কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহে দিদার হোসেন (১৭) নামে এক স্কুলছাত্রকে ছুরিকাঘাতে এবং খোকসায় সেলিনা বেগম নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার রাতে এসব হত্যাকাণ্ড ঘটে। বৃহস্পতিবার সকালে স্ব স্ব থানার পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত রাত ৯টার দিকে শিলাইদহ বাজারে একটি কাঠের দোকানে বসে ছিলেন ১০ম শ্রেণির ছাত্র দিদার হোসেন (১৮)। এ সময় কয়েকজন যুবক বাটাম, ছুরি নিয়ে তার উপর চড়াও হয়ে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা গুরুতর আহতাবস্থায় দিদারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান।
নিহত দিদার শিলাইদহ ইউনিয়নের কসবা গ্রামের হাজী হোসেন আলীর ছেলে।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার দিদার জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। এ ঘটনায় এখনো পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ থানায় আসেনি বা পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করেনি।
অপরদিকে গতকাল রাতে খোকসা উপজেলার একতারপুরের কমলাপুর গ্রামের নিজ বাড়ির শয়নকক্ষ থেকে সেলিনা বেগম (৩৫) নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত সেলিনা বেগম কমলাপুর গ্রামের রইস মন্ডলের স্ত্রী।
খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, ধারণা করা হচ্ছে সেলিনা খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
