বলিউড বিজয়ী বাঙালি ডিসকো কিং বাপ্পি লাহিড়ী

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১২:৫৭ এএম

চার দশকের ক্যারিয়ারে বাপ্পি লাহিড়ী ছিলেন একাধারে প্লেব্যাক শিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক। তার হাত ধরে ভারতে পপ ঘরানার গান শুরু হয়। ডিস্কো ড্যান্সার সিনেমা থেকে তাকে আলাদাভাবে চিনতে শুরু করে সবাই। ভারতের ডিস্কো কিং বাপ্পীকে নিয়ে লিখেছেন মুমিতুল মিম্মা

ডিসকো ড্যান্সার

১৯৮২ সাল। বলিউডে মুক্তি পায় ‘ডিসকো ডান্সার’। গান ও নাচের সঙ্গে অ্যাকশনের দুর্দান্ত সম্মিলনে চমক দেখায় সিনেমাটি। বলিউডে গান-নাচ-অ্যাকশন ভিত্তিক প্রথম সিনেমা এটি। মুক্তির সঙ্গে সঙ্গে দর্শক লুফে নেয়। ভারতের মানুষ যেন তখন ‘ডিসকো’ জ্বরে ভুগছে। সিনেমার গানগুলো মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে। নিমেষে বক্স অফিস হিট করে এ সিনেমা। ভারত ছাপিয়ে বিশ্বব্যাপী সফলতার মুখ দেখে। এশিয়া, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন, পূর্ব ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, তুরস্ক ও আফ্রিকা জুড়েও দর্শক মাতায় এ সিনেমা। তৎকালীন সোভিয়েতের সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী বিদেশি সিনেমা ছিল ডিসকো ড্যান্সার। গান ও নাচ ছিল এ সিনেমার প্রাণ। সংগীতায়োজন করেন বাপ্পি লাহিড়ী। এক বাক্যে তাকে বলা যায় এ সিনেমার প্রাণভোমরা। আর এ সিনেমা দিয়েই বলিউড সিনেমায় সংগীত পরিচালক হিসেবে অবস্থান পোক্ত হয় বাপ্পির। ডিসকো ড্যান্সার সিনেমা দেশে-বিদেশে নানা পুরস্কার বাগানোর সঙ্গে সঙ্গে বলিউডের হিট সিনেমার পরিচালক হিসেবে শক্তিশালী অবস্থানে উঠে আসেন বাপ্পি লাহিড়ী। হয়ে ওঠেন ডিসকো কিং। আর ডিসকো ড্যান্সার হয়ে ওঠে ডিসকো ভালোবাসা মানুষদের জাতীয় সংগীত।

বাপ্পি লাহিড়ীর পুরো নাম অলোকেশ লাহিড়ী। ১৯৫২ সালের ২৭ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতে জন্ম। বাবা-মা দুজনেই ছিলেন সংগীতজ্ঞ। পরিবারই ছিল তার সংগীতের দীক্ষাক্ষেত্র। সংগীতের ভুবনে প্রবেশের পথে ৩ বছর বয়সে সঙ্গী হয় তবলার বোল। চার বছর বয়সে শাস্ত্রীয় সংগীতে হাতেখড়ি হয় তার। মাত্র ৪ বছর বয়সে লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে একটি গানে তবলা বাজিয়ে শিশু তবলচি হিসেবে নজর কেড়েছিলেন তিনি। তখন থেকেই মুম্বাই চলচ্চিত্র জগতের মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা শুরু হয় তার। বাবা-মার শাস্ত্রীয় সংগীতের ছায়াতলে মাত্র ১১ বছর বয়সে সুরকার হিসেবে প্রথম গানের সুর দেন তিনি। গানের মধ্যে বেড়ে উঠতে গিয়ে ১৯ বছর বয়সে বাংলা ‘দাদু’ সিনেমায় একটি গান করেন তিনি। কিন্তু কলকাতায় মন টেকেনি তার। আরও ভালো গানের সুযোগ পাওয়ার জন্য পা বাড়ান বলিউড পাড়ায়।

১৯৭০ সালে মুম্বাইয়ে এসে আবার নতুন করে শুরু করতে হয় তাকে। নতুন পরিবেশে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা চলতে থাকে তার। ঘুরতে থাকেন কাজের খোঁজে। বলিউড লড়াইয়ের নানা চড়াই-উতরাই পার হওয়ার প্রাক্কালে খানিক বিপাকেই পড়েন তিনি। তবে খুব বেশিদিন কাজের সন্ধানে ঘুরতে হয়নি তাকে। ১৯৭৩ সালে মুম্বাইয়ে কাজের সুযোগ মেলে। ‘নানহা শিকারি’ সিনেমায় কাজ করেন। নিজের সাজসজ্জায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনেন তিনি। বলিউড পাড়ায় তখনো সাড়া ফেলতে পারেননি। তারপরেও নিজের কাজ নিয়ে গভীর আস্থা ছিল তার। সেই থেকেই গলায় স্বর্ণের চেইন, টানটান শার্ট, ব্রেসলেট, সানগ্লাসসহ নিজেকে নতুন করে মেলে ধরেন তিনি। সাজের কল্যাণে আলাদা করে পরিচিতি পান তিনি।

ক্যারিয়ারে নতুন মোড়

১৯৭৫ সাল বাপ্পি লাহিড়ীর ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট। ‘জখমি’ সিনেমায় সংগীত পরিচালক হিসেবে কাজের সুযোগ পান। সেই সিনেমার মোট ৫টি গানের সংগীতায়োজন করেন তিনি। গানগুলো গেয়েছিলেন লতা মঙ্গেশকর, আশা ভোঁসলে, কিশোর কুমার, মোহাম্মদ রফি প্রমুখ নামিদামি শিল্পী। সিনেমায় কিশোর কুমার ও মোহাম্মদ রফির সঙ্গে একটি গানে কণ্ঠও দিতে হয় বাপ্পিকে। সিনেমা মুক্তির সঙ্গে সঙ্গে বলিউডে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি হয় বাপ্পির। এরপর কেবলই তার এগিয়ে যাওয়ার পালা। ১৯৭৬ সালে ‘চালতে চালতে’ সিনেমাটি তার ক্যারিয়ারকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। ’৮২ সালে মুক্তি পায় ‘ডিসকো ড্যান্সার’। এ সিনেমা তাকে ভারত ছাপিয়ে বৈশ্বিক সম্মান এনে দেয়। একই সঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তী আর বাপ্পির জমজমাট জুটি শুরু হয় এ সিনেমার মাধ্যমে।

বাপ্পি লাহিড়ী ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। ১৯৭২ সালে বাংলা সিনেমা দাদুতে সুরকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। তার কম্পোজিশনে গান গেয়েছিলেন লতা মঙ্গেশকর। মিউজিক কম্পোজার হিসেবে তার প্রথম হিন্দি ছবি নানহা শিকারি। সত্তর দশকে তার ওয়ারদাত, কসম প্যায়দা করনে ওয়ালে কি, ড্যান্স ড্যান্স, মুদ্দাত ও গুরু উল্লেখযোগ্য।

আশির দশককে বলা হিন্দি চলচ্চিত্রের কালদশক। কিন্তু তার পরেও আরডি বর্মণ, লক্ষ্মীকান্ত পেয়ারেলাল ও বাপ্পি লাহিড়ীদের সেরা কাজ দিয়ে দশক পার হয়ে যায়। চলচ্চিত্রাঙ্গনে সত্তরের স্রোত আশিতে এসে থমকে গেছে। জ্যোতি, হাতকাড়ি, নমক হালাল ও শারাবির মতো ১২টি বক্স অফিস হিট করা গান উপহার দিয়েছিলেন তিনি।

একজন মিউজিক কম্পোজারের ওপরে চলচ্চিত্রের সফলতার অনেকখানি নির্ভর করে। কারণ গান হিট হলে সাধারণত ছবি হিট করে। নব্বই দশকে বাপ্পির তাম্মা তাম্মা, সোচনা কেয়া ও গোরি হ্যায় কালাইয়ান জনপ্রিয়তা পায়। হিন্দি সিনেমার বাইরেও বাংলা, তেলেগু, তামিল, মালায়ালাম, কন্নড় ও গুজরাটি ভাষায় জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দেন।

মিঠুন-বাপ্পি রসায়ন

চলচ্চিত্রাঙ্গনে আশি ও নব্বই দশকে পর্দায় মিঠুন চক্রবর্তী ও পর্দার পেছনে বাপ্পি লাহিড়ী মানেই ছবি হিট। দশকের বিচারে আশি ও নব্বই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হিন্দি সিনেমা আজ যে স্থানে এসে দাঁড়িয়েছে তার পেছনে সম্পূর্ণ অবদান এই দুই দশকের। নানা পরিবর্তন ও রূপান্তরের মধ্য দিয়ে হিন্দি সিনেমা একটি নির্দিষ্ট রূপরেখা অর্জন করে।

দশকের হিসাব বাদ দিই। ফিরে আসি মিঠুন-বাপ্পি রসায়নে। ডিসকো ড্যান্সার (১৯৮৭), গুরু (১৯৮৯), প্রেম প্রতিজ্ঞা (১৯৮৯), দালাল (১৯৯৩)-এর মতো পরপর বেশ কয়েকটি সিনেমা হিট করার মধ্য দিয়ে জমে ওঠে তাদের রসায়ন। ভিন্নভাবে বললে মিঠুন চক্রবর্তী জনপ্রিয় হয়ে ওঠার পেছনে বাপ্পির গানের সরাসরি ভূমিকা ছিল। কিন্তু ঘাত-প্রতিঘাতে চমৎকার সম্পর্কেও আসে বিরোধের ঝড়।

১৯৮৬ সালে কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করতে গিয়েছিলেন। গাইবেন বাপ্পি আর নাচবেন মিটুন। সে অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুও উপস্থিত ছিলেন। জ্যোতি বসু ছিলেন বাণিজ্যবিরোধী নীতির জন্য বিখ্যাত। তিনি বলিউডের অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে আলোচনার ঝড় ওঠে। শো বাতিল হয়ে গেলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয় বাপ্পি-মিঠুনকে। দুজনের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। অবশ্য সে দ্বন্দ্ব মিটতেও সময় লাগেনি। মিঠুনের ভাষায়, আরডি বর্মণের পরে একমাত্র ব্যক্তি বাপ্পি লাহিড়ী যিনি জনপ্রিয়তায় শীর্ষে পৌঁছেছেন।

স্বর্ণপ্রীতি

গান নিয়ে যতখানি সচেতন ছিলেন বাপ্পি, তার চেয়েও অধিক সচেতন ছিলেন নিজের সাজ-পোশাক নিয়ে। আজীবন গান নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে গেছেন। তার পোশাক নিয়ে মানুষের অন্যরকম আগ্রহ ছিল। কোনো সময়েই সোনার হার, ব্রেসলেট, আংটি ছাড়া দেখা যেত না তাকে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার স্বর্ণপ্রীতির পেছনের গল্প জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘হলিউডের গায়ক এলভিস প্রিসলি সোনার গহনা পরতেন। আমি প্রিসলির ভীষণ ভক্ত ছিলাম। তখন ভাবতাম আমি যদি কখনো সফল হই তাহলে সেদিন নিজের অন্যরকম ভাবমূর্তি গড়ে তুলব। ঈশ্বরের আশীর্বাদে স্বর্ণের মাধ্যমে সেটি করতে পেরেছি। অনেকেই ভাবত আমি লোক দেখানোর জন্য সোনার গহনা পরি। আসলে কিন্তু বিষয়টি তা নয়। স্বর্ণ আমার কাছে এগিয়ে যাওয়ার সাহস।’

গলায়, হাতে সর্বোপরি গা-জুড়ে থাকা সোনার গহনাই যেন বিশেষভাবে চিনিয়ে দিত বাপ্পি লাহিড়ীকে। কেউ এই নিয়ে কোনো প্রশ্ন তুললে মোটেও বিরক্ত হতেন না তিনি। সবসময় হাসিখুশি থাকা মানুষটি একগাল হেসে বলতেন, স্বর্ণ তিনি পছন্দ করেন। আর তাই সুযোগ পেলেই সোনার গহনা কেনা ছিল তার পছন্দের কাজ। মানুষকে তাল লয় ছন্দে মাতিয়ে রাখার পাশাপাশি স্বর্ণের গহনা কিনে নিজেকে মাতিয়ে রাখতে ভালোবাসতেন তিনি। তার ভাষায়, যখনই স্বর্ণ ব্যবহার শুরু করেছি তখনই আমার গান হিট করতে শুরু করেছে। স্বর্ণ আমার কাছে ঈশ্বরতুল্য।

করোনায় অসুস্থ হওয়ার পরপর জীবনের তীরে আছড়ে পড়ে বার্ধক্যের শক্তিশালী ঢেউ। গত বছর সেপ্টেম্বরে নাজেহাল করেছিল করোনা। কিন্তু সামলে নিয়েছিলেন। মনের জোরে সেবার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন যমদূতকে। সুস্থ হয়ে ওঠার পরেই হাত খুলে মনের আনন্দে স্বর্ণের গহনা কিনলেন। এবার হুট করে মনে হলো সোনার কাপে চা খাওয়া হয়নি, ব্যবহার করা হয়নি সোনার থালা। জীবনের এটুকু শখই বা অপূর্ণ থাকবে কেন। প্রশান্ত চিত্তে সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, ‘বহুদিনের ইচ্ছে ছিল সোনার কাপ-পিরিচে চা খাব। সে শখও পূরণ হলো এবার’।

সংগীতাঙ্গনের চোখে

মুম্বাইভিত্তিক সংগীত প্রযোজক ও সংগঠক সোমেন কুট্টি সরকার। বহু বছর বাপ্পি লাহিড়ীর সঙ্গে গ্লোবাল কনসার্ট ট্যুর চলাকালীন কাজ করেছেন। এক দশকের পরিচয়ে সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা বেশি ছিল তাদের। সোমেনের ভাষায়, একজন সহজ-সরল শিল্পী আর সবসময় খোলামেলা থাকতে ভালোবাসতেন বাপ্পি। শব্দ ও ছন্দে সবসময়ই নতুনত্ব আনতে চাইতেন তিনি। সোমেন বলেন, ‘সংগীত পরিচালক হিসেবে তিনি জানতেন কীভাবে সংগীতশিল্পীদের কাছ থেকে সেরাটুকু বের করে আনতে হয়। তিনি ছিলেন অভিযোজিত মানুষ, ছিলেন মানুষের স্বপ্নের সহযোগী। বাপ্পি তার হারমোনিয়াম নিয়ে বসতেন। খুব কম লোকই জানতেন ডিসকো ড্যান্সার গাওয়া মানুষটি ভেতরে ভেতরে একজন গুরুত্বপূর্ণ ও উজ্জ্বল ভারতীয় শাস্ত্রীয় গায়ক ছিলেন।’

বলিউডের প্রযোজক-পরিচালক সঞ্জয় গুপ্ত বাপ্পির দীর্ঘদিনের বন্ধু। সঞ্জয় দত্ত-মাধুরী দীক্ষিত অভিনীত গান তাম্মা তাম্মা লোগের (পরে অমিতাভ বচ্চন অভিনীত হাম চলচ্চিত্রে ‘জুম্মা চুম্মা দে দে’-তে রূপান্তরিত হয়ে ওঠে) জন্য একসঙ্গে কাজ করেছেন দুজনে।

বাপ্পি সম্পর্কে সঞ্জয় বলেন, ‘তখন সে বড় স্টার। কিন্তু আমি তার সহজ উপস্থিতি ও খোলামেলা কথায় মুগ্ধ হয়েছিলাম। বছরের পর বছর একসঙ্গে কাজ করে আমরা ঘনিষ্ঠ হয়েছি। বলিউড পার্টি বা সামাজিক কোনো অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে দেখা হওয়ার কথা আমার মনে নেই। তিনি শুধু কাজ নিয়েই পড়ে থাকতেন। প্রতিদিন দুপুর দেড়টায় বাড়িতে মিউজিক রুম কাম স্টুডিওতে নেমে আসতেন এবং দিনের শেষ অবধি কাজ করতেন। তিনি ছিলেন ভোজনরসিক। মেহমানদারিত্বে তিনি ভীষণ আন্তরিক।

রাজনৈতিক জীবন

২০০৪ সালে বাপ্পি লাহিড়ী রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। সে বছর কংগ্রেসের হয়ে প্রচারণা চালিয়েছিলেন। এরপরে ২০১৪ সালে যোগ দেন বিজেপিতে। সে বছর লোকসভার ভোটে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার শ্রীরামপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির হয়ে ভোটে লড়েছিলেন তিনি। নরেন্দ মোদি ঢেউ চলাকালেও ভোটে পরাস্ত হন তিনি। নির্বাচনে হারতে হয় তাকে। এক সাক্ষাৎকারে ২০১৬ সালে তিনি নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে বলেন, ‘আমি তার খুব কাছের বন্ধু। আমাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে। সংগীত নিয়ে মোদি খুবই উৎসাহী। বেশিরভাগ সময়েই গান-বাজনা নিয়ে জানতে চান আমার কাছে। ড্রাম বাজানোর শখ আছে তার। মেঘালয়ে গিয়ে একবার ড্রাম বাজিয়েছিলেন তিনি। আমি নিজেও তো তবলা বাজাই। তাই বুঝতে পারি ড্রাম বা তবলার মতো তাল-বাদ্যগুলো খুশি থাকার একটি সঙ্কেত।’

বর্ণিল জীবনের সব হিসাব মিটিয়ে লতা মঙ্গেশকর আর সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের পর অন্য ভুবনে পাড়ি জমিয়েছেন তিনিও। ২০২২ যে ভারতের সংগীতরাজ্যে যমদূত হয়ে আসবে সে কথাই বা কে জানত!

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত