সাত বছর পর পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হবে আজ শনিবার। সম্মেলন উপলক্ষে পদপ্রত্যাশী দলের প্রবীণ ও নবীন নেতাদের পোস্টার, ব্যানার, আর বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে দলীয় কার্যালয়সহ পুরো শহর। এবারের সম্মেলনে দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে কমপক্ষে ২০ জন প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তবে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা চান, হাইব্রিডমুক্ত একটি কমিটি, যেখানে ত্যাগী ও যোগ্য নেতারা স্থান পাবেন।
জেলা আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, সর্বশেষ ২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়েছিল। এর ১৩ মাস পর ৯৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। সাত বছর পর ফের সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রতিদিন বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা ভিড় করছেন দলীয় জেলা কার্যালয়ে।
শহরের পুলিশ প্যারেড গ্রাউন্ডে (পুলিশ লাইনস মাঠে) বেলা ১১টায় সম্মেলন শুরু হবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল রহিম লাল বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত দলের সেবা করতে চাই। দুঃসময়ে দলের জন্য কাজ করেছি।’
শামসুল হক টুকু বলেন, ‘দলের দুঃসময়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে দলকে সংগঠিত করেছি। সভাপতি নির্বাচিত হলে আমার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই।’
বর্তমান সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স বলেন, ‘কেউ তৃণমূল থেকে রাজনীতি করে উঠে এসেছেন, কেউ ব্যবসায়ী ও আমলা। আওয়ামী লীগে সবসময় তৃণমূল থেকে উঠে আসা নেতাদের গুরুত্ব বেশি। সে মূল্যায়ন এবারও পাব বলে আশা করি।’
ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা মাজহারুল ইসলাম মানিক বলেন, ‘দায়িত্ব পেলে নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে দলকে এগিয়ে নিতে কাজ করব।’
