পাকিস্তানের সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তাকে হুমকি দেওয়ার যে অভিযোগ করেছেন তা তদন্তের প্রস্তাব দিয়েছেন দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। কিন্তু তার সে প্রস্তাবে অসম্মতি জানিয়েছে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)।
পাকিস্তানের পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতা হারানো ইমরান খান যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোলান্ড লু-র হুমকিমূলক বার্তা নিয়ে ইমরান খান অভিযোগ করেছিলেন। ইমরান বলেছিলেন, তাকে পাকিস্তানের ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য বিদেশি চক্রান্ত হচ্ছে।
ইমরান আরও বলেছিলেন, যেহেতু তিনি রাশিয়ার সমর্থনে কথা বলেছিলেন, তাই তাকে সরাবার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে বিদেশি শক্তি। ওয়াশিংটনের পাকিস্তানি দূতকে এই হুমকি দেয়া হয়েছে। তিনি পাকিস্তানের সার্বভৌমত্বের জন্য লড়ছেন বলেও দাবি করেছিলেন ইমরান। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবশ্য জানিয়েছে, তারা কোনো হুমকি দেয়নি।
শনিবার দেশের প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন হওয়ার পর সোমবার শাহবাজ ঘোষণা করেন, পাকিস্তান পার্লামেন্টের জাতীয় সুরক্ষা কমিটি ইমরানের এই অভিযোগ খতিয়ে দেখবে। যে বার্তার কথা বলা হচ্ছে, তা সঠিক, না কি জাল সেটা দেখাই হবে কমিটির কাজ। সেখানে সামরিক ও আইএসআই কর্তারা থাকবেন; আর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রদূত, যিনি এই চিঠি পাঠিয়েছিলেন বলা হচ্ছে, তিনিও থাকবেন।
কিন্তু ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক ই-ইনসাফ (পিটিআই) এই তদন্তে রাজি হয়নি। দলের পক্ষ থেকে জানিয়েছে, নতুন প্রধানমন্ত্রী যেভাবে এগোতে চাইছেন, তাতে পিটিআইয়ের সায় নেই। তারা এই প্রস্তাব খারিজ করে দিচ্ছে।
ইমরান খানের দলের দাবি, সুপ্রিম কোর্ট একটা স্বাধীন কমিশন গঠন করুক এবং সেই কমিশন বিষয়টির তদন্ত করুক। পাশাপাশি, তদন্তকারী কমিশনের প্রধান হবেন এমন একজন, যাকে সকলে মেনে নেবে।
আরও পড়ুন...
