পশ্চিমাদের দ্বিমুখী নীতির প্রমাণ ইউক্রেন ও রোহিঙ্গা ইস্যু

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০২২, ১২:০৬ এএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ পড়াশোনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, কার্লটন বিশ্ববিদ্যালয়, অটোয়া এবং অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে। জাপানের ইয়োকোহামা সিটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বৈরুতের সাজেস বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিথি অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত। বিভিন্ন ইস্যুতে লেখা ইমতিয়াজ আহমেদের বেশ কিছু বই প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে অজস্র লেখা ও গবেষণাপত্র। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান, ন্যাটো জোটের সম্প্রসারণ ও রাশিয়াবিরোধী অবস্থানসহ প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ে দেশ রূপান্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন। ড. ইমতিয়াজ আহমেদ মনে করেন রোহিঙ্গা সংকট ও ইউক্রেন সংকটে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর ভূমিকা তাদের দ্বিমুখী নীতির প্রমাণ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সম্পাদকীয় বিভাগের আহমেদ মুনীরুদ্দিন

দেশ রূপান্তর : ইউক্রেনে রাশিয়ার চলমান সামরিক অভিযানের ১৭ দিন পেরুলো। এর মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবসহ সংকট নিরসনের কয়েক দফা প্রচেষ্টা দেখা গেছে। কিন্তু কোনোটিই সফল হয়নি। ইউক্রেনকে ঘিরে রাশিয়া ও ন্যাটোর মধ্যকার এই সংকটের কারণ আসলে কী?

ইমতিয়াজ আহমেদ : আমরা যদি এই সংকটের নেপথ্য কারণগুলো দেখি তাহলে বিষয়টা অনেকটাই স্পষ্ট হবে। যখন ‘ওয়ারশ প্যাক্ট’ ছিল তখন ন্যাটো জোটের সদস্য ছিল ১২টা দেশ। লাগাতার সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে এখন ন্যাটোর সদস্য ৩০টা দেশ। কিন্তু এখন ‘ওয়ারশ প্যাক্ট’ নেই। আমরা প্রশ্ন করতে পারি যে, যদি ‘ওয়ারশ জোট’ থাকত এবং তারা ১২টা দেশ থেকে ৩০টা দেশে সম্প্রসারিত হতো, তাহলে কি যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো বিষয়টা মেনে নিত? এভাবেও দেখা যেতে পারে যে, যদি রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত-প্রতিবেশী মেক্সিকো কিংবা কানাডার কোনো সামরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি হয় এবং সেসব দেশে রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন করা হয় তাহলে কি যুক্তরাষ্ট্র সেটা মেনে নেবে? উত্তরটা খুবই সোজা, মেনে নিত না। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে বহুল সমালোচিত ‘মনরো ডকট্রিন’ এখনো আছে। যে কারণে একসময় কিউবা সংকট তৈরি হয়েছিল। এই প্রেক্ষাপট মাথায় রেখে আমাদের বর্তমান সংকটের দিকে তাকাতে হবে।

দেশ রূপান্তর : কিন্তু অনেকে তো বলছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার দেশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের যুগে ফিরিয়ে নিতে চাচ্ছেন, পৃথিবীকে সোভিয়েত সময়ের দ্বিকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থায় ফিরিয়ে নিতে চাইছেন।  

ইমতিয়াজ আহমেদ : এসব পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমের প্রপাগান্ডা। খেয়াল করুন ইউক্রেনে এখন যারা ক্ষমতায় এসেছে তারা ন্যাটোর সদস্য হওয়ার কথা বারবার বলেছে। আর ন্যাটোর ১২টা থেকে ৩০টা সদস্য হওয়ার কারণটা কী? এই যে লাটভিয়া থেকে শুরু করে এস্তোনিয়ার মতো ছোট ছোট দেশ এদেরই বা ন্যাটোর সদস্য হওয়ার কারণ কী? এসব প্রশ্ন কিন্তু করা হচ্ছে না। কারণ আমেরিকা ধরে নিয়েছে রাশিয়া দুর্বল। আর আমেরিকার মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্সের যে বিনিয়োগ সেসব হিসাব করেই যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোর সম্প্রসারণ ঘটাচ্ছিল। এছাড়া আরও কিছু বিষয় আছে যেগুলো পশ্চিমা গণমাধ্যমে আমরা সচরাচর দেখি না। যেমন জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্রের ১১৯টা সামরিক ঘাঁটি আছে। যুক্তরাজ্যে আছে ২৪টার ওপরে। একইভাবে ইতালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি আছে ৪০টার ওপরে। এই বাস্তবতা আমলে না নিয়ে ইউক্রেন সংকট বোঝা যাবে না।

ফলে যারা বলছে যে, পুতিন চাচ্ছে বিশ্বকে কোল্ডওয়ারের যুগে ফিরিয়ে নিতে, তারা এই প্রশ্নগুলোর উত্তরে কী বলবেন? এছাড়া আরও কতগুলো প্রশ্ন করতে হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে থাকা বা অর্থনৈতিক সহযোগিতা কাঠামোতে থাকা আর সামরিক জোট বা ন্যাটোতে থাকা তো এক বিষয় না। তার ওপর ‘সেনটো’ (সেন্ট্রাল ট্রিটি অর্গানাইজেশন) ও ‘সিয়াটো’ (সাউথ ইস্ট এশিয়ান ট্রিটি অর্গানাইজেশন) এর মতো যেসব অর্গানাইজেশন তৈরি হয়েছিল সেসবও তো এখন নেই। কিন্তু আমরা এখনো দেখছি যে, ন্যাটো আফগানিস্তানে যুদ্ধ করেছে। আফগানিস্তান তো ন্যাটোর সদস্য না, ন্যাটো তো ইউরোপের বিষয়। তাহলে যুক্তরাজ্য বা জার্মানির সেনারা আফগানিস্তানে কেন যুদ্ধ করবে? আজ যে ইউক্রেন এত কথা বলছে তারা কেন আফগানিস্তান যুদ্ধে জড়িত হয়েছিল?

এসব কারণেই রাশিয়া বা পুতিন বলছেন যে, ইউক্রেন পর্যন্ত ন্যাটোর সম্প্রসারণ তারা মেনে নেবেন না। লাটভিয়া বা এস্তোনিয়া অনেক ছোট রাষ্ট্র হওয়ায় হয়তো তারা আগ্রাসী হয়নি। কিন্তু খেয়াল করতে হবে ইউক্রেন থেকে রাশিয়া দুই দুইবার আক্রান্ত হয়েছে। একবার সেই নেপোলিয়ানের আমলে আরেকবার হিটলারের আমলে। অন্যদিকে রাশিয়া কখনো পশ্চিমা দেশগুলোকে আক্রমণ করেনি। কিন্তু পশ্চিমাদের কাছ থেকে দুই বার বড় আকারে আক্রান্ত হয়েছে। যদিও দুইবারই রাশিয়া সেটা সামলে নিয়েছে।   

দেশ রূপান্তর : ন্যাটো-রাশিয়া বৈরিতার পাশাপাশি এবার ইউক্রেনের সংকট এতদূর গড়ানোর পেছনে আর কোন বিষয়কে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন? বিশেষত ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বা শাসন কাঠামোর সাম্প্রতিক পরিবর্তনের কোনো বিষয় আছে কি? 

ইমতিয়াজ আহমেদ : একটা বিষয় খেয়াল করতে হবে। পুরো ইউক্রেন কিন্তু ভলোদিমির জেলোনস্কির অবস্থানকে সমর্থন করে না। ইউক্রেনের অভ্যন্তরে রুশভাষীরা প্রায় ৩০ ভাগ। ফলে সেখানে একটা ৭০-৩০ বিভাজন রয়ে গেছে। রুশভাষী এই ৩০ ভাগ রাশিয়াকে স্বাগতই জানাচ্ছে। তারা জেলোনস্কিকে চাচ্ছে না। ভাষা-ধর্ম-জাতীয়তার মতো বিষয়ের এই বিভাজনগুলোও গুরুত্বপূর্ণ। আরেকটা বিষয় হলো জেলোনস্কি এবং তার মন্ত্রিসভার বড় অংশই ইহুদি ধর্মাবলম্বী। এটাও একটা সমস্যা তৈরি করেছে, এদের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক রয়েছে। আজ ইউক্রেনের যে নেতৃত্ব স্বাধীনতার কথা বলছেন, আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কথা বলছেন, তারা প্রকাশ্যেই ইসরায়েলের সঙ্গে ছিলেন। তারা তো কখনো ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মুখ খোলেনি। এছাড়া জেলোনস্কি যেভাবে ক্ষমতায় এসেছেন সেটা নিয়েও প্রশ্ন রয়ে গেছে। কিছুদিন আগেই ইউক্রেনের নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে উৎখাত করে এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে। ওই প্রেসিডেন্টকে রাশিয়ায় পালিয়ে বাঁচতে হয়েছে। ফলে ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি যেমন এই সংকটকে ত্বরান্বিত করেছে তেমনি ইউক্রেনের ন্যাটো জোটে যোগ দেওয়ার হম্বিতম্বি রাশিয়াকে আরও উসকে দিয়েছে।

দেশ রূপান্তর : ইউক্রেন সংকটকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর বিপরীতে বিশ্বে কি এখন একটা পূর্ব-পশ্চিম বিভাজনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে? চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং যেমন বললেন যে মস্কোর সঙ্গে পেইচিংয়ের সম্পর্ক ইস্পাতকঠিন। কিংবা ভারত যেভাবে ভোটদানে বিরত থাকল। রাশিয়া-চীন মৈত্রী আর ভারতের কৌশলগত অবস্থান কি তেমন কোনো ইঙ্গিত দিচ্ছে?

ইমতিয়াজ আহমেদ : আমেরিকা হয়তো এমন চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু আমেরিকার অনেক কিছুই আবার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়। আমেরিকার সবাই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে সমর্থন করছেন তা নয়। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তো একেবারেই না। ট্রাম্পের জনসমর্থন এখনো কম নয়। ট্রাম্প তো উল্টো পুতিনকে জিনিয়াস বলছেন এবং বলছেন যে বাইডেন পররাষ্ট্রনীতি বোঝেন না। আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতির এই বিভাজনের ক্ষেত্রে আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমার ধারণা বাইডেন হয়তো চাইছেন ইউক্রেন সংকটকে টেনে নভেম্বর পর্যন্ত নিয়ে যেতে এবং একটা বাই-পার্টিজান সাপোর্ট বা নিজের জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে নির্বাচন জিতে যাওয়ার। কিন্তু সেটা কতটা সম্ভব হবে তা নিয়ে সংশয় আছে।     

দেশ রূপান্তর : ইউক্রেন সংকটে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ভূমিকাকে কীভাবে দেখছেন? ভারত যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জাপান ও অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে গঠিত চতুর্দেশীয় নিরাপত্তা জোট ‘কোয়াড’-এর সদস্য। তবু ভারত ইউক্রেন সংকটে নীরব ভূমিকা নিয়েছে। ভারতের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাই। 

ইমতিয়াজ আহমেদ : আসলে দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশই যে একই কারণে বা একই রকম অবস্থান নিয়ে তা নয়। বাংলাদেশের কথা ভিন্ন। কিন্তু ভারত এই মহামারীর সময়েও আমেরিকার দ্বারা ভুক্তভোগী হয়েছে। বিশেষত অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার ইস্যুতে। যে কারণে ভারত বাংলাদেশকেও প্রতিশ্রুত টিকা দিতে পারেনি। আর ভারত এটাও মনে করে যে, আমেরিকা সবসময়ই নিজের স্বার্থই দেখবে। ফলে তাকে নির্ভরযোগ্য বন্ধু মনে করার কারণ নেই।

আর এটা স্পষ্ট যে, যুক্তরাষ্ট্র যেমনটা মনে করেছিল তার মতো করে ভারত ও জাপান কিন্তু ‘কোয়াড’-কে দেখতে চায়নি। দেশ দুটি হয়তো একে ‘বেল্ট অ্যান্ড রোডস ইনিশিয়েটিভ’ বা ‘বিআরআই’-এর মতো একটা অর্থনৈতিক সহযোগিতার কাঠামো হিসেবে দেখতে চেয়েছিল। এ কারণেই কিন্তু ‘কোয়াড’ থাকার পরও যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য-অস্ট্রেলিয়া এই তিন দেশ মিলে ২০২১ সালে ‘অকাস’ নামে ত্রিদেশীয় সামরিক জোট গঠন করল। সেখানে তো জাপান ও ভারত নেই। ফলে কোয়াড-এর যে ভবিষ্যৎ নেই সেটা এই ইউক্রেন সংকটে আরও স্পষ্ট হলো।

দেশ রূপান্তর : এবার বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আসি। অনেকে বলে থাকেন কয়েক বছর পেরুনোর পরও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু না হওয়া বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ব্যর্থতা। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের যে পররাষ্ট্রনীতি আর পশ্চিমা দেশগুলোর যে ভূমিকা তার সঙ্গে ইউক্রেন সংকটে পশ্চিমাদের ভূমিকাকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

ইমতিয়াজ আহমেদ : ইউক্রেন সংকটে বাংলাদেশের অবস্থানের ক্ষেত্রে আমাদের পররাষ্ট্রনীতির যে মূল ভিত্তি ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়’ সেটাই মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করি। একইভাবে ‘শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু, বা বন্ধুর শত্রু আমার শত্রু’ এমন নীতিতেও আমরা চলি না। আমরা শান্তিরক্ষী বাহিনীতে সেনা পাঠাই কিন্তু কোনো যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি না। আফগানিস্তানে বাংলাদেশের সেনা চেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্ত বাংলাদেশ তাতে সাড়া দেয়নি। বাংলাদেশের জন্য এই পররাষ্ট্রনীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে, রোহিঙ্গা সংকটে পশ্চিমাদের ভূমিকা আর ইউক্রেন সংকটে পশ্চিমাদের যে ভূমিকা সেটা পশ্চিমাদের যে ডাবল স্ট্যান্ডার্ড বা দ্বিমুখী নীতি সেটা আবারও স্পষ্টভাবে প্রমাণ হলো। আরাকানে বিরাট রোহিঙ্গা গণহত্যা চালানোর পরও মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি পশ্চিমারা। বরং তারা বলার চেষ্টা করেছে, নিষেধাজ্ঞা দিয়ে কিছু হবে না। এতে মিয়ানমারের সাধারণ মানুষ কষ্ট পাবে। কিন্তু ইউক্রেন সংকটে দেখা যাচ্ছে রাশিয়ার ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে যাচ্ছে পশ্চিমারা। অবস্থা এমন যে, যুদ্ধ নয় নিষেধাজ্ঞাই সবকিছু। এতে নিজেদের স্বার্থ আর অন্যদেশের স্বার্থের বিষয়ে পশ্চিমাদের দ্বিমুখী নীতি আবারও সামনে চলে এলো।

দেশ রূপান্তর : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

ইমতিয়াজ আহমেদ : আপনাকে এবং দেশ রূপান্তরকেও ধন্যবাদ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত