বাজারে দেশি পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় ও চাহিদা কমায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি অনেকটা কমে এসেছে। গত এক মাসেরও কম সময়ের ব্যবধানে ৭ থেকে ৮ গুণ কমেছে পণ্যটির আমদানি। এই সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির দামও কমেছে। বিক্রেতারা বলছেন, ভারতীয় পেঁয়াজের তুলনায় দেশি পেঁয়াজের দাম কম ও মান ভালো হওয়ায় ক্রেতারাও দেশি পেঁয়াজ নিচ্ছেন। ফলে আমদানি কমাতে বাধ্য হয়েছেন তারা।
হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দরে নতুন ইন্দোর জাতের ছোট আকারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২১ থেকে ২২ টাকা কেজি দরে। যা কয়েক দিন আগে ২৩ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রয় হয়েছিল। আর নাসিকের বড় আকারের পেঁয়াজ গত কয়েক দিন ধরে ৩৬ থেকে ৩৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২২ টাকা থেকে ২৪ টাকা কেজি দরে, যা দুদিন আগেও ২৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।
হিলি বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা মাহফুজার রহমান বলেন, আমরা তো নিম্ন আয়ের মানুষজন, যার কারণে পেঁয়াজের দাম যত কম হয় তত আমাদের জন্য ভালো হয়।
তিনি বলেন, ‘ভারতীয় পেঁয়াজ ও দেশি পেঁয়াজের দাম প্রায় একই রকম। কিন্তু দেশি পেঁয়াজের মান ভালো। তাই দেশি পেঁয়াজই কিনছি আমরা।’
বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা গৃহবধূ উম্মে হানি বলেন, ‘গত কয়েক দিনের তুলনায় পেঁয়াজের দাম অনেকটা কমে এসেছে এতে করে আমাদের জন্য সুবিধা হয়েছে।’ হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘আগে যেখানে সব দোকানেই ভারতীয় পেঁয়াজে ভরপুর থাকত এখন সেখানে দেশি পেঁয়াজই বেশি।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তবে আমদানির পরিমাণ একেবারেই কমে এসেছে। এক মাস আগেও যেখানে বন্দর দিয়ে দিনে ১৫ থেকে ২০ ট্রাক করে পেঁয়াজ আমদানি হতো এখন তা কমে ২ ট্রাকে নেমেছে। বৃহস্পতিবার বন্দর দিয়ে ২ ট্রাকে ৫৫ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।’
