‘কেন্দ্রের কোনো কর্মকর্তাই আমাদের মাস্ক আনতে বলেননি’

আপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০২২, ০৪:০১ পিএম

শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা উপজেলায় ষষ্ঠ ধাপে পাঁচটি ইউনিয়ন পরিষদে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ চলছে। ভোট দিতে আসা অধিকাংশ ভোটারের মুখে মাস্ক নেই। মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি।

গা ঘেঁষাঘেঁষি করে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন সবাই। পোলিং এজেন্ট ও আনসার সদস্যদের অনেকের মুখেও মাস্ক নেই।

সোমবার সকালে বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। তীব্র শীত উপেক্ষা করে কেন্দ্রে আসছেন ভোটাররা। সকালে কেন্দ্রে নারী ভোটারের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।

ভোট দিতে আসা খোকন খলিফা, ‘সোহরাফ মোল্লা বলেন, মাস্ক পকেটে আছে। অনেকেই মাস্ক পরেননি। আমাদের কোনো সমস্যা হয় না। আর কেন্দ্রের কোনো কর্মকর্তাই আমাদের মাস্ক আনতে বলেননি।’

জাজিরা উপজেলার বড়কান্দি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড ডুবিসায়বর হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. দাদন মিয়া বলেন, আমরা ভোটারদের মুখে মাস্ক পরে কেন্দ্রে আসতে বলেছি। তা ছাড়া সকালে এসে ভোটারদের মাস্ক বিতরণ করেছি। কিন্তু অনেকেই মাস্ক নিয়ে আসেনি। গ্রামের মানুষ স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারটা মানতে চায় না। আমরা মানানোর চেষ্টা করছি।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে শরীয়তপুরের সদর ও জাজিরা উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন বজায় রাখতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

তিনি বলেন, পাঁচটি ইউনিয়নে ৪৫টি ভোট কেন্দ্রের ২৩১টি বুথে ইভিএমে মাধ্যমে চলছে ভোটগ্রহণ। নির্বাচনের আয়োজনে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও সহিংসতা ঠেকাতে মোতায়েন রয়েছে আনসার, পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি ।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা ভোটারদের বলবেন। এটা মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আর কেন্দ্রের কোনো কর্মকর্তাই আমাদের মাস্ক আনতে বলেননি।’

 

শরীয়তপুর প্রতিনিধি

 

শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা উপজেলায় ষষ্ঠ ধাপে পাঁচটি ইউনিয়ন পরিষদে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ চলছে। ভোট দিতে আসা অধিকাংশ ভোটারের মুখে মাস্ক নেই। মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি।

 

গা ঘেঁষাঘেঁষি করে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন সবাই। পোলিং এজেন্ট ও আনসার সদস্যদের অনেকের মুখেও মাস্ক নেই।

 

সোমবার সকালে বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। তীব্র শীত উপেক্ষা করে কেন্দ্রে আসছেন ভোটাররা। সকালে কেন্দ্রে নারী ভোটারের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।

 

ভোট দিতে আসা খোকন খলিফা, ‘সোহরাফ মোল্লা বলেন, মাস্ক পকেটে আছে। অনেকেই মাস্ক পরেননি। আমাদের কোনো সমস্যা হয় না। আর কেন্দ্রের কোনো কর্মকর্তাই আমাদের মাস্ক আনতে বলেননি।’

 

জাজিরা উপজেলার বড়কান্দি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড ডুবিসায়বর হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. দাদন মিয়া বলেন, আমরা ভোটারদের মুখে মাস্ক পরে কেন্দ্রে আসতে বলেছি। তা ছাড়া সকালে এসে ভোটারদের মাস্ক বিতরণ করেছি। কিন্তু অনেকেই মাস্ক নিয়ে আসেনি। গ্রামের মানুষ স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারটা মানতে চায় না। আমরা মানানোর চেষ্টা করছি।

 

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে শরীয়তপুরের সদর ও জাজিরা উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন বজায় রাখতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 

তিনি বলেন, পাঁচটি ইউনিয়নে ৪৫টি ভোট কেন্দ্রের ২৩১টি বুথে ইভিএমে মাধ্যমে চলছে ভোটগ্রহণ। নির্বাচনের আয়োজনে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও সহিংসতা ঠেকাতে মোতায়েন রয়েছে আনসার, পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি ।

 

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা ভোটারদের বলবেন। এটা মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। 

 

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত