ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক কাউন্টির পরামর্শ পিটারসেনের

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২২, ১১:৪৫ পিএম

প্রথম তিন টেস্ট ম্যাচ জিতে অ্যাশেজ নিজেদের কাছেই রেখে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। বাকি দুই ম্যাচে ইংল্যান্ড ঘুরে দাঁড়াবে নাকি হোয়াইটওয়াশ হবে তা দেখার বিষয়। এমনটি বলতে হচ্ছে দলটির সাম্প্রতিক পারফরমেন্সের কারণে। তিন ম্যাচের কোনোটিতেই বলতে গেলে লড়াই করতে পারেনি ইংলিশরা। সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক কেভিন পিটারসেন ইংল্যান্ডের লাল বলে খারাপ পারফরমেন্স থেকে বের হওয়ার একটি উপায় ভেবেছেন। তার বিশ্বাস ঘরোয়া লাল বলের ক্রিকেটে ফ্র্যাঞ্চাইজি পদ্ধতি সুফল বয়ে আনতে পারে ইংল্যান্ডের জন্য।

ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটের সুনাম বহুদিনের। বহু দেশ অনুকরণ করতে চায় ইংলিশ কাউন্টির। কিন্তু বর্তমানে বিশ্বে জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি-ভিত্তিক ক্রিকেট। অনেক খেলোয়াড়ের ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রতি আগ্রহটা বেশি থাকে অর্থের কারণে। পিটারসেন বলেন, ‘খেলার অন্য জায়গাগুলোতে যেমন অর্থ, তাতে বর্তমান (কাউন্টি) চ্যাম্পিয়নশিপ টেস্ট দলের (গঠনের) জন্য উপযুক্ত নয়। সেরা খেলোয়াড়রা এতে খেলতে চায় না। তাই তরুণ ইংলিশ খেলোয়াড়রা অন্য গ্রেটদের থেকে কিছু শিখতে পারছে না, যেমনটি আমি শিখেছি।’ পিটারসেনের মতে হান্ড্রেড ক্রিকেটে প্রতিযোগিতা বেশি হয়। কেননা সেখানে অভিজ্ঞ ও তরুণের মিশেলে খেলা হয়। প্রতিপক্ষ দলেও থাকে সমমানের খেলোয়াড়। লাল বলের ক্রিকেটের জন্যও তেমন কিছু ভাবা উচিত বলে পরামর্শ ২০০৫-এ ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের অ্যাশেজ জয়ের অন্যতম নায়ক। ‘ক্রিকেট বোর্ডের একই রকম (হান্ড্রেডের মতো) ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা উচিত। যেন সেরারা সেরাদের সঙ্গে খেলতে পারে প্রতি সপ্তাহে। এ দ্বারা টাকা আয় করতে পারবে খেলোয়াড়রা, বাইরের দেশের সেরা খেলোয়াড়রাও খেলতে চাইবে। তাতে লাভবান হবে ইংলিশ খেলোয়াড়রা।’ পিটারসেনের মতে কাউন্টি থেকে অন্য একজন ব্যাটারকে দলে ঢুকালে ব্যাটিং ব্যর্থতা ঠিক হয়ে যাবে না। এমনটি আগেও বহুবার করে ভালো ফলাফল আসেনি। তাই ভিন্ন কিছু চিন্তা করার ওপরই জোর দিয়েছেন পিটারসেন।  

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত