বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি বরিশাল আঞ্চলিক শাখার শিক্ষক নেতাদের দুই দশকের বিভাজনের নিষ্পত্তি হয়েছে। বরিশাল শিক্ষক ভবনে গতকাল বুধবার সকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন সংগঠনের একটি অংশের সাধারণ সম্পাদক সঞ্চয় কুমার খান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী এই সংগঠনের নেতা মুক্তিযোদ্ধা এম এ গফুর ২০০২ সালে মারা যান। এরপরই নেতৃত্বে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিরা সংগঠনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের বিতাড়িত করতে থাকেন। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে সমিতির বরিশাল আঞ্চলিক শাখা বিভাজন হয়ে কামরুজ্জামান গ্রুপের সৃষ্টি হয়। বিভাজনের পর থেকেই শিক্ষকরা অন্যায় আচরণের শিকার ও চাকরি হারাতে শুরু করেন। এতে শিক্ষক আন্দোলন হয় ক্ষতিগ্রস্ত। তাই শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা শেষে ২০ বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতার অবসান ঘটল। এখন থেকে আমাদের লক্ষ্য ও আদর্শ হবে অভিন্ন।
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি বরিশাল আঞ্চলিক শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ ফরিদুল আলম জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস। উপস্থিত ছিলেন সমিতির প্রধান উপদেষ্টা দাসগুপ্ত আশিষ কুমার, সমিতির সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ, শিক্ষক নেতা সুনীল বরণ হালদার, আসাদুল ইসলাম আসাদ প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে সমিতির বরিশাল আঞ্চলিক শাখার কামরুজ্জামান গ্রুপের সভাপতি মো. ইসহাকের নেতৃত্বে শিক্ষক নেতারা বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতিতে যোগ দেন।
