিল্যান্সিং এখন কর্মসংস্থানের বড় একটি বাজার বিশ্বব্যাপী।

যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে দেখা হয় ফজলে রাব্বীর সঙ্গে। তিনি বললেন সফলতার গল্প। ফজলে রাব্বী বলেন, ‘করোনাকালে যখন ঘরবন্দি ছিলাম, তখন ফেসবুকে লার্নিং অ্যান্ড আর্নিংয়ের পোস্ট দেখতে পাই। আমি একজন গ্রাফিকস ডিজাইনার। এই কোর্সটা হয়েছিল জুম প্ল্যাটফর্মে। ট্রেইনার এবং আমার প্রচেষ্টার ফলে দুই মাসের মধ্যে ভৎববষধহপবৎ.পড়স থেকে আয় শুরু করি। প্রথম কাজটা ব্রাজিলের ছিল। এর আগে বিভিন্ন কাজের জন্য আমাকে বাসা থেকে টাকা নিতে হতো, কিন্তু এখন আমি নিজেই আয় করতে পারছি। ফ্রিল্যান্সার তৈরির মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাসে ব্যাপক অবদান রাখছে এলইডিপি।’

যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে অনেকেই এর স্পেস ব্যবহার করে এগিয়ে চলতে শুরু করেছেন। ভবনটির দশম তলায় নিজেদের অফিস বরাদ্দ নিয়ে কাজ করছে যশোর আইটি। এই প্রতিষ্ঠানটির সিইও রাকিব হাসান বলেন, ‘দৃশ্যমান অফিসের বিষয়টি বায়ারদের আস্থা বাড়িয়ে দেয়। আমরা এখানে অফিস স্থাপনের পর অনেক বড় বড় কাজ পাচ্ছি। আমার কোম্পানিতে প্রায় শতাধিক লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। বছরে প্রতিষ্ঠানের টার্নওভার প্রায় দুই কোটি টাকা।’

সুনসান শহর রাজশাহী। আইটি খাতে ঘটে গেছে নীরব বিপ্লব; বিশেষ করে রাজশাহীতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে হাইস্প্রিড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক। এখন ঘরে বসেই মাসে ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন কেউ কেউ, এমন চিত্র হরহামেশাই মিলবে।

রাজশাহীর একজন সফল উদ্যোক্তা ফ্লিট বাংলাদেশের সিইও খাইরুল আলম দেশ রূপান্তরকে বলেন, রাজশাহীর এই পরিবর্তন ছিল একেবারেই চিন্তার বাইরে। রাজশাহীতে কোনো শিল্পকারখানা নেই, যে কারণে বেকারত্ব পিছিয়ে রেখেছিল নগরকে। কিন্তু ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিকল্পনা সব পাল্টে দিয়েছে।

খাইরুল বলেন, ‘আমার কোম্পানিতে কাজ করে মাসে ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করছে এমন স্টাফের সংখ্যা উল্লেখ করার মতো। আমরা অ্যামাজন, ওয়ালমার্টের মতো বেশ কিছু ওয়ার্ল্ড জায়ান্টের স্টোর ম্যানেজমেন্টের কাজ করছি। তরুণরা দক্ষতার সঙ্গেই কাজ করছে। আমাদের কোম্পানিতে এখন ৫৫৩ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। অনেক স্টাফের রোজগার নামীদামি কোম্পানির সিইওর চেয়েও বেশি। অনেক কলেজছাত্রী মাসে দুই-তিন লাখ টাকার ওপরে আয় করছে, যা অন্য চাকরিতে চিন্তারও বাইরে। আরও অবাক করা হচ্ছে নিজের বাড়িতে বসে এই আয় করতে পারছেন তারা। এতে করে একদিকে যেমন এই মানুষগুলো নিজেদের স্বাবলম্বী করছেন, তেমনি বিদেশের টাকা দেশে এনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন রেমিট্যান্স খাতেও।’

রাজশাহী টেক লিমিটেডের সিইও মাহফুজ রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘স্বপ্নের মতো। হাই স্পিড নেট বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে রাজশাহীতে। সারা দেশের ইউনিয়নে ব্রডব্যান্ড কানেকশন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ করে দিয়েছে। আগে কাজ শুরু করার পর হঠাৎ নেট স্পিড ডাউন হয়ে যেত, এতে নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হতো। এখন কলকারখানা কিংবা নগরায়নের প্রভাব ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশের উদ্যোগ প্রতিটি গ্রামকে বদলে দিয়েছে। এখন মোবাইল গেমস তৈরির বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। সারা দুনিয়ার সব সিনেমা জগৎ, সব খেলার জগৎ একত্র করলে যে টার্নওভার হবে, তার চেয়ে মোবাইল গেমসের বাজার অনেক বড়। এর মার্কেট সাইজ হচ্ছে ৬ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার। দিন দিন বাড়ছে বিস্তৃতি। বিশে^র যেকোনো দেশের তুলনায় দর কম হওয়ায় উদ্যোক্তারাও বাংলাদেশে কাজ দিচ্ছেন।

উন্নয়ন সংগঠন বিআইডিএসেসের তথ্য অনুযায়ী, দেশের শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর সংখ্যার ৬৬ শতাংশই বেকার। ২০০৮ সালে সরকারের দিনবদলের সনদেই বলা হয়েছিল, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শিল্পায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কাজ শুরু হয়। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের পৃষ্ঠপোষকতায় লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এলইডিপি) ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে আত্মোপার্জনশীল হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের বেকারত্ব হ্রাসে ব্যাপক অবদান রাখছে। প্রধানমন্ত্রীর আইসিটিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় চমৎকার এই প্রকল্পের উদ্ভাবক এবং তারই নির্দেশনায় এটি পরিচালিত হচ্ছে।

এলইডিপির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রকল্পটি প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে সারা দেশে প্রতিবন্ধীসহ ৭৭ হাজার তরুণ-তরুণী গ্রাফিকস ডিজাইন, জিডিটাল মার্কেটিং ও ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের ওপর তিনটি ‘প্রফেশনাল আউস সোর্সিং ট্রেইনিং’ সম্পন্ন করেছে। তাদের মধ্যে ৩২ হাজার ২৩৪ তরুণ-তরুণী ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে অর্থ আয় করছেন এবং তাদের মোট আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যেহেতু দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী, তাই এলইডিপি দেশের ২ লাখ ৪০ হাজার নারীকে দুই দিনব্যাপী একটি বনিয়াদি প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা বলেন, চাকরির পিছে না ছুটে, ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের আত্মোপার্জনশীল করে গড়ে তোলাই প্রকল্পটির লক্ষ্য। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকার প্রতিবন্ধীসহ মেধাবী তরুণ-তরুণীদের মাঝে প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ে ১৩ হাজার ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪ হাজার ল্যাপটপ বিতরণ করেছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে কমনওয়েলথ অব লার্নিং, কানাডা এবং দ্য কোর্সেরার উদ্যোগে কোল-কোর্সেরা ওয়ার্কফোর্স রিকভারি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ৩ হাজার তরুণ-তরুণীকে ‘ডিজিটাল স্কিলস’ এবং ‘এন্ট্রাপ্রেনার’-এর ওপর ফুলব্রাইট স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি মোট ৬ লাখের মধ্য থেকে ১ লাখ ফ্রিল্যান্সারকে তৈরি করার লক্ষ্যমাত্রা হাতে নিলেও আরও ১ লাখ ফ্রিল্যান্সার তৈরি করেছে আর এভাবে অনলাইন মার্কেট থেকে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স আয় হয়েছে।

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যেও ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এই অর্থবছরে ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স আসে দেশে, যা আগের অর্থবছরের থেকে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্ট মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ দশমিক ৮১ বিলিয়ন ডলার বা ১৫ হাজার ৩৮৫ কোটি টাকা। তার আগের মাস জুলাইয়ে এসেছিল ১ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১৫ হাজার ৯০৭ কোটি টাকা। করোনা মহামারীর মধ্যেও দেশে রেমিট্যান্স পাঠানো অব্যাহত রেখেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। তবে সেই প্রবাসীদের সঙ্গে দেশের রেমিট্যান্সকে আরও বাড়িয়ে নিতে দেশ থেকেই রেমিট্যান্স যুদ্ধে নেমেছেন লাখ লাখ তরুণ-তরুণী। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করে অনলাইন ট্রান্সফারের মাধ্যমে তারা দেশে আনছেন তাদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা। ফলে একদিক থেকে তারা যেমন নিজেদের স্বাবলম্বী করছেন, তেমনি বৃদ্ধি করছেন দেশের রেমিট্যান্স আয়। আর সরকারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার ফলে এ খাতে এখন ঘটে চলেছে নীরব বিপ্লব।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের প্রায় ৫০ লাখ মানুষ ফ্রিল্যান্সিং পেশার সঙ্গে যুক্ত বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা আঙ্কটাড। সংস্থাটির মতে, তারা বছরে ১০ কোটি ডলার বা ৮৫০ কোটি টাকা আয় করছেন। ২০১১ সালে বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা মাত্র ২০ হাজার ছিল জানিয়ে সংস্থাটি বলেছে, উন্নত দেশগুলো তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে যে মাত্রায় এগোচ্ছে, বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো সে তুলনায় পারছে না। ডিজিটাল ইকোনমি রিপোর্ট ২০১৯ প্রকাশ করে এ তথ্য তুলে ধরেছে আঙ্কটাড। তবে বিভিন্ন সময় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বাংলাদেশে অন্তত ছয় লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ পেশার সঙ্গে জড়িত।

এ বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রণোদনা পেলে ২০২৫ সাল নাগাদ ফ্রিল্যান্সিং থেকেই বছরে আসবে ৯ হাজার কোটি টাকা। ২০২১ সালের মধ্যে দেশে ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা ১০ লাখে উন্নীত করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ ডিজিটাল দেশ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী ফ্রিল্যান্সার উদ্যোক্তাদের একই প্ল্যাটফর্মে এনে তাদের পেশার স্বীকৃতি দেওয়ার লক্ষ্যে আইডি কার্ড দেওয়ার উদ্যোগ নেন। তারা এখন নিবন্ধনের আওতায় এসেছেন। ফলে নগদ সহায়তা দেওয়া হলে ফ্রিল্যান্সাররা আরও উৎসাহী হয়ে কাজ করবেন বলে মনে করেন পলক।

তিনি বলেন, শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে মেধা ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির দিকে দেশকে এগিয়ে নিতে ফ্রিল্যান্সাররা আমাদের মূল কারিগর। ফ্রিল্যান্সারদের আপস্কেলিংয়ে সর্বাত্মক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, ‘নারীদের ইচ্ছা ও সাফল্যের কাহিনী আমাদের ৫০ হাজার নারী উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে “উইমেন আইসিটি ফ্রন্টিয়ার ইনিশিয়েটিভ” শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। খুব শিগগির প্রকল্পটি প্ল্যানিং কমিশনের কাছে পাঠানো হবে।’ পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড প্রবর্তন করে ডিজিটাল রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের একটি আত্মপরিচয় দিয়েছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত