পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) অনুকূলে জলিশা মৌজার ভূমি অধিগ্রহণ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকরা। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে দুমকি প্রেস ক্লাবের হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি জানান।
জমিমালিকদের পক্ষে জলিশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক সৈয়দ শাহআলম লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি বলেন, পবিপ্রবিতে জলিশা মৌজায় ইতিপূর্বে ৮৫ একর জমি অধিগ্রহণ করা হলেও পরিবারগুলোর একজন সদস্যেরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়নি। পক্ষান্তরে শ্রীরামপুর মৌজায় অধিগ্রহণকৃত জমির প্রত্যেক পরিবারে চাকরি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জলিশা মৌজার প্রতি শতাংশ জমির ধার্যমূল্যের তিনগুণ শ্রীরামপুর মৌজায় দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে জলিশা মৌজায় আরও ১৯ দশমিক ৬৫ একর জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে। কর্তৃপক্ষের এমন বিমাতাসুলভ আচরণে জলিশাবাসী চরমভাবে হতাশ ও ক্ষুব্ধ। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারে চাকরি নিশ্চিতকরণ ও জমির মূল্য বৈষম্য দূরীকরণ ছাড়া কোনো জমি অধিগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
এ বিষয় পবিপ্রবির জমি অধিগ্রহণ প্রকল্পের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন বলেন, ‘বিশ^বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্পের চাহিদার ভিত্তিতে সরকার জমি অধিগ্রহণ ও মূল্য নির্ধারণ করেছে। এখানে কর্তৃপক্ষের কোনো হস্তক্ষেপ নেই।’
