টম লাথাম যখন যখন ব্যাটিংয়ে নামলেন তখন নেদারল্যান্ডসের বোলিংয়ের সামনে ধুঁকছে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা। ৩০ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর উইকেটে আসেন কিউই অধিনায়ক।
সেখান থেকে ৩২ রানে নেই ৫ উইকেট। দলের এমন বিপর্যয়ের মুখে দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে দুর্দান্ত লড়াই চালিয়ে গেলেন লাথাম। জন্মদিনে ১২৩ বলে ১০ চার ও ৫ ছয়ে খেললেন অপরাজিত ১৪০ রানের ইনিংস।
হ্যামিল্টনের সিডন পার্কে ডাচদের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯ উইকেটে ২৬৪ রান। কিউইদের ৫০ শতাংশেরও বেশি রান এসেছে লাথামের ব্যাট থেকে।
২ এপ্রিল ছিল তার ৩০তম জন্মদিন। দলের প্রয়োজনে দুর্দান্ত ইনিংস খেলে সতীর্থ ও প্রতিপক্ষ থেকেও অভিনন্দন পেলেন লাথাম। কিউইরাও পেয়েছে ১১৮ রানের জয়। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ডাচরা গুটিয়ে যায় ১৪৬ রানে। সেই সঙ্গে এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ জিতে নিল ব্ল্যাক-ক্যাপরা।
এই সেঞ্চুরিতে শচীন টেন্ডুলকারের এক রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন লাথাম। জন্মদিনে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ স্কোর করলেন কিউই অধিনায়ক। যা তার ক্যারিয়ার সেরাও।
এর আগে ১৯৯৮ সালে নিজের জন্মদিনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষ ওয়ানডেতে ১৩৪ রান করেছিলেন শচীন। যা ছিল জন্মদিনে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে যেকোনো ক্রিকেটারের সর্বোচ্চ রান। ২৪ বছর আগের সেই রেকর্ডই ভাঙলেন লাথাম।
এছাড়া জন্মদিনে ২০১১ সালে নিজের আরেক কিউই ব্যাটার রস টেলর পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতে অপরাজিত ১৩১ রান করেছিলেন। ২০০৮ সালে সনাথ জয়াসুরিয়া বাংলাদেশের বিপক্ষে করেছিলেন ১৩০ রান। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৯৯৩ সালে বিনোদ কাম্বলি করেছিলেন অপরাজিত ১০০ রান।
