দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বাম গণতান্ত্রিক জোটের দেশব্যাপী অর্ধদিবস হরতালের সমর্থনে বরিশালে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ, মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে হরতাল পালন করা হয়েছে।
সকাল ১০টার পর সদর রোডের কিছু দোকান খুলতে শুরু করেন মালিকরা। পরে হরতাল শেষে সব দোকানপাট খুলতে দেখা যায়।
সোমবার সকাল ৬টা থেকে বাম জোটের নেতাকর্মীরা নগরের জেল খানা মোড়, অশ্বিনী কুমার টাউন হল, কাকলীর মোড়ে অবস্থান নিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়।
যানবাহন সংকটে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ এবং অফিসগামীরা পড়েন চরম বিপাকে।
হরতালের সমর্থনে বাম জোটের নেতাকর্মীরা সড়কে অবস্থান নিলেও পুলিশ প্রশাসন ছিল একেবারে নিশ্চুপ।
সকাল ৬টায় নগরের সদর রোডের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন বাম জোটের নেতাকর্মীরা। তারা দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তারা নিত্যপণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনার দাবি জানান।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে বাম গণতান্ত্রিক জোটের অর্ধদিবস হরতাল বরিশালে সফল হয়েছে বলে দাবি করেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল বরিশাল জেলার সদস্য সচিব ডা. মনীষা চক্রবর্তী।
সারা দেশে হরতালে বাম গণতান্ত্রিক জোটের ১৬ নেতাকর্মীর গ্রেপ্তার ও হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা।
বাসদ বরিশাল জেলার আহ্বায়ক ইমরান হাবিব রুমন ও সদস্যসচিব ডা. মনীষা চক্রবর্তী দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বরিশালে অর্ধদিবস হরতাল সফল করায় বরিশালবাসীকে শুভেচ্ছা জানান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বাসদসহ বাম জোটের নেতাকর্মীরা সকাল ৬টা থেকে রাস্তায় অবস্থান করলেও হরতালে নগরে গাড়ি চলাচল ছিল খুবই সীমিত। বেশির ভাগ শ্রমিক দ্রব্যমূল্য কমানোর দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামেনি। যেসব গাড়ি নেমেছে তার চালক ও যাত্রীরা ও হরতালের কথা শুনে গাড়ি থেকে নেমে হরতালে সংহতি জানিয়েছে।
