চতুর্থ সিজন প্রচারিত হচ্ছে জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ এর। ফ্রুটিকা নিবেদিত এই ধারাবাহিকটি ১১ মার্চ থেকে বাংলাভিশন-এর পর্দায় প্রতি শুক্র, শনি ও রবিবার রাত ৮টা ২৫ মিনিটে প্রচারিত হচ্ছে। নগরীতে বসবাসরত ব্যাচেলরদের জীবনযাপন নিয়ে নির্মিত এই ধারাবাহিক নাটকটি গত তিন সিজনেই দর্শক জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। কমেডি ঘরানার এই ধারাবাহিক নাটকটির রচনা, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন কাজল আরেফিন অমি। মোশনরক এন্টারটেইনমেন্ট-এর ব্যানারে নির্মিত হয়েছে নাটকটি। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন- মিশু সাব্বির, জিয়াউল হক পলাশ, মারজুক রাসেল, চাষী আলম, সাবিলা নূর, সানজানা সরকার রিয়া, ফারিয়া শাহরিন, পারসা ইভানা, শরাফ আহমেদ জীবন, সুমন পাটোয়ারী, আবদুল্লাহ রানা, মনিরা মিঠু, তামিম মৃধা, পাভেল, শিমুল-সহ আরো অনেকে। নাটকটি ঘিরে কথা হলো পরিচালক কাজল আরেফিন অমির সঙ্গে।
ব্যাচেলর সিজন-৪ এর নির্মাণের অভিজ্ঞা জানতে চাই…
সত্যিকার কথা হচ্ছে, আমি যে কাজই করি সেটা ভালোবেসেই করি। ব্যাচেলর পয়েন্ট যেহেতু অনেক বছর ধরে করতেছি ফলে এটা শুট করতে আমি সবচেয়ে বেশি এনজয় করি। যদিও সব কাজই আমি এনজয় করি, তবে ব্যাচেলর পয়েন্টে আমার আবেগের জায়গা কাজ করে।
ধারাবাহিকটির এতো জনপ্রিয়তার রহস্য কী?
এটার কোনো রহস্য নাই। আমি আসলে একচুয়ালি সাধারণ পরিবারের একটা ছেলে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতে করতেই বড় হয়েছি। পাড়া মহল্লায় আড্ডা মারতে মারতেই বড় হয়েছি। তো আমি পড়া মহল্লায় আড্ডা মারা ছেলে স্কুল পালানো ছেলে। তো এটা আশীর্বাদ, যে আমি যে ভাবনাগুলো ভাবি সেগুলো সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিলে যায়, কানেক্টেড ফিল করে। সে কারণেই হয়তো মানুষ আমার কাজ দেখে।
আর্টিস্টরা আপনার ভাবনাকে কতটুকু পর্দায় রূপায়ণ করতে পেরেছে?
কখনোই তো আসলে হান্ড্রেড পারসেন্ট করতে পারি না। সেই স্যাটিসফ্যাকশন কখনোই কাজ করে না। আমি যখন ভাবী, তখন আমার দেখা বিভিন্ন ঘটনা বিভিন্ন চরিত্র নিয়েই কাজ করি। যখন যাকে দেখে মনে হয় এই চরিত্রটা একে দিয়ে পসিবল হবে তখন তাকেই কাস্ট করি। তো আমার আর্টিস্টরাও চেষ্টা করে যে আমার ভাবনার সঙ্গে যতটুকু সামঞ্জস্য রেখে পারফর্ম করা যায়। আমারও চেষ্টা থাকে তাকে ক্লিয়ারলি আমার ভিশনটা বোঝানো। আমাদের চেষ্টার জন্যই হয়তো অডিয়েন্স এটা পছন্দ করে। আমার নানা ঘাটতি হয়তো থাকতে পারে কিন্তু চেষ্টাটা থাকে।
বিশাল আর্টিস্ট টিম নিয়ে কাজ করতে হয় আপনাকে। আউটডোরে কাজ করতে গেলে কোনো সমস্যা হয় কিনা?
কাজ করতে গেলে সেটা হয়ই। আমার বিশাল টিমের কারণেই ভিড় জমে যায়। তারপরও উৎসুক লোকদেরও ভিড় জমে যায়। একটু সমস্যা হয়। কিন্তু পরক্ষণেই ভালো লাগে যে মানুষজন আমাদের কাজ ভালোবাসে বলেই আমাদের কাজ দেখার জন্য ভিড় জমান।
ব্যাচেলর পয়েন্টের শিল্পীদের কার পারফর্ম্যান্সে আপনি বেশি সন্তুষ্ট?
শিল্পীদের পারফরম্যান্স নির্ভর করে পরিচালকের ওপর। সে জন্য আমি শিল্পীদের উপর কখনোই দোষ দিই না। কোনো আর্টিস্টের যদি পারফরম্যান্সের ঘাটতি থাকে সেই দায়ভারটা আমার। কোনো আর্টিস্ট যখন ভালো করে তখন তখন সেই প্রাপ্তিটা নিজের মনে হয় আবার যখন কেউ খারাপ করে সেটা আমারই খারাপ লাগে। কারণ প্রতিটা ক্যারেক্টারই আমার তৈরি। ফলে দায়ভারটাও আমারই।
